ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ব্যবসায়িক, সাংস্কৃতিক এবং পারস্পরিক সহযোগিতার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে ১১মে গুয়াহাটিতে একটি ফলপ্রসূ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্ভাবনা, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকের শুরুতে গুয়াহাটিতে বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনার জিকরুল হাসান ফাহাদ এবং সিলেটের মার্চেন্ট এগ্রো ফার্মস-এর চেয়ারম্যান মো. আতাউল্লাহ (শাকের)-কে ফুলের তোড়া দিয়ে সংবর্ধনা জানান ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশ-এর সভাপতি ড. সৌমেন ভারতীয়া। একইসঙ্গে ইন্ডিয়া বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি, গুয়াহাটি-র সভাপতি ও করিমগঞ্জের নবনির্বাচিত বিধায়ক আমিনুর রশিদ চৌধুরীকেও শুভেচ্ছা জানান জিকরুল হাসান ফাহাদ।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইন্ডিয়া বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি, গুয়াহাটির সাধারণ সম্পাদক অমরেশ রায়, ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশ-এর পক্ষ থেকে ড. সৌমেন ভারতীয়া এবং অরিত্র রায়।
অমরেশ রায় বলেন, “ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক শুধু বাণিজ্যিক নয়, ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং মানুষের গভীর আত্মিক বন্ধনে গাঁথা। আমরা চাই এই সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও দৃঢ় হোক।”
জিকরুল হাসান ফাহাদ বলেন, অসমে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি ভারত ও বাংলাদেশের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ভবিষ্যতে এই সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মো. আতাউল্লাহ (শাকের) বলেন, দুই দেশের মধ্যে কৃষি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়লে উভয় পক্ষই নতুন অর্থনৈতিক সুযোগের সুফল পাবে।
আমিনুর রশিদ চৌধুরী বলেন, সীমান্তবর্তী অঞ্চলের উন্নয়ন, ব্যবসায়িক আদান-প্রদান ও সাংস্কৃতিক বিনিময় বৃদ্ধিতে এ ধরনের বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সব মিলিয়ে, এই আলোচনা ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ককে আরও ঘনিষ্ঠ করার পাশাপাশি নতুন সহযোগিতা ও সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়। “উল্লেখযোগ্যভাবে, এই বৈঠকটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হল যখন অসমে ফের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। ফলে বিশ্লেষকদের মতে, প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও উন্নয়নের দিকেই রাজ্য সরকারের বিশেষ গুরুত্ব থাকতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলছে।”

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ব্যবসায়িক, সাংস্কৃতিক এবং পারস্পরিক সহযোগিতার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে ১১মে গুয়াহাটিতে একটি ফলপ্রসূ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্ভাবনা, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকের শুরুতে গুয়াহাটিতে বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনার জিকরুল হাসান ফাহাদ এবং সিলেটের মার্চেন্ট এগ্রো ফার্মস-এর চেয়ারম্যান মো. আতাউল্লাহ (শাকের)-কে ফুলের তোড়া দিয়ে সংবর্ধনা জানান ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশ-এর সভাপতি ড. সৌমেন ভারতীয়া। একইসঙ্গে ইন্ডিয়া বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি, গুয়াহাটি-র সভাপতি ও করিমগঞ্জের নবনির্বাচিত বিধায়ক আমিনুর রশিদ চৌধুরীকেও শুভেচ্ছা জানান জিকরুল হাসান ফাহাদ।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইন্ডিয়া বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি, গুয়াহাটির সাধারণ সম্পাদক অমরেশ রায়, ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশ-এর পক্ষ থেকে ড. সৌমেন ভারতীয়া এবং অরিত্র রায়।
অমরেশ রায় বলেন, “ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক শুধু বাণিজ্যিক নয়, ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং মানুষের গভীর আত্মিক বন্ধনে গাঁথা। আমরা চাই এই সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও দৃঢ় হোক।”
জিকরুল হাসান ফাহাদ বলেন, অসমে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি ভারত ও বাংলাদেশের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ভবিষ্যতে এই সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মো. আতাউল্লাহ (শাকের) বলেন, দুই দেশের মধ্যে কৃষি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়লে উভয় পক্ষই নতুন অর্থনৈতিক সুযোগের সুফল পাবে।
আমিনুর রশিদ চৌধুরী বলেন, সীমান্তবর্তী অঞ্চলের উন্নয়ন, ব্যবসায়িক আদান-প্রদান ও সাংস্কৃতিক বিনিময় বৃদ্ধিতে এ ধরনের বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সব মিলিয়ে, এই আলোচনা ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ককে আরও ঘনিষ্ঠ করার পাশাপাশি নতুন সহযোগিতা ও সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়। “উল্লেখযোগ্যভাবে, এই বৈঠকটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হল যখন অসমে ফের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। ফলে বিশ্লেষকদের মতে, প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও উন্নয়নের দিকেই রাজ্য সরকারের বিশেষ গুরুত্ব থাকতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলছে।”

আপনার মতামত লিখুন