পশ্চিমবঙ্গে প্রথম বিজেপি সরকার গঠনের ঐতিহাসিক মুহূর্তে আবেগঘন প্রতিক্রিয়া দিলেন নবনিযুক্ত মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর শপথ গ্রহণের পর মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে শপথ নেন তিনি। আর তারপরই সংবাদমাধ্যমের সামনে নিজের দীর্ঘ রাজনৈতিক লড়াইয়ের স্মৃতি তুলে ধরে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন অগ্নিমিত্রা।
তিনি বলেন, “২৩টি পুলিশ মামলা, অপমান, হেনস্থা, কর্মীদের ওপর অত্যাচার- সব পেরিয়ে আজ এখানে পৌঁছেছি। এখনও বিশ্বাস করতে পারছি না, সত্যিই আমাদের সরকার হয়েছে।”
অগ্নিমিত্রার দাবি, এই রাজনৈতিক পরিবর্তন শুধুমাত্র ক্ষমতা পরিবর্তন নয়- এটি আদর্শের জয়। তাঁর কথায়, “ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্বপ্ন আজ পূরণ হয়েছে। যে বাংলা পশ্চিম বাংলাদেশে পরিণত হওয়ার পথে ছিল, সেই বাংলাকে আমরা রক্ষা করতে পেরেছি।”
বাংলার ইতিহাস ও বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট টেনে এনে তিনি আরও বলেন, “শ্যামাপ্রসাদের জন্যই বাঙালি বাংলা পেয়েছে। না হলে আজ পরিস্থিতি অন্যরকম হতে পারত। বাংলাদেশে যেভাবে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচারের অভিযোগ ওঠে, সেই পরিস্থিতির মুখে আমরাও পড়তে পারতাম।”
এদিন তৃণমূল কংগ্রেস ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে অগ্নিমিত্রা অভিযোগ করেন, “তোষণের রাজনীতির মাধ্যমে বাংলাকে অন্য পথে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু বাংলার মানুষ সেই চেষ্টাকে সফল হতে দেয়নি।”
একই সঙ্গে রাজনৈতিক হিংসায় নিহত বিজেপি কর্মীদের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর দাবি, “আজ তাদের আত্মাও নিশ্চয়ই শান্তি পেয়েছে।”
তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অগ্নিমিত্রা পালের এই মন্তব্য নতুন করে বিতর্ক উসকে দিতে পারে। কারণ তার বক্তব্যে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ, ধর্মীয় ইঙ্গিত এবং রাজ্যের রাজনৈতিক অবস্থাকে একসঙ্গে টেনে আনা হয়েছে- যা আগামী দিনে রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ ছড়াতে পারে।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গে প্রথম বিজেপি সরকার গঠনের ঐতিহাসিক মুহূর্তে আবেগঘন প্রতিক্রিয়া দিলেন নবনিযুক্ত মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর শপথ গ্রহণের পর মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে শপথ নেন তিনি। আর তারপরই সংবাদমাধ্যমের সামনে নিজের দীর্ঘ রাজনৈতিক লড়াইয়ের স্মৃতি তুলে ধরে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন অগ্নিমিত্রা।
তিনি বলেন, “২৩টি পুলিশ মামলা, অপমান, হেনস্থা, কর্মীদের ওপর অত্যাচার- সব পেরিয়ে আজ এখানে পৌঁছেছি। এখনও বিশ্বাস করতে পারছি না, সত্যিই আমাদের সরকার হয়েছে।”
অগ্নিমিত্রার দাবি, এই রাজনৈতিক পরিবর্তন শুধুমাত্র ক্ষমতা পরিবর্তন নয়- এটি আদর্শের জয়। তাঁর কথায়, “ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্বপ্ন আজ পূরণ হয়েছে। যে বাংলা পশ্চিম বাংলাদেশে পরিণত হওয়ার পথে ছিল, সেই বাংলাকে আমরা রক্ষা করতে পেরেছি।”
বাংলার ইতিহাস ও বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট টেনে এনে তিনি আরও বলেন, “শ্যামাপ্রসাদের জন্যই বাঙালি বাংলা পেয়েছে। না হলে আজ পরিস্থিতি অন্যরকম হতে পারত। বাংলাদেশে যেভাবে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচারের অভিযোগ ওঠে, সেই পরিস্থিতির মুখে আমরাও পড়তে পারতাম।”
এদিন তৃণমূল কংগ্রেস ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে অগ্নিমিত্রা অভিযোগ করেন, “তোষণের রাজনীতির মাধ্যমে বাংলাকে অন্য পথে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু বাংলার মানুষ সেই চেষ্টাকে সফল হতে দেয়নি।”
একই সঙ্গে রাজনৈতিক হিংসায় নিহত বিজেপি কর্মীদের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর দাবি, “আজ তাদের আত্মাও নিশ্চয়ই শান্তি পেয়েছে।”
তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অগ্নিমিত্রা পালের এই মন্তব্য নতুন করে বিতর্ক উসকে দিতে পারে। কারণ তার বক্তব্যে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ, ধর্মীয় ইঙ্গিত এবং রাজ্যের রাজনৈতিক অবস্থাকে একসঙ্গে টেনে আনা হয়েছে- যা আগামী দিনে রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ ছড়াতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন