শান্তি আলোচনা নিয়ে চলমান অচলাবস্থার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পুনরায় বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা প্রকাশ করেছে ইরান। তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওয়াশিংটনের যেকোনো ‘দুঃসাহসিকতা’ বা ‘বোকামির’ জবাব দিতে তাদের সশস্ত্র বাহিনী পুরোপুরি প্রস্তুত।
ইরানের সামরিক বাহিনীর
কেন্দ্রীয় কমান্ড সেন্টার ‘খাতাম আল-আম্বিয়া’র জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাফর
আসাদি নতুন করে যুদ্ধ শুরু হওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ
সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সিকে তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের বর্তমান পদক্ষেপ ও বক্তব্য
মূলত গণমাধ্যমনির্ভর। তেলের দাম কমে যাওয়া ঠেকানো এবং নিজেদের তৈরি করা সংকট থেকে
উত্তরণের লক্ষ্যেই তারা এসব উসকানিমূলক কথা বলছে।”
তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, আমেরিকানদের যেকোনো নতুন আগ্রাসন মোকাবিলায় ইরান এখন
আগের চেয়ে অনেক বেশি প্রস্তুত।
এদিকে মার্কিন
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তিতে পৌঁছানোর বিষয়ে নেতিবাচক
ইঙ্গিত দিয়েছেন। শুক্রবার (১ মে) সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, “সত্যি বলতে, ইরানের সাথে কোনো চুক্তি না করাই হয়তো আমাদের জন্য ভালো
হবে। কারণ, এই বিষয়টি আমরা এভাবে
বছরের পর বছর চলতে দিতে পারি না।”
এর আগে হোয়াইট হাউসে
ট্রাম্প জানান, ইরান একটি চুক্তিতে
পৌঁছাতে আগ্রহী হলেও তিনি বর্তমান প্রস্তাবে সন্তুষ্ট নন। তবে প্রস্তাবের কোন অংশে
তার আপত্তি রয়েছে, সে বিষয়ে
নির্দিষ্ট করে কিছু বলেননি তিনি। ইরানের সক্ষমতা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে ট্রাম্প আরও
যোগ করেন, “ইরান একটি চুক্তির দিকে
এগিয়েছে ঠিকই, কিন্তু তারা শেষ পর্যন্ত
লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবে কি না তা নিয়ে আমি নিশ্চিত নই।”
দীর্ঘদিন ধরে চলা
উত্তেজনার পর দুই দেশের মধ্যে সংলাপের যে ক্ষীণ আশা তৈরি হয়েছিল, ট্রাম্পের এমন কঠোর অবস্থান এবং ইরানের পাল্টা
হুঁশিয়ারিতে তা আবারও ফিকে হয়ে আসছে। দুই পক্ষই এখন চূড়ান্ত কোনো সমঝোতার চেয়ে নিজ
নিজ সামরিক ও কৌশলগত অবস্থানকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতাকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে
বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
শান্তি আলোচনা নিয়ে চলমান অচলাবস্থার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পুনরায় বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা প্রকাশ করেছে ইরান। তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওয়াশিংটনের যেকোনো ‘দুঃসাহসিকতা’ বা ‘বোকামির’ জবাব দিতে তাদের সশস্ত্র বাহিনী পুরোপুরি প্রস্তুত।
ইরানের সামরিক বাহিনীর
কেন্দ্রীয় কমান্ড সেন্টার ‘খাতাম আল-আম্বিয়া’র জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাফর
আসাদি নতুন করে যুদ্ধ শুরু হওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ
সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সিকে তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের বর্তমান পদক্ষেপ ও বক্তব্য
মূলত গণমাধ্যমনির্ভর। তেলের দাম কমে যাওয়া ঠেকানো এবং নিজেদের তৈরি করা সংকট থেকে
উত্তরণের লক্ষ্যেই তারা এসব উসকানিমূলক কথা বলছে।”
তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, আমেরিকানদের যেকোনো নতুন আগ্রাসন মোকাবিলায় ইরান এখন
আগের চেয়ে অনেক বেশি প্রস্তুত।
এদিকে মার্কিন
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তিতে পৌঁছানোর বিষয়ে নেতিবাচক
ইঙ্গিত দিয়েছেন। শুক্রবার (১ মে) সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, “সত্যি বলতে, ইরানের সাথে কোনো চুক্তি না করাই হয়তো আমাদের জন্য ভালো
হবে। কারণ, এই বিষয়টি আমরা এভাবে
বছরের পর বছর চলতে দিতে পারি না।”
এর আগে হোয়াইট হাউসে
ট্রাম্প জানান, ইরান একটি চুক্তিতে
পৌঁছাতে আগ্রহী হলেও তিনি বর্তমান প্রস্তাবে সন্তুষ্ট নন। তবে প্রস্তাবের কোন অংশে
তার আপত্তি রয়েছে, সে বিষয়ে
নির্দিষ্ট করে কিছু বলেননি তিনি। ইরানের সক্ষমতা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে ট্রাম্প আরও
যোগ করেন, “ইরান একটি চুক্তির দিকে
এগিয়েছে ঠিকই, কিন্তু তারা শেষ পর্যন্ত
লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবে কি না তা নিয়ে আমি নিশ্চিত নই।”
দীর্ঘদিন ধরে চলা
উত্তেজনার পর দুই দেশের মধ্যে সংলাপের যে ক্ষীণ আশা তৈরি হয়েছিল, ট্রাম্পের এমন কঠোর অবস্থান এবং ইরানের পাল্টা
হুঁশিয়ারিতে তা আবারও ফিকে হয়ে আসছে। দুই পক্ষই এখন চূড়ান্ত কোনো সমঝোতার চেয়ে নিজ
নিজ সামরিক ও কৌশলগত অবস্থানকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতাকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে
বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন