বিশ্বকাপের শুরুটা সম্ভাব্য সেরা উপায়েই করেছিল এশিয়ান পাওয়ারহাউজ দক্ষিণ কোরিয়া। চেক প্রজাতন্ত্রকে ২-১ গোলে হারিয়ে তিন পয়েন্ট পেয়ে শুরুর পর নকআউট পর্বে যাওয়ার রাস্তাটা সহজই ছিল কোরিয়ার জন্য। কিন্তু সেই কোরিয়াই পরের দুই ম্যাচ হেরে এখন বাদ পড়ার শঙ্কায়। দলের এমন হতশ্রী পারফরম্যান্সের পর কড়া সমালোচনা করেছেন সাবেক কিংবদন্তি পার্ক জি-সুং। বলেছেন, বিশ্বকাপের আগে কোরিয়ার প্রস্তুতির মান নিয়েই এখন সন্দেহ হচ্ছে তার। দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফুটবলার পার্ক জি-সুং। স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসনের সেই অদম্য ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মিডফিল্ডের অন্যতম প্রাণভোমরা ছিলেন এই দক্ষিণ কোরিয়ান ফুটবলার। দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে হারের পর তাই একরাশ হতাশা উগড়ে দিয়েছেন তিনি। ধারাভাষ্য দেয়ার সময় পার্ক বলেছেন, ‘এই ম্যাচটা আমরা আসলেও জিততে চেয়েছি কি না সেটি আমাদের আরেকবার ভেবে দেখতে হবে। আক্রমণের কোনো দৃশ্যমান পরিকল্পনাই ছিল না। পুরো বিশ্বকাপ জুড়েই একই অবস্থা। মনে হচ্ছে টুর্নামেন্টের আগে প্রস্তুতির সময় নিশ্চিতভাবেই কিছু কিছু জিনিস এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে’। ১২ বছর আগের স্মৃতি মনে করে পার্ক বলেছেন, ‘২০১৪ বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর আমরা গভীরভাবে বিশ্লেষণ করেছিলাম যে কোথায় আমাদের ভুল ছিল। এবারের প্রস্তুতি প্রক্রিয়া ও ফলাফল দেখে আমার ২০১৪ এর কথাই মনে পড়ছে’।
‘যদিও রাউন্ড অব ৩২ এর দরজা এখনও
পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়নি, তবে এমনভাবে খেলতে থাকলে আমরা আসলে নকআউটে ঠিক কতদূর যাব,
আমি নিশ্চিত নই’।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে নিয়মিত
অধিনায়ক সন হিউং-মিনকে বেঞ্চে রেখেছিল কোরিয়া। পরে মাঠে নেমেও গোলের দেখা পাননি সং,
কোরিয়াও হেরে যায় ম্যাচ। নকআউট পর্বে যাওয়ার জন্য এখন বাকি গ্রুপগুলোর ফলাফলের দিকে
তাকিয়ে থাকতে হবে দক্ষিণ কোরিয়াকে।

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬
বিশ্বকাপের শুরুটা সম্ভাব্য সেরা উপায়েই করেছিল এশিয়ান পাওয়ারহাউজ দক্ষিণ কোরিয়া। চেক প্রজাতন্ত্রকে ২-১ গোলে হারিয়ে তিন পয়েন্ট পেয়ে শুরুর পর নকআউট পর্বে যাওয়ার রাস্তাটা সহজই ছিল কোরিয়ার জন্য। কিন্তু সেই কোরিয়াই পরের দুই ম্যাচ হেরে এখন বাদ পড়ার শঙ্কায়। দলের এমন হতশ্রী পারফরম্যান্সের পর কড়া সমালোচনা করেছেন সাবেক কিংবদন্তি পার্ক জি-সুং। বলেছেন, বিশ্বকাপের আগে কোরিয়ার প্রস্তুতির মান নিয়েই এখন সন্দেহ হচ্ছে তার। দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফুটবলার পার্ক জি-সুং। স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসনের সেই অদম্য ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মিডফিল্ডের অন্যতম প্রাণভোমরা ছিলেন এই দক্ষিণ কোরিয়ান ফুটবলার। দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে হারের পর তাই একরাশ হতাশা উগড়ে দিয়েছেন তিনি। ধারাভাষ্য দেয়ার সময় পার্ক বলেছেন, ‘এই ম্যাচটা আমরা আসলেও জিততে চেয়েছি কি না সেটি আমাদের আরেকবার ভেবে দেখতে হবে। আক্রমণের কোনো দৃশ্যমান পরিকল্পনাই ছিল না। পুরো বিশ্বকাপ জুড়েই একই অবস্থা। মনে হচ্ছে টুর্নামেন্টের আগে প্রস্তুতির সময় নিশ্চিতভাবেই কিছু কিছু জিনিস এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে’। ১২ বছর আগের স্মৃতি মনে করে পার্ক বলেছেন, ‘২০১৪ বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর আমরা গভীরভাবে বিশ্লেষণ করেছিলাম যে কোথায় আমাদের ভুল ছিল। এবারের প্রস্তুতি প্রক্রিয়া ও ফলাফল দেখে আমার ২০১৪ এর কথাই মনে পড়ছে’।
‘যদিও রাউন্ড অব ৩২ এর দরজা এখনও
পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়নি, তবে এমনভাবে খেলতে থাকলে আমরা আসলে নকআউটে ঠিক কতদূর যাব,
আমি নিশ্চিত নই’।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে নিয়মিত
অধিনায়ক সন হিউং-মিনকে বেঞ্চে রেখেছিল কোরিয়া। পরে মাঠে নেমেও গোলের দেখা পাননি সং,
কোরিয়াও হেরে যায় ম্যাচ। নকআউট পর্বে যাওয়ার জন্য এখন বাকি গ্রুপগুলোর ফলাফলের দিকে
তাকিয়ে থাকতে হবে দক্ষিণ কোরিয়াকে।

আপনার মতামত লিখুন