ঝিনাইদহের মহেশপুরে পাঁচ বছরের এক শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে সেফতের আলী (৬৫) নামে এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার মান্দারবাড়ীয়া ইউনিয়নের শাহাপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শাহাপুর গ্রামের এক ব্যক্তির পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে সেদিন বিকেলে তার চাচাতো ভাইয়ের সঙ্গে খেলতে বের হয়। ভাইকে খুঁজতে গিয়ে শিশুটি প্রতিবেশী সেফতের আলীর বাড়িতে যায়। তখন শিশুটিকে একা পেয়ে সেফতের আলী প্রলোভন দেখিয়ে ঘরের ভেতর নিয়ে যৌন নিপীড়ন করেন।
পরে শিশুটি বাড়িতে ফিরে মা-বাবার কাছে ঘটনার বিস্তারিত খুলে বলে। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওই বৃদ্ধকে আটকে রাখেন। খবর পেয়ে মহেশপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি জনতার মারধরে সামান্য আহত হওয়ায় তাকে মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে মহেশপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেছেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে উপপরিদর্শক (এসআই) বনি আমিনকে। শনিবার গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, ‘একটি শিশুর সঙ্গে এমন অপরাধ কোনোভাবেই মেনে নেওয়ার মতো নয়। অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। মামলার তদন্ত চলছে এবং আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে আমরা প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিচ্ছি।’

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
ঝিনাইদহের মহেশপুরে পাঁচ বছরের এক শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে সেফতের আলী (৬৫) নামে এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার মান্দারবাড়ীয়া ইউনিয়নের শাহাপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শাহাপুর গ্রামের এক ব্যক্তির পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে সেদিন বিকেলে তার চাচাতো ভাইয়ের সঙ্গে খেলতে বের হয়। ভাইকে খুঁজতে গিয়ে শিশুটি প্রতিবেশী সেফতের আলীর বাড়িতে যায়। তখন শিশুটিকে একা পেয়ে সেফতের আলী প্রলোভন দেখিয়ে ঘরের ভেতর নিয়ে যৌন নিপীড়ন করেন।
পরে শিশুটি বাড়িতে ফিরে মা-বাবার কাছে ঘটনার বিস্তারিত খুলে বলে। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওই বৃদ্ধকে আটকে রাখেন। খবর পেয়ে মহেশপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি জনতার মারধরে সামান্য আহত হওয়ায় তাকে মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে মহেশপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেছেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে উপপরিদর্শক (এসআই) বনি আমিনকে। শনিবার গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, ‘একটি শিশুর সঙ্গে এমন অপরাধ কোনোভাবেই মেনে নেওয়ার মতো নয়। অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। মামলার তদন্ত চলছে এবং আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে আমরা প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিচ্ছি।’

আপনার মতামত লিখুন