পশ্চিমবঙ্গের পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বড় পদক্ষেপ। প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী ও তৃণমূল নেতা সুজিত বসুকে সোমবার গভীর রাতে গ্রেপ্তার করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি।
কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, প্রায় সাড়ে দশ ঘণ্টার দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, পুরসভায় নিয়োগে একাধিক অনিয়ম এবং আর্থিক লেনদেনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতেই জিজ্ঞাসাবাদের তীব্রতা বাড়ানো হয়।
সুজিত বসু শুধু প্রাক্তন মন্ত্রীই নন, তিনি বিধাননগরের বিধায়ক হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক মুখ। এর আগেও এই মামলায় একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তি ও আধিকারিকের নাম উঠে এসেছে। সেই সূত্র ধরেই তাঁকে তলব করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।
ইডি-র দাবি, রাজ্যের বিভিন্ন পুরসভায় নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বেআইনি নিয়োগ, আর্থিক অনিয়ম এবং দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে পাওয়া নথি ও লেনদেনের তথ্যের ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছে সংস্থা।
এদিকে, এই গ্রেপ্তারিকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।
বিজেপির দাবি-দুর্নীতির জাল আরও বড়, সামনে আসতে পারে আরও বড় নাম।
অন্যদিকে বিরোধীদের একাংশের অভিযোগ—কেন্দ্রীয় সংস্থাকে ব্যবহার করা হচ্ছে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার হাতিয়ার হিসেবে।
এখন নজর আদালতের দিকে। মঙ্গলবার ধৃত প্রাক্তন মন্ত্রীকে বিশেষ আদালতে তোলা হতে পারে। ইডি তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে আরও জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানাতে পারে।
এই গ্রেপ্তারি কি দুর্নীতির বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ, নাকি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার নতুন অধ্যায়-তা নিয়েই এখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি।

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গের পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বড় পদক্ষেপ। প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী ও তৃণমূল নেতা সুজিত বসুকে সোমবার গভীর রাতে গ্রেপ্তার করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি।
কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, প্রায় সাড়ে দশ ঘণ্টার দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, পুরসভায় নিয়োগে একাধিক অনিয়ম এবং আর্থিক লেনদেনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতেই জিজ্ঞাসাবাদের তীব্রতা বাড়ানো হয়।
সুজিত বসু শুধু প্রাক্তন মন্ত্রীই নন, তিনি বিধাননগরের বিধায়ক হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক মুখ। এর আগেও এই মামলায় একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তি ও আধিকারিকের নাম উঠে এসেছে। সেই সূত্র ধরেই তাঁকে তলব করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।
ইডি-র দাবি, রাজ্যের বিভিন্ন পুরসভায় নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বেআইনি নিয়োগ, আর্থিক অনিয়ম এবং দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে পাওয়া নথি ও লেনদেনের তথ্যের ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছে সংস্থা।
এদিকে, এই গ্রেপ্তারিকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।
বিজেপির দাবি-দুর্নীতির জাল আরও বড়, সামনে আসতে পারে আরও বড় নাম।
অন্যদিকে বিরোধীদের একাংশের অভিযোগ—কেন্দ্রীয় সংস্থাকে ব্যবহার করা হচ্ছে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার হাতিয়ার হিসেবে।
এখন নজর আদালতের দিকে। মঙ্গলবার ধৃত প্রাক্তন মন্ত্রীকে বিশেষ আদালতে তোলা হতে পারে। ইডি তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে আরও জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানাতে পারে।
এই গ্রেপ্তারি কি দুর্নীতির বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ, নাকি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার নতুন অধ্যায়-তা নিয়েই এখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি।

আপনার মতামত লিখুন