মঙ্গলবার
ঢাকার শেরেবাংলা নগরে তারা জাদুঘরের
বিভিন্ন গ্যালারি ঘুরে দেখেন এবং
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক আন্দোলন ও আত্মত্যাগের বিভিন্ন
স্মারক, আলোকচিত্র ও নিদর্শনাদি পর্যবেক্ষণ
করেন। স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার
জাদুঘরে সংরক্ষিত বিভিন্ন নিদর্শনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন।
জাদুঘর
পরিদর্শন শেষে ব্রিফিংয়ে স্পিকার
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, “জুলাই
গণঅভ্যুত্থান আমাদের জাতীয় ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের
সূচনা করেছে। এই জাদুঘর কেবল
একটি স্থাপনা নয়, বরং এটি
অন্যায় ও স্বৈরশাসনের
বিরুদ্ধে তরুণ প্রজন্মের অদম্য
সাহসের প্রতীক। ছাত্র-জনতার এই বীরত্বগাঁথা আগামী
প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে
দেওয়া আমাদের নৈতিক
দায়িত্ব।”
সংস্কৃতি
মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জাদুঘরের
চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে স্পিকারকে অবহিত করেন এবং এই
স্মৃতি জাদুঘরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা
হবে বলে জানান।
এ সময় সংসদ সচিবালয়
এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
মঙ্গলবার
ঢাকার শেরেবাংলা নগরে তারা জাদুঘরের
বিভিন্ন গ্যালারি ঘুরে দেখেন এবং
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক আন্দোলন ও আত্মত্যাগের বিভিন্ন
স্মারক, আলোকচিত্র ও নিদর্শনাদি পর্যবেক্ষণ
করেন। স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার
জাদুঘরে সংরক্ষিত বিভিন্ন নিদর্শনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন।
জাদুঘর
পরিদর্শন শেষে ব্রিফিংয়ে স্পিকার
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, “জুলাই
গণঅভ্যুত্থান আমাদের জাতীয় ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের
সূচনা করেছে। এই জাদুঘর কেবল
একটি স্থাপনা নয়, বরং এটি
অন্যায় ও স্বৈরশাসনের
বিরুদ্ধে তরুণ প্রজন্মের অদম্য
সাহসের প্রতীক। ছাত্র-জনতার এই বীরত্বগাঁথা আগামী
প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে
দেওয়া আমাদের নৈতিক
দায়িত্ব।”
সংস্কৃতি
মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জাদুঘরের
চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে স্পিকারকে অবহিত করেন এবং এই
স্মৃতি জাদুঘরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা
হবে বলে জানান।
এ সময় সংসদ সচিবালয়
এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন