সংবাদ

রাণীনগরে জীর্ণ বেড়িবাঁধ, ভাঙন আতঙ্কে হাজারো পরিবার


প্রতিনিধি, রাণীনগর (নওগাঁ)
প্রতিনিধি, রাণীনগর (নওগাঁ)
প্রকাশ: ১১ মে ২০২৬, ০৬:৪২ পিএম

রাণীনগরে জীর্ণ বেড়িবাঁধ, ভাঙন আতঙ্কে হাজারো পরিবার
নওগাঁর রাণীনগরে ছোট যমুনা নদীর তীরবর্তী অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ এলাকা। ছবি : সংবাদ

নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার মালঞ্চি-নন্দাইবাড়ি-কৃষ্ণপুর বেড়িবাঁধটি দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় ভাঙন ঝুঁকিতে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বাঁধটি ভেঙে গেলে কয়েক হাজার হেক্টর ফসলি জমি ও ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ঝুঁকির খবর পেয়ে সোমবার (১১ মে) দুপুরে এলাকাটি পরিদর্শন করেছেন রাণীনগরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাকিবুল হাসান।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ছোট যমুনা নদীর তীরে গোনা ইউনিয়নের আওতায় আশির দশকে নির্মিত হয় এই গ্রামীণ বেড়িবাঁধটি। দীর্ঘ বছর স্থায়ীভাবে সংস্কার না করায় বাঁধটির প্রায় ৬ কিলোমিটার অংশ বর্তমানে অত্যন্ত নাজুক অবস্থায় রয়েছে। ইতোপূর্বে একাধিকবার এই বাঁধ ভেঙে এলাকা প্লাবিত হওয়ায় শত শত বাড়িঘর ও ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ২০২২ সালে বাঁধের কিছু অংশ মেরামত করা হলেও বর্তমানে তা আবার ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

নদী পাড়ের বাসিন্দা আশিক ও সম্রাট বলেন, ‘বর্ষা এলেই আমরা আতঙ্কে থাকি। আগে এই বাঁধ ভেঙে নওগাঁ-আত্রাই সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, প্লাবিত হয়েছিল শতাধিক গ্রাম। নদীতে পানি বাড়লে তখন প্রশাসনের লোক ছোটাছুটি করেন, কিন্তু শুকনো মৌসুমে স্থায়ী সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয় না।’

স্থানীয় যুবক ফজলে রাব্বি বলেন, নদী ভাঙনের কারণে পৈতৃক জমি ও ঘরবাড়ি বিলীন হয়ে যাচ্ছে। বন্যার পানিতে গবাদিপশু ভেসে যায়, যোগাযোগব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এই কষ্ট থেকে এলাকাবাসী স্থায়ী মুক্তি চায়।

পরিদর্শন শেষে রাণীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাকিবুল হাসান বলেন, ‘বাঁধটির অবস্থা বেশ খারাপ। এটি ভেঙে গেলে অনেক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং নওগাঁ-আত্রাই সড়কও হুমকিতে পড়বে। আমরা সরেজমিনে পরিস্থিতি দেখেছি এবং স্থায়ী সমাধানের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ১১ মে ২০২৬


রাণীনগরে জীর্ণ বেড়িবাঁধ, ভাঙন আতঙ্কে হাজারো পরিবার

প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬

featured Image

নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার মালঞ্চি-নন্দাইবাড়ি-কৃষ্ণপুর বেড়িবাঁধটি দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় ভাঙন ঝুঁকিতে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বাঁধটি ভেঙে গেলে কয়েক হাজার হেক্টর ফসলি জমি ও ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ঝুঁকির খবর পেয়ে সোমবার (১১ মে) দুপুরে এলাকাটি পরিদর্শন করেছেন রাণীনগরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাকিবুল হাসান।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ছোট যমুনা নদীর তীরে গোনা ইউনিয়নের আওতায় আশির দশকে নির্মিত হয় এই গ্রামীণ বেড়িবাঁধটি। দীর্ঘ বছর স্থায়ীভাবে সংস্কার না করায় বাঁধটির প্রায় ৬ কিলোমিটার অংশ বর্তমানে অত্যন্ত নাজুক অবস্থায় রয়েছে। ইতোপূর্বে একাধিকবার এই বাঁধ ভেঙে এলাকা প্লাবিত হওয়ায় শত শত বাড়িঘর ও ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ২০২২ সালে বাঁধের কিছু অংশ মেরামত করা হলেও বর্তমানে তা আবার ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

নদী পাড়ের বাসিন্দা আশিক ও সম্রাট বলেন, ‘বর্ষা এলেই আমরা আতঙ্কে থাকি। আগে এই বাঁধ ভেঙে নওগাঁ-আত্রাই সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, প্লাবিত হয়েছিল শতাধিক গ্রাম। নদীতে পানি বাড়লে তখন প্রশাসনের লোক ছোটাছুটি করেন, কিন্তু শুকনো মৌসুমে স্থায়ী সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয় না।’

স্থানীয় যুবক ফজলে রাব্বি বলেন, নদী ভাঙনের কারণে পৈতৃক জমি ও ঘরবাড়ি বিলীন হয়ে যাচ্ছে। বন্যার পানিতে গবাদিপশু ভেসে যায়, যোগাযোগব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এই কষ্ট থেকে এলাকাবাসী স্থায়ী মুক্তি চায়।

পরিদর্শন শেষে রাণীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাকিবুল হাসান বলেন, ‘বাঁধটির অবস্থা বেশ খারাপ। এটি ভেঙে গেলে অনেক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং নওগাঁ-আত্রাই সড়কও হুমকিতে পড়বে। আমরা সরেজমিনে পরিস্থিতি দেখেছি এবং স্থায়ী সমাধানের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত