চলতি বিশ্বকাপে বড় অঘটন ঘটিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। দক্ষিণ কোরিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের নকআউটে প্রথম বার জায়গা করে নিয়েছে আফ্রিকার দেশটি। এ রকম যে কিছু হতে পারে, তা আশা করেননি কোনও বিশেষজ্ঞই। ফিফা ক্রমতালিকায় ২৮ নম্বরে থাকা সন হিউ মিনের দক্ষিণ কোরিয়াকে ৫৪ নম্বরে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকার থেকে অনেকটা এগিয়ে রেখেছিলেন তারা। কিন্তু মাঠে দেখা গেল অন্য ছবি।
প্রথম দু’ম্যাচ থেকে ১ পয়েন্ট
পেয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। কিন্তু অভিজ্ঞ কোচ ব্রুস জানতেন, তাদের সুযোগ রয়েছে। সেই শিক্ষায়
ফুটবলারদের দিয়েছিলেন ৭৪ বছর বয়সী পোড়খাওয়া কোচ। মাঠে সেটাই দেখা গেল। দক্ষিণ কোরিয়া
গোলের জন্য যার উপর ভরসা করে সেই সনকেই অবরুদ্ধ করে দিল দক্ষিণ আফ্রিকা। ফলে গোল করতে
পারলো না কোরিয়া।
শারীরিক লড়াইয়েও হার মানলো দক্ষিণ
কোরিয়া। তাদের কাছে স্কিল আছে। কিন্তু দৈহিক উচ্চতা ও ক্ষমতায় অনেকটা পিছিয়ে তারা।
ফলে একের বিরুদ্ধে একের লড়াই জিতলো দক্ষিণ আফ্রিকা। রক্ষণ মজবুত থাকায় দক্ষিণ কোরিয়া
আক্রমণের ফসল তুলতে পারলো না। কিন্তু ম্যাচের ৬৩ মিনিটের মাথায় গুরুত্বপূর্ণ গোলটি
করে ফেললেন থাপেলো মাসেকো। দেশের ফুটবল ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সাফল্য এল তার পা থেকেই।
দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরে নকআউটে
যাওয়ার স্বপ্ন ধাক্কা খেল দক্ষিণ কোরিয়ার। তারা তিন নম্বরে রয়েছে। এখনও নকআউটে যাওয়ার
সম্ভাবনা রয়েছে এশিয়ার দেশের। তবে তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে বাকি গ্রুপের ফলের উপর।
রেফারি শেষ বাঁশি বাজাতেই হাঁটু
মুড়ে দু’হাতে মুখ ঢেকে কাঁদতে শুরু করলেন হুগো ব্রুস। দক্ষিণ আফ্রিকার ফুটবলারদের মধ্যে
কেউ কেউ হাত পা ছুড়ে উল্লাস করছেন। কেউ কাঁদছেন। দু’জনকে দেখা গেল মাঠে একে অপরকে জড়িয়ে
ধরে গড়াগড়ি খাচ্ছেন। সমর্থকদেরও একই হাল।
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন মেক্সিকো
আয়োজক দেশ মেক্সিকোকে এ বারের
বিশ্বকাপে অপ্রতিরোধ্য দেখাচ্ছে। হতে পারে সব ম্যাচ নিজেদের দেশে তারা খেলেছে। গ্যালারি
ভর্তি সমর্থকদের সামনে খেলেছে। কিন্তু যে খেলাটা তারা দেখাচ্ছে তা অন্য দলগুলিকে চিন্তায়
রাখবে।
গ্রুপের শেষ ম্যাচে চেক প্রজাতন্ত্রকে
৩-০ গোলে হারিয়েছে মেক্সিকো। তিনটি গোলই হয়েছে দ্বিতীয়ার্ধে। ৫৫ মিনিটে মাতেও শাভেজ
ও ৬১ মিনিটে জুলিয়ান কুইনোনেস গোল করেন। ৬ মিনিটের ঝড়ে চেক দলের সব স্বপ্ন শেষ হয়ে
যায়। কুইনোনেস এ বারের বিশ্বকাপে মেক্সিকোর চমক। ভালো খেলছেন তিনি। ম্যাচের একেবারে
শেষ মুহূর্তে গোল করেন আলভারো ফিদালগো। চলতি বিশ্বকাপে প্রথম দেশ হিসেবে গ্রুপের তিনটি
ম্যাচই জিতলো মেক্সিকো।

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬
চলতি বিশ্বকাপে বড় অঘটন ঘটিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। দক্ষিণ কোরিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের নকআউটে প্রথম বার জায়গা করে নিয়েছে আফ্রিকার দেশটি। এ রকম যে কিছু হতে পারে, তা আশা করেননি কোনও বিশেষজ্ঞই। ফিফা ক্রমতালিকায় ২৮ নম্বরে থাকা সন হিউ মিনের দক্ষিণ কোরিয়াকে ৫৪ নম্বরে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকার থেকে অনেকটা এগিয়ে রেখেছিলেন তারা। কিন্তু মাঠে দেখা গেল অন্য ছবি।
প্রথম দু’ম্যাচ থেকে ১ পয়েন্ট
পেয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। কিন্তু অভিজ্ঞ কোচ ব্রুস জানতেন, তাদের সুযোগ রয়েছে। সেই শিক্ষায়
ফুটবলারদের দিয়েছিলেন ৭৪ বছর বয়সী পোড়খাওয়া কোচ। মাঠে সেটাই দেখা গেল। দক্ষিণ কোরিয়া
গোলের জন্য যার উপর ভরসা করে সেই সনকেই অবরুদ্ধ করে দিল দক্ষিণ আফ্রিকা। ফলে গোল করতে
পারলো না কোরিয়া।
শারীরিক লড়াইয়েও হার মানলো দক্ষিণ
কোরিয়া। তাদের কাছে স্কিল আছে। কিন্তু দৈহিক উচ্চতা ও ক্ষমতায় অনেকটা পিছিয়ে তারা।
ফলে একের বিরুদ্ধে একের লড়াই জিতলো দক্ষিণ আফ্রিকা। রক্ষণ মজবুত থাকায় দক্ষিণ কোরিয়া
আক্রমণের ফসল তুলতে পারলো না। কিন্তু ম্যাচের ৬৩ মিনিটের মাথায় গুরুত্বপূর্ণ গোলটি
করে ফেললেন থাপেলো মাসেকো। দেশের ফুটবল ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সাফল্য এল তার পা থেকেই।
দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরে নকআউটে
যাওয়ার স্বপ্ন ধাক্কা খেল দক্ষিণ কোরিয়ার। তারা তিন নম্বরে রয়েছে। এখনও নকআউটে যাওয়ার
সম্ভাবনা রয়েছে এশিয়ার দেশের। তবে তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে বাকি গ্রুপের ফলের উপর।
রেফারি শেষ বাঁশি বাজাতেই হাঁটু
মুড়ে দু’হাতে মুখ ঢেকে কাঁদতে শুরু করলেন হুগো ব্রুস। দক্ষিণ আফ্রিকার ফুটবলারদের মধ্যে
কেউ কেউ হাত পা ছুড়ে উল্লাস করছেন। কেউ কাঁদছেন। দু’জনকে দেখা গেল মাঠে একে অপরকে জড়িয়ে
ধরে গড়াগড়ি খাচ্ছেন। সমর্থকদেরও একই হাল।
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন মেক্সিকো
আয়োজক দেশ মেক্সিকোকে এ বারের
বিশ্বকাপে অপ্রতিরোধ্য দেখাচ্ছে। হতে পারে সব ম্যাচ নিজেদের দেশে তারা খেলেছে। গ্যালারি
ভর্তি সমর্থকদের সামনে খেলেছে। কিন্তু যে খেলাটা তারা দেখাচ্ছে তা অন্য দলগুলিকে চিন্তায়
রাখবে।
গ্রুপের শেষ ম্যাচে চেক প্রজাতন্ত্রকে
৩-০ গোলে হারিয়েছে মেক্সিকো। তিনটি গোলই হয়েছে দ্বিতীয়ার্ধে। ৫৫ মিনিটে মাতেও শাভেজ
ও ৬১ মিনিটে জুলিয়ান কুইনোনেস গোল করেন। ৬ মিনিটের ঝড়ে চেক দলের সব স্বপ্ন শেষ হয়ে
যায়। কুইনোনেস এ বারের বিশ্বকাপে মেক্সিকোর চমক। ভালো খেলছেন তিনি। ম্যাচের একেবারে
শেষ মুহূর্তে গোল করেন আলভারো ফিদালগো। চলতি বিশ্বকাপে প্রথম দেশ হিসেবে গ্রুপের তিনটি
ম্যাচই জিতলো মেক্সিকো।

আপনার মতামত লিখুন