সংবাদ

ইরানকে টোল দিলেই মার্কিন নিষেধাজ্ঞার হুঁশিয়ারি, উত্তপ্ত হরমুজ প্রণালী


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ৩ মে ২০২৬, ০৯:৫৭ এএম

ইরানকে টোল দিলেই মার্কিন নিষেধাজ্ঞার হুঁশিয়ারি, উত্তপ্ত হরমুজ প্রণালী

কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলের জন্য ইরানকে কোনো ধরনের টোল বা মাশুল প্রদান করলে সংশ্লিষ্ট জাহাজ কোম্পানিগুলোর ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুঁশিয়ারি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার (১ মে) ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই সতর্কবার্তা জারি করা হয়

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই হরমুজ প্রণালীতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে ইরান এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি বন্ধ করে দিলেও পরে কিছু শর্তসাপেক্ষে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেয়। তবে অভিযোগ উঠেছে, নিরাপদ যাতায়াতের বিনিময়ে তেহরান বিভিন্ন বাণিজ্যিক জাহাজের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের মাশুল আদায় করছে। ইরানের এই আয়ের পথ বন্ধ করতেই ওয়াশিংটন এমন কঠোর অবস্থান নিয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সতর্কবার্তা অনুযায়ী, ইরানকে দেওয়া যেকোনো ধরনের আর্থিক সুবিধা নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বে। এর মধ্যে রয়েছে:

  • নগদ অর্থ বা ডিজিটাল কারেন্সি (ক্রিপ্টোকারেন্সি)
  • যেকোনো ধরনের দাতব্য অনুদান
  • অনানুষ্ঠানিক বিনিময় বা বার্টার সিস্টেম
  • এমনকি ইরানি দূতাবাসে অর্থ প্রদানও এই নিষেধাজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত হবে

মূলত তেহরান যাতে কোনোভাবেই তাদের অর্থনীতি সচল রাখার জন্য বাড়তি রাজস্ব সংগ্রহ করতে না পারে, সেটিই মার্কিন প্রশাসনের মূল লক্ষ্য

ইরানকে তেলের রাজস্ব থেকে বঞ্চিত করতে গত ১৩ এপ্রিল থেকে দেশটির বন্দরগুলোতে নৌ-অবরোধ আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) শনিবার (২ মে) জানিয়েছে, তাদের কড়াকড়ির মুখে গত কয়েক দিনে অন্তত ৪৮টি বাণিজ্যিক জাহাজকে পথ পরিবর্তন করে ফিরে যেতে বাধ্য করা হয়েছে

 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ০৩ মে ২০২৬


ইরানকে টোল দিলেই মার্কিন নিষেধাজ্ঞার হুঁশিয়ারি, উত্তপ্ত হরমুজ প্রণালী

প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬

featured Image

কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলের জন্য ইরানকে কোনো ধরনের টোল বা মাশুল প্রদান করলে সংশ্লিষ্ট জাহাজ কোম্পানিগুলোর ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুঁশিয়ারি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার (১ মে) ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই সতর্কবার্তা জারি করা হয়

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই হরমুজ প্রণালীতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে ইরান এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি বন্ধ করে দিলেও পরে কিছু শর্তসাপেক্ষে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেয়। তবে অভিযোগ উঠেছে, নিরাপদ যাতায়াতের বিনিময়ে তেহরান বিভিন্ন বাণিজ্যিক জাহাজের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের মাশুল আদায় করছে। ইরানের এই আয়ের পথ বন্ধ করতেই ওয়াশিংটন এমন কঠোর অবস্থান নিয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সতর্কবার্তা অনুযায়ী, ইরানকে দেওয়া যেকোনো ধরনের আর্থিক সুবিধা নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বে। এর মধ্যে রয়েছে:

  • নগদ অর্থ বা ডিজিটাল কারেন্সি (ক্রিপ্টোকারেন্সি)
  • যেকোনো ধরনের দাতব্য অনুদান
  • অনানুষ্ঠানিক বিনিময় বা বার্টার সিস্টেম
  • এমনকি ইরানি দূতাবাসে অর্থ প্রদানও এই নিষেধাজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত হবে

মূলত তেহরান যাতে কোনোভাবেই তাদের অর্থনীতি সচল রাখার জন্য বাড়তি রাজস্ব সংগ্রহ করতে না পারে, সেটিই মার্কিন প্রশাসনের মূল লক্ষ্য

ইরানকে তেলের রাজস্ব থেকে বঞ্চিত করতে গত ১৩ এপ্রিল থেকে দেশটির বন্দরগুলোতে নৌ-অবরোধ আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) শনিবার (২ মে) জানিয়েছে, তাদের কড়াকড়ির মুখে গত কয়েক দিনে অন্তত ৪৮টি বাণিজ্যিক জাহাজকে পথ পরিবর্তন করে ফিরে যেতে বাধ্য করা হয়েছে

 


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত