আবাসন ব্যবসার নামে চার শতাধিক গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় ১২০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ‘হলিস্টিক হোম বিল্ডার্স লিমিটেড’ প্রতিষ্ঠানের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (ডিএমডি) হায়দার কবির মিথুনকে গ্রেপ্তার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
রোববার (১০ মে) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খানের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, উত্তরখান থানার সন্নিকটে ১০ কাঠা জমির ওপর একটি ভবন নির্মাণ করে ৩৬টি শেয়ার বিক্রির প্রচারণা চালায় প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিটি শেয়ারের দাম ছিল ১৫ লাখ টাকা। প্রলোভনে পড়ে বাদীসহ বিভিন্ন গ্রাহক কোম্পানির উত্তরা সেক্টর-৪ এর অফিসে গিয়ে অর্থ বিনিয়োগ করেন।
বাদী ২০২৩ সালের এপ্রিলে প্রথমে ১ লাখ এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে মোট ১২ লাখ ৮০ হাজার টাকা জমা দেন। বাদীর এক বন্ধু আরও ৯ লাখ টাকা প্রদান করেন।
অভিযুক্তরা গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে মানি রিসিট ও চেক দিলেও শেয়ারভুক্ত জমি রেজিস্ট্রেশন করে দেয়নি। পরবর্তীতে গ্রাহকরা জানতে পারেন, প্রতিষ্ঠানটি রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ভাড়া নেওয়া থ্রি-স্টার হোটেল ও মৌজার জমির শেয়ার বিক্রির নামে প্রায় ৪৭০ জন গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় ১২০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে।
মামলা দায়েরের পর হায়দার কবির মিথুন আত্মগোপনে চলে যান এবং বিদেশে পালিয়ে যান। রোববার মধ্যরাতে (শনিবার দিবাগত রাত) তিনি বিদেশ থেকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করলে ইমিগ্রেশন পুলিশের সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত হায়দার কবির মিথুনের বিরুদ্ধে আরও একাধিক প্রতারণা মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। যাত্রাবাড়ি থানার একটি মামলায় তিনি অভিযুক্ত। এ ছাড়া উত্তরা পূর্ব ও উত্তরা পশ্চিম থানায় একাধিক মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি রয়েছে।
বর্তমানে মামলাটির তদন্ত পরিচালনা করছে ঢাকা মেট্রো উত্তর ইউনিট। প্রতারণা চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে। গ্রেপ্তারকৃত হায়দার কবির মিথুনকে রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলমান।

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
আবাসন ব্যবসার নামে চার শতাধিক গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় ১২০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ‘হলিস্টিক হোম বিল্ডার্স লিমিটেড’ প্রতিষ্ঠানের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (ডিএমডি) হায়দার কবির মিথুনকে গ্রেপ্তার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
রোববার (১০ মে) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খানের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, উত্তরখান থানার সন্নিকটে ১০ কাঠা জমির ওপর একটি ভবন নির্মাণ করে ৩৬টি শেয়ার বিক্রির প্রচারণা চালায় প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিটি শেয়ারের দাম ছিল ১৫ লাখ টাকা। প্রলোভনে পড়ে বাদীসহ বিভিন্ন গ্রাহক কোম্পানির উত্তরা সেক্টর-৪ এর অফিসে গিয়ে অর্থ বিনিয়োগ করেন।
বাদী ২০২৩ সালের এপ্রিলে প্রথমে ১ লাখ এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে মোট ১২ লাখ ৮০ হাজার টাকা জমা দেন। বাদীর এক বন্ধু আরও ৯ লাখ টাকা প্রদান করেন।
অভিযুক্তরা গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে মানি রিসিট ও চেক দিলেও শেয়ারভুক্ত জমি রেজিস্ট্রেশন করে দেয়নি। পরবর্তীতে গ্রাহকরা জানতে পারেন, প্রতিষ্ঠানটি রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ভাড়া নেওয়া থ্রি-স্টার হোটেল ও মৌজার জমির শেয়ার বিক্রির নামে প্রায় ৪৭০ জন গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় ১২০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে।
মামলা দায়েরের পর হায়দার কবির মিথুন আত্মগোপনে চলে যান এবং বিদেশে পালিয়ে যান। রোববার মধ্যরাতে (শনিবার দিবাগত রাত) তিনি বিদেশ থেকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করলে ইমিগ্রেশন পুলিশের সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত হায়দার কবির মিথুনের বিরুদ্ধে আরও একাধিক প্রতারণা মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। যাত্রাবাড়ি থানার একটি মামলায় তিনি অভিযুক্ত। এ ছাড়া উত্তরা পূর্ব ও উত্তরা পশ্চিম থানায় একাধিক মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি রয়েছে।
বর্তমানে মামলাটির তদন্ত পরিচালনা করছে ঢাকা মেট্রো উত্তর ইউনিট। প্রতারণা চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে। গ্রেপ্তারকৃত হায়দার কবির মিথুনকে রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলমান।

আপনার মতামত লিখুন