স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন কোরিয়া আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (কোইকা) কান্ট্রি ডিরেক্টর জিহুন কিম।
আজ সোমবার (১১ মে) সকালে সচিবালয়ে মন্ত্রীর দফতরে এই বৈঠক
অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও কোইকার মধ্যে চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের
অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকে বিশেষ করে টেকসই উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
আলোচনাধীন প্রধান বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল, গ্রামীণ জনপদে দারিদ্র্যের হার কমাতে পারস্পরিক
সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি। জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সচেতনতা বৃদ্ধি
এবং পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণ। আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সম্প্রসারণ এবং টেকসই গ্রামীণ
অর্থনীতি গড়ে তোলা।
সাক্ষাৎকালে জলবায়ু সহিষ্ণু অবকাঠামো নির্মাণে নতুন প্রকল্প
গ্রহণের সম্ভাবনা নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। কোইকা বাংলাদেশে আরও বড় পরিসরে কাজ করার
এবং বর্তমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
বৈঠকে কোইকা বাংলাদেশের ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর জুনসু
কিম, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব মোহাং শওকত রশীদ চৌধুরীসহ মন্ত্রণালয়ের
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।
উভয় পক্ষই আশা প্রকাশ করেন যে, আগামী দিনে বাংলাদেশ ও কোইকার
মধ্যকার উন্নয়ন সহযোগিতা আরও নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন কোরিয়া আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (কোইকা) কান্ট্রি ডিরেক্টর জিহুন কিম।
আজ সোমবার (১১ মে) সকালে সচিবালয়ে মন্ত্রীর দফতরে এই বৈঠক
অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও কোইকার মধ্যে চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের
অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকে বিশেষ করে টেকসই উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
আলোচনাধীন প্রধান বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল, গ্রামীণ জনপদে দারিদ্র্যের হার কমাতে পারস্পরিক
সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি। জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সচেতনতা বৃদ্ধি
এবং পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণ। আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সম্প্রসারণ এবং টেকসই গ্রামীণ
অর্থনীতি গড়ে তোলা।
সাক্ষাৎকালে জলবায়ু সহিষ্ণু অবকাঠামো নির্মাণে নতুন প্রকল্প
গ্রহণের সম্ভাবনা নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। কোইকা বাংলাদেশে আরও বড় পরিসরে কাজ করার
এবং বর্তমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
বৈঠকে কোইকা বাংলাদেশের ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর জুনসু
কিম, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব মোহাং শওকত রশীদ চৌধুরীসহ মন্ত্রণালয়ের
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।
উভয় পক্ষই আশা প্রকাশ করেন যে, আগামী দিনে বাংলাদেশ ও কোইকার
মধ্যকার উন্নয়ন সহযোগিতা আরও নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।

আপনার মতামত লিখুন