বাংলার রাজনীতিতে ঐতিহাসিক পালাবদলের পর বিজেপির উত্থানের গল্পই এবার সামনে আনলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবার (৯ মে) কলকাতা ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে নতুন অধ্যায়। আর সেই আবহেই রোববার (১০ মে) বেঙ্গালুরুর জনসভা থেকে বড় বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী।
নিজস্ব ভঙ্গিতে মোদি তুলে ধরলেন বিজেপির দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা। তার কথায়, “মাত্র ১০ বছর আগে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ছিল হাতে গোনা তিন জন বিধায়ক। আজ সেই বাংলাতেই ২০০-এর বেশি আসন নিয়ে সরকার গঠন করেছে দল।” সংখ্যার এই উত্থানকে তিনি দেখালেন মানুষের আস্থার প্রতিফলন হিসেবে- যেখানে ভোটের ফল শুধুই ক্ষমতার বদল নয়, বরং মানসিকতার পরিবর্তনের ইঙ্গিত।
সদ্যসমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে ২০৭টি আসন জিতে তৃণমূল কংগ্রেসকে সরিয়ে দিয়েছে বিজেপি। একসময় যাদের সংগঠন নিয়ে প্রশ্ন উঠত, সেই দলই আজ রাজ্যের শাসনভার হাতে নিয়েছে। অন্যদিকে ৮০টি আসনে সীমাবদ্ধ প্রাক্তন শাসকদল তৃণমূল। এই ফলাফল যে শুধুই ভোটের অঙ্ক নয়, বরং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ- তা স্পষ্ট গেরুয়া শিবিরের বক্তব্যে।
শপথের মঞ্চে দাঁড়িয়ে বাংলার মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনাদের সমর্থনেই পরিবর্তনের সুযোগ এসেছে।” উন্নয়ন, আইনশৃঙ্খলা ও রাজনৈতিক হিংসামুক্ত পরিবেশ- এই প্রতিশ্রুতিগুলিকেই সামনে রেখে প্রচার চালিয়েছিল বিজেপি এবং সেই বার্তায় সাড়া দিয়েছে মানুষ- এমনটাই দাবি দলের নেতৃত্বের।
তবে বেঙ্গালুরুর সভা থেকে মোদির বার্তা শুধুই বাংলায় সীমাবদ্ধ থাকেনি। তিনি গোটা দেশের রাজনৈতিক মানচিত্রে বিজেপি ও এনডিএ-র বিস্তারের চিত্রও তুলে ধরেন। কর্ণাটক, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা থেকে পুদুচেরি- প্রতিটি জায়গাতেই নিজেদের অবস্থান শক্ত করার কথা বলেন তিনি। তার দাবি, যেখানে একসময় বিজেপি ছিল প্রান্তিক শক্তি, আজ সেখানে দলই হয়ে উঠেছে নির্ধারক শক্তি।
একইসঙ্গে বিরোধীদেরও আক্রমণ করতে ভোলেননি প্রধানমন্ত্রী। তামিলনাড়ুতে সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং কেরলে কংগ্রেসের অবস্থান তুলে ধরে তিনি কটাক্ষ করেন বিরোধী শিবিরকে। তার বক্তব্যে স্পষ্ট, জাতীয় রাজনীতিতে বিজেপির ক্রমবর্ধমান প্রভাবকেই সামনে আনতে চাইছে গেরুয়া শিবির।
সব মিলিয়ে, বাংলার মাটি থেকে শুরু করে জাতীয় রাজনীতির বিস্তৃত প্রেক্ষাপট- সব জায়গাতেই বিজেপির উত্থান ও বিস্তারের বার্তাই শোনালেন নরেন্দ্র মোদি। আর সেই বার্তার কেন্দ্রেই এখন বাংলা- নতুন রাজনৈতিক দিশার সন্ধানে।

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
বাংলার রাজনীতিতে ঐতিহাসিক পালাবদলের পর বিজেপির উত্থানের গল্পই এবার সামনে আনলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবার (৯ মে) কলকাতা ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে নতুন অধ্যায়। আর সেই আবহেই রোববার (১০ মে) বেঙ্গালুরুর জনসভা থেকে বড় বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী।
নিজস্ব ভঙ্গিতে মোদি তুলে ধরলেন বিজেপির দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা। তার কথায়, “মাত্র ১০ বছর আগে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ছিল হাতে গোনা তিন জন বিধায়ক। আজ সেই বাংলাতেই ২০০-এর বেশি আসন নিয়ে সরকার গঠন করেছে দল।” সংখ্যার এই উত্থানকে তিনি দেখালেন মানুষের আস্থার প্রতিফলন হিসেবে- যেখানে ভোটের ফল শুধুই ক্ষমতার বদল নয়, বরং মানসিকতার পরিবর্তনের ইঙ্গিত।
সদ্যসমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে ২০৭টি আসন জিতে তৃণমূল কংগ্রেসকে সরিয়ে দিয়েছে বিজেপি। একসময় যাদের সংগঠন নিয়ে প্রশ্ন উঠত, সেই দলই আজ রাজ্যের শাসনভার হাতে নিয়েছে। অন্যদিকে ৮০টি আসনে সীমাবদ্ধ প্রাক্তন শাসকদল তৃণমূল। এই ফলাফল যে শুধুই ভোটের অঙ্ক নয়, বরং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ- তা স্পষ্ট গেরুয়া শিবিরের বক্তব্যে।
শপথের মঞ্চে দাঁড়িয়ে বাংলার মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনাদের সমর্থনেই পরিবর্তনের সুযোগ এসেছে।” উন্নয়ন, আইনশৃঙ্খলা ও রাজনৈতিক হিংসামুক্ত পরিবেশ- এই প্রতিশ্রুতিগুলিকেই সামনে রেখে প্রচার চালিয়েছিল বিজেপি এবং সেই বার্তায় সাড়া দিয়েছে মানুষ- এমনটাই দাবি দলের নেতৃত্বের।
তবে বেঙ্গালুরুর সভা থেকে মোদির বার্তা শুধুই বাংলায় সীমাবদ্ধ থাকেনি। তিনি গোটা দেশের রাজনৈতিক মানচিত্রে বিজেপি ও এনডিএ-র বিস্তারের চিত্রও তুলে ধরেন। কর্ণাটক, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা থেকে পুদুচেরি- প্রতিটি জায়গাতেই নিজেদের অবস্থান শক্ত করার কথা বলেন তিনি। তার দাবি, যেখানে একসময় বিজেপি ছিল প্রান্তিক শক্তি, আজ সেখানে দলই হয়ে উঠেছে নির্ধারক শক্তি।
একইসঙ্গে বিরোধীদেরও আক্রমণ করতে ভোলেননি প্রধানমন্ত্রী। তামিলনাড়ুতে সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং কেরলে কংগ্রেসের অবস্থান তুলে ধরে তিনি কটাক্ষ করেন বিরোধী শিবিরকে। তার বক্তব্যে স্পষ্ট, জাতীয় রাজনীতিতে বিজেপির ক্রমবর্ধমান প্রভাবকেই সামনে আনতে চাইছে গেরুয়া শিবির।
সব মিলিয়ে, বাংলার মাটি থেকে শুরু করে জাতীয় রাজনীতির বিস্তৃত প্রেক্ষাপট- সব জায়গাতেই বিজেপির উত্থান ও বিস্তারের বার্তাই শোনালেন নরেন্দ্র মোদি। আর সেই বার্তার কেন্দ্রেই এখন বাংলা- নতুন রাজনৈতিক দিশার সন্ধানে।

আপনার মতামত লিখুন