সংবাদ

মেগা প্রকল্পের নামে লুট হয়েছে: সেতুমন্ত্রী


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১১ মে ২০২৬, ০৪:১৫ পিএম

মেগা প্রকল্পের নামে লুট হয়েছে: সেতুমন্ত্রী

বিগত সরকারের আমলে মেগা প্রকল্পের নামে ব্যাপক লুটপাট ও দুর্নীতি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি জানান, দেশ থেকে প্রায় ৩০ লাখ কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে এবং ২০ লাখ কোটি টাকার বেশি বৈদেশিক ঋণের বোঝা রেখে যাওয়া হয়েছে। এই বিশাল ঋণের মধ্যেই বর্তমান রাষ্ট্র পরিচালনা করতে হচ্ছে।

আজ সোমবার (১১ মে) দুপুরে পদ্মা সেতুর শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও পদ্মা সেতু জাদুঘরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

সেতুমন্ত্রী বলেন, "দেশের ১৬টি মেগা প্রকল্পের অর্থ ব্যয় হয়ে গেলেও অনেক কাজ শেষ হয়নি। ঠিকাদাররা পালিয়ে যাওয়ায় অনেক প্রকল্পের কাজ নতুন করে শুরু করা যাচ্ছে না। ১৮ বছরের দুর্নীতি ও অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ার কারণে বিদেশি দাতা সংস্থাগুলো এখন বড় প্রকল্পে অর্থায়নে অনীহা প্রকাশ করছে।"

পদ্মা সেতু প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, "এই সেতুর ফিজিবিলিটি স্টাডি ও মাওয়া প্রান্তের অ্যালাইনমেন্ট নির্ধারণের কাজ বিএনপি সরকারের আমলেই হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যাপক অনিয়ম ও ব্যয় ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।"

পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির গুরুত্ব তুলে ধরে শেখ রবিউল আলম বলেন, "শুধু গাছ লাগালেই হবে না, সেগুলোর সঠিক পরিচর্যা করতে হবে। আমি এই সড়ক দিয়েই বাড়ি যাই, তাই কতগুলো গাছ বেঁচে আছে তা নিজেই খেয়াল রাখব। আজ গাছ লাগিয়ে এক বছর পর যদি তা না থাকে, তবে সেই উদ্যোগের কোনো মূল্য নেই।"

সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন: শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আহমেদ আসলাম, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক সরদার একেএম নাসিরউদ্দিন কালু, জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগম ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ শরীফ-উজ-জামান

অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী পদ্মা সেতু জাদুঘরের নির্মাণ কাজের ফলক উন্মোচন করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাজের গুণগত মান বজায় রাখার নির্দেশ দেন।

 

 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ১১ মে ২০২৬


মেগা প্রকল্পের নামে লুট হয়েছে: সেতুমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬

featured Image

বিগত সরকারের আমলে মেগা প্রকল্পের নামে ব্যাপক লুটপাট ও দুর্নীতি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি জানান, দেশ থেকে প্রায় ৩০ লাখ কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে এবং ২০ লাখ কোটি টাকার বেশি বৈদেশিক ঋণের বোঝা রেখে যাওয়া হয়েছে। এই বিশাল ঋণের মধ্যেই বর্তমান রাষ্ট্র পরিচালনা করতে হচ্ছে।

আজ সোমবার (১১ মে) দুপুরে পদ্মা সেতুর শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও পদ্মা সেতু জাদুঘরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

সেতুমন্ত্রী বলেন, "দেশের ১৬টি মেগা প্রকল্পের অর্থ ব্যয় হয়ে গেলেও অনেক কাজ শেষ হয়নি। ঠিকাদাররা পালিয়ে যাওয়ায় অনেক প্রকল্পের কাজ নতুন করে শুরু করা যাচ্ছে না। ১৮ বছরের দুর্নীতি ও অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ার কারণে বিদেশি দাতা সংস্থাগুলো এখন বড় প্রকল্পে অর্থায়নে অনীহা প্রকাশ করছে।"

পদ্মা সেতু প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, "এই সেতুর ফিজিবিলিটি স্টাডি ও মাওয়া প্রান্তের অ্যালাইনমেন্ট নির্ধারণের কাজ বিএনপি সরকারের আমলেই হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যাপক অনিয়ম ও ব্যয় ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।"

পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির গুরুত্ব তুলে ধরে শেখ রবিউল আলম বলেন, "শুধু গাছ লাগালেই হবে না, সেগুলোর সঠিক পরিচর্যা করতে হবে। আমি এই সড়ক দিয়েই বাড়ি যাই, তাই কতগুলো গাছ বেঁচে আছে তা নিজেই খেয়াল রাখব। আজ গাছ লাগিয়ে এক বছর পর যদি তা না থাকে, তবে সেই উদ্যোগের কোনো মূল্য নেই।"

সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন: শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আহমেদ আসলাম, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক সরদার একেএম নাসিরউদ্দিন কালু, জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগম ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ শরীফ-উজ-জামান

অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী পদ্মা সেতু জাদুঘরের নির্মাণ কাজের ফলক উন্মোচন করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাজের গুণগত মান বজায় রাখার নির্দেশ দেন।

 

 


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত