আগের দিন শনিবার দেশের তিন বিভাগ রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অতি ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছিল আবহাওয়া অধিদপ্তর। চব্বিশ ঘণ্টা পর এবার ময়মনসিংহ ও সিলেটসহ আরও দুই বিভাগ ঢাকা ও চট্টগ্রামে অতি ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া অধিদপ্তর।
পূর্বভাসে বলা হয়েছে, ঢাকা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন অংশে মাঝারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টি হতে পারে।বিশেষ করে ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের সব জেলায় কোথাও কোথাও ৮৮ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে।
আবহাওয়াবিদ একেএম নাজমুল হক জানান, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের সব জেলায় মাঝারি থেকে ভারি, কোথাও কোথাও অতি ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম বিভাগের কুমিল্লা, নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম এবং ঢাকা বিভাগের পূর্বাঞ্চলের নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জ জেলাতেও একই ধরনের বৃষ্টি হতে পারে।
খুলনা বিভাগে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। বরিশাল বিভাগে তুলনামূলকভাবে কম বৃষ্টি হতে পারে বলে জানান আবহাওয়াবিদ।
রোববার (৩ মে) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বিরাজমান লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ হতে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর প্রভাবে ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এ ছাড়া ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে। এ সময়ে সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
নদীবন্দরের জন্য বিশেষ সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, রোববার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দ্বীপে দেশের সর্বোচ্চ ৭৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময়ে ঢাকায় বৃষ্টি হয়েছে ২৮ মিলিমিটার।
সাধারণত ২৪ ঘণ্টায় ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হলে তাকে ‘ভারি’ বৃষ্টি বলা হয়। আর ৮৮ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত হলে তাকে ‘অতি ভারি’ বর্ষণ বলা হয়।

রোববার, ০৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
আগের দিন শনিবার দেশের তিন বিভাগ রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অতি ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছিল আবহাওয়া অধিদপ্তর। চব্বিশ ঘণ্টা পর এবার ময়মনসিংহ ও সিলেটসহ আরও দুই বিভাগ ঢাকা ও চট্টগ্রামে অতি ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া অধিদপ্তর।
পূর্বভাসে বলা হয়েছে, ঢাকা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন অংশে মাঝারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টি হতে পারে।বিশেষ করে ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের সব জেলায় কোথাও কোথাও ৮৮ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে।
আবহাওয়াবিদ একেএম নাজমুল হক জানান, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের সব জেলায় মাঝারি থেকে ভারি, কোথাও কোথাও অতি ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম বিভাগের কুমিল্লা, নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম এবং ঢাকা বিভাগের পূর্বাঞ্চলের নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জ জেলাতেও একই ধরনের বৃষ্টি হতে পারে।
খুলনা বিভাগে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। বরিশাল বিভাগে তুলনামূলকভাবে কম বৃষ্টি হতে পারে বলে জানান আবহাওয়াবিদ।
রোববার (৩ মে) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বিরাজমান লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ হতে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর প্রভাবে ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এ ছাড়া ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে। এ সময়ে সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
নদীবন্দরের জন্য বিশেষ সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, রোববার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দ্বীপে দেশের সর্বোচ্চ ৭৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময়ে ঢাকায় বৃষ্টি হয়েছে ২৮ মিলিমিটার।
সাধারণত ২৪ ঘণ্টায় ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হলে তাকে ‘ভারি’ বৃষ্টি বলা হয়। আর ৮৮ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত হলে তাকে ‘অতি ভারি’ বর্ষণ বলা হয়।

আপনার মতামত লিখুন