ঢাকার গণপরিবহণ ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফেরাতে ও যানজট নিরসনে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালকে মূল নকশা অনুযায়ী আধুনিকায়নের উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। আ বুধবার (১৩ মে) নগর ভবনে সায়েদাবাদ আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল সংক্রান্ত এক সভায় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো গৃহীত হয়।
জানা যায়, এখন থেকে যত্রতত্র গড়ে ওঠা অনুমোদনহীন কাউন্টার উচ্ছেদ করে সায়েদাবাদ আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হবে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও পরিবহণ নেতা অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস।
সভার মূল সিদ্ধান্তসমূহ হলো
* কাউন্টার পুনর্বিন্যাস: টার্মিনালের অভ্যন্তরে থাকা ৬টি ব্লকের ১১০টি টিকিট কাউন্টার ন্যায্যতার ভিত্তিতে পুনরায় বরাদ্দ দেওয়া হবে। এ কাজে পরিবহণ মালিক সমিতি ডিএসসিসি ও ট্রাফিক পুলিশকে প্রয়োজনীয় সহায়তা করবে।
* অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ: টার্মিনালের বাইরে বা আশপাশে গড়ে ওঠা সব অনুমোদনহীন কাউন্টার এবং টার্মিনালের অভ্যন্তরের অবৈধ দোকানপাট দ্রুত উচ্ছেদ করা হবে।
* অবকাঠামো উন্নয়ন: মূল নকশা অনুযায়ী বাস চলাচলে ফ্লাইওভারের ব্যবহার নিশ্চিত করতে অপ্রয়োজনীয় উন্মুক্ত স্থানে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হবে। এছাড়া টার্মিনালের ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন করে জলাবদ্ধতা নিরসন এবং পরিত্যক্ত বাসের অবশিষ্টাংশ সরিয়ে ফেলা হবে।
* যাত্রীসেবা বৃদ্ধি: যাত্রীদের সুবিধার্থে টার্মিনালে একটি আধুনিক ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার, সুপরিসর বিশ্রামাগার, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন টয়লেট এবং নিরাপত্তার জন্য পুলিশ ফাঁড়ি ও নিয়ন সাইনবোর্ড স্থাপন করা হবে।
সভাপতির বক্তব্যে ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেন, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে বাস টার্মিনালের পরিপূর্ণ ব্যবহারের বিকল্প নেই। পরিবহণ মালিক ও শ্রমিকদের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করে সায়েদাবাদকে একটি আধুনিক ও ব্যবহার উপযোগী টার্মিনাল হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এ বিষয়ে সব অংশীজনের সহায়তা প্রত্যাশা করেন তিনি।
সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শিমুল বিশ্বাস বলেন, বাসগুলো টার্মিনালের ভেতর থেকে চলাচল করলে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে ঈদসহ বিশেষ সময়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রবণতাও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। সরকার ও মালিক-শ্রমিকদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় আমরা কাঙ্ক্ষিত যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে চাই।
সভায় ডিএসসিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সড়ক পরিবহণ মালিক-শ্রমিক ফেডারেশনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
ঢাকার গণপরিবহণ ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফেরাতে ও যানজট নিরসনে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালকে মূল নকশা অনুযায়ী আধুনিকায়নের উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। আ বুধবার (১৩ মে) নগর ভবনে সায়েদাবাদ আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল সংক্রান্ত এক সভায় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো গৃহীত হয়।
জানা যায়, এখন থেকে যত্রতত্র গড়ে ওঠা অনুমোদনহীন কাউন্টার উচ্ছেদ করে সায়েদাবাদ আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হবে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও পরিবহণ নেতা অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস।
সভার মূল সিদ্ধান্তসমূহ হলো
* কাউন্টার পুনর্বিন্যাস: টার্মিনালের অভ্যন্তরে থাকা ৬টি ব্লকের ১১০টি টিকিট কাউন্টার ন্যায্যতার ভিত্তিতে পুনরায় বরাদ্দ দেওয়া হবে। এ কাজে পরিবহণ মালিক সমিতি ডিএসসিসি ও ট্রাফিক পুলিশকে প্রয়োজনীয় সহায়তা করবে।
* অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ: টার্মিনালের বাইরে বা আশপাশে গড়ে ওঠা সব অনুমোদনহীন কাউন্টার এবং টার্মিনালের অভ্যন্তরের অবৈধ দোকানপাট দ্রুত উচ্ছেদ করা হবে।
* অবকাঠামো উন্নয়ন: মূল নকশা অনুযায়ী বাস চলাচলে ফ্লাইওভারের ব্যবহার নিশ্চিত করতে অপ্রয়োজনীয় উন্মুক্ত স্থানে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হবে। এছাড়া টার্মিনালের ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন করে জলাবদ্ধতা নিরসন এবং পরিত্যক্ত বাসের অবশিষ্টাংশ সরিয়ে ফেলা হবে।
* যাত্রীসেবা বৃদ্ধি: যাত্রীদের সুবিধার্থে টার্মিনালে একটি আধুনিক ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার, সুপরিসর বিশ্রামাগার, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন টয়লেট এবং নিরাপত্তার জন্য পুলিশ ফাঁড়ি ও নিয়ন সাইনবোর্ড স্থাপন করা হবে।
সভাপতির বক্তব্যে ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেন, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে বাস টার্মিনালের পরিপূর্ণ ব্যবহারের বিকল্প নেই। পরিবহণ মালিক ও শ্রমিকদের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করে সায়েদাবাদকে একটি আধুনিক ও ব্যবহার উপযোগী টার্মিনাল হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এ বিষয়ে সব অংশীজনের সহায়তা প্রত্যাশা করেন তিনি।
সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শিমুল বিশ্বাস বলেন, বাসগুলো টার্মিনালের ভেতর থেকে চলাচল করলে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে ঈদসহ বিশেষ সময়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রবণতাও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। সরকার ও মালিক-শ্রমিকদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় আমরা কাঙ্ক্ষিত যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে চাই।
সভায় ডিএসসিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সড়ক পরিবহণ মালিক-শ্রমিক ফেডারেশনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন