পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের আদর্শ গ্রামে নিরাপদ খাওয়ার পানি সরবরাহের জন্য প্রায় সাড়ে সাতাত্তর লাখ টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছিল। প্রকল্পটি সম্পন্ন হওয়ার পর সাত বছর পেরিয়ে গেলেও এলাকাবাসী একদিনের জন্যও বিশুদ্ধ পানি পাননি। গভীর নলকূপ থেকে লবণাক্ত পানি উঠেছে। এ নিয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
জানা গেছে, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে বাস্তবায়িত এ প্রকল্পে গভীর নলকূপ, সাবমারসিবল পাম্প, ওভারহেড ট্যাংক ও পাইপলাইন স্থাপন করা হয়। কিন্তু পরীক্ষামূলকভাবে পানি উত্তোলনের সময়ই লবণাক্ততা ধরা পড়ে। এরপর প্রকল্পটি আর চালু করা হয়নি। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার, তদারকির অভাব এবং পরিকল্পনার ত্রুটির কারণে এই ব্যর্থতা ঘটেছে।
প্রকল্পের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ও ঠিকাদাররা কাজ শেষে চলে যান। বর্তমানে সংশ্লিষ্ট অফিসেও প্রকল্পের ফাইল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। এমন অভিযোগও রয়েছে যে, পানি ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রধানের নামে বিদ্যুৎ মিটার স্থাপন করে পরে বকেয়া বিলের মামলায় স্থানীয় বাসিন্দাকে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। অথচ প্রকল্পটি কোনো সেবাই দিতে পারেনি।
উপকূলীয় এলাকায় নিরাপদ পানির সংকট দীর্ঘদিনের। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের এই পরিণতি জনগণের টাকার অপচয়ের নামান্তর।
আমরা বলতে চাই, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এ প্রকল্পের ব্যর্থতার কারণ খতিয়ে দেখা উচিত। সুষ্ঠু তদন্তের ভিত্তিতে দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। সংশ্লিষ্ট এলাকায় নিরাপদ পানি সরবরাহের কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের আদর্শ গ্রামে নিরাপদ খাওয়ার পানি সরবরাহের জন্য প্রায় সাড়ে সাতাত্তর লাখ টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছিল। প্রকল্পটি সম্পন্ন হওয়ার পর সাত বছর পেরিয়ে গেলেও এলাকাবাসী একদিনের জন্যও বিশুদ্ধ পানি পাননি। গভীর নলকূপ থেকে লবণাক্ত পানি উঠেছে। এ নিয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
জানা গেছে, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে বাস্তবায়িত এ প্রকল্পে গভীর নলকূপ, সাবমারসিবল পাম্প, ওভারহেড ট্যাংক ও পাইপলাইন স্থাপন করা হয়। কিন্তু পরীক্ষামূলকভাবে পানি উত্তোলনের সময়ই লবণাক্ততা ধরা পড়ে। এরপর প্রকল্পটি আর চালু করা হয়নি। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার, তদারকির অভাব এবং পরিকল্পনার ত্রুটির কারণে এই ব্যর্থতা ঘটেছে।
প্রকল্পের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ও ঠিকাদাররা কাজ শেষে চলে যান। বর্তমানে সংশ্লিষ্ট অফিসেও প্রকল্পের ফাইল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। এমন অভিযোগও রয়েছে যে, পানি ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রধানের নামে বিদ্যুৎ মিটার স্থাপন করে পরে বকেয়া বিলের মামলায় স্থানীয় বাসিন্দাকে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। অথচ প্রকল্পটি কোনো সেবাই দিতে পারেনি।
উপকূলীয় এলাকায় নিরাপদ পানির সংকট দীর্ঘদিনের। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের এই পরিণতি জনগণের টাকার অপচয়ের নামান্তর।
আমরা বলতে চাই, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এ প্রকল্পের ব্যর্থতার কারণ খতিয়ে দেখা উচিত। সুষ্ঠু তদন্তের ভিত্তিতে দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। সংশ্লিষ্ট এলাকায় নিরাপদ পানি সরবরাহের কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন