সংবাদ

সবুজ ও হলুদ বিন: উৎসস্থলে বর্জ্য পৃথকীকরণে ডিএনসিসির অভিযান


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১২ মে ২০২৬, ১১:২৫ পিএম

সবুজ ও হলুদ বিন: উৎসস্থলে বর্জ্য পৃথকীকরণে ডিএনসিসির অভিযান

রাজধানীকে আরও পরিচ্ছন্ন টেকসই নগর হিসেবে গড়ে তুলতে উৎসস্থলে বর্জ্য পৃথকীকরণ কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করেছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) মঙ্গলবার (১২ মে) ঢাকার গুলশানে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সবুজ হলুদ রঙের পৃথক বর্জ্য বিন এবং পলিব্যাগ বিতরণের মাধ্যমে কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

সবুজ বিনে রাখা হবে জৈব পচনশীল বর্জ্য-যেমন রান্নাঘরের উচ্ছিষ্ট খাবার, ফল শাকসবজির খোসা, মাছ-মাংসের বর্জ্য, পাতা-ঘাস বাগানের আবর্জনা। হলুদ বিনে রাখা হবে অজৈব পুনর্ব্যবহারযোগ্য বর্জ্য- যেমন প্লাস্টিক বোতল, কাগজ, কার্টন, কাচ, টিন ধাতব ক্যান।

ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান অনুষ্ঠানে বলেনবলেন, একটি পরিচ্ছন্ন নগর গড়তে নাগরিকদের দায়িত্বশীল আচরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সবাইকে বর্জ্য রাস্তায় না ফেলে নির্ধারিত ডাস্টবিনে ফেলার অভ্যাস গড়ে তোলার আহ্বান জানান। পাশাপাশি সোসাইটি, মসজিদ কমিটি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাড়ি মালিক সমিতির মাধ্যমে ঘরে ঘরে সচেতনতা পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। বিষয়ে সিটি কর্পোরেশনসর্বাত্মক সহযোগিতা করবেবলেও তিনি জানান।

মশা নিয়ন্ত্রণ, খাল-নালা পরিষ্কার এবং আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন খাতে ডিএনসিসি সমন্বিতভাবে কাজ করছে জানিয়ে প্রশাসক শফিকুল ইসলাম বলেন, “এসব উদ্যোগ সফল করতে নাগরিক সহযোগিতাই সবচেয়ে বড় শক্তি।

প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর অনুষ্ঠানে বলেন, আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মূল ভিত্তিই হলো উৎসস্থলে বর্জ্য পৃথকীকরণ। তিনি জানান, ২০২১ সালের কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালায় বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। সচেতনতা বৃদ্ধি কার্যকর বাস্তবায়নের লক্ষ্যেইএকটি পবিত্র স্থান থেকে কার্যক্রমের সূচনা করা হয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা

সাধারণ মানুষের গুরুত্বপূর্ণ কিছু নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে- ভেজা শুকনো বর্জ্য একসঙ্গে না ফেলা, ধারালো বা ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য আলাদাভাবে রাখা, ব্যবহারের পর বিনের ঢাকনা বন্ধ রাখা। এছাড়া, রাস্তা, ড্রেন কিংবা খোলা স্থানে বর্জ্য না ফেলার আহ্বানও জানানো হয়েছে।

ডিএনসিসি সূত্রে জানা যায়, জনসমাগম বেশি হয় এমন স্থানগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রাথমিক পর্যায়ে মসজিদ, মন্দির, গির্জা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মার্কেট টার্মিনালে পৃথক বর্জ্য বিন বিতরণ করা হচ্ছে। প্রথম ধাপে মোট ৫০০টি ফাইবার বিন বিতরণ করা হচ্ছে, যার মধ্যে ২৫০টি সবুজ এবং ২৫০টি হলুদ। প্রতিটি বিনের সঙ্গে দেওয়া হচ্ছে ১০০টি করে পলিব্যাগ।

ডিএনসিসির ১০টি জোনে পর্যায়ক্রমে এই কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬


সবুজ ও হলুদ বিন: উৎসস্থলে বর্জ্য পৃথকীকরণে ডিএনসিসির অভিযান

প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬

featured Image

রাজধানীকে আরও পরিচ্ছন্ন টেকসই নগর হিসেবে গড়ে তুলতে উৎসস্থলে বর্জ্য পৃথকীকরণ কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করেছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) মঙ্গলবার (১২ মে) ঢাকার গুলশানে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সবুজ হলুদ রঙের পৃথক বর্জ্য বিন এবং পলিব্যাগ বিতরণের মাধ্যমে কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

সবুজ বিনে রাখা হবে জৈব পচনশীল বর্জ্য-যেমন রান্নাঘরের উচ্ছিষ্ট খাবার, ফল শাকসবজির খোসা, মাছ-মাংসের বর্জ্য, পাতা-ঘাস বাগানের আবর্জনা। হলুদ বিনে রাখা হবে অজৈব পুনর্ব্যবহারযোগ্য বর্জ্য- যেমন প্লাস্টিক বোতল, কাগজ, কার্টন, কাচ, টিন ধাতব ক্যান।

ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান অনুষ্ঠানে বলেনবলেন, একটি পরিচ্ছন্ন নগর গড়তে নাগরিকদের দায়িত্বশীল আচরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সবাইকে বর্জ্য রাস্তায় না ফেলে নির্ধারিত ডাস্টবিনে ফেলার অভ্যাস গড়ে তোলার আহ্বান জানান। পাশাপাশি সোসাইটি, মসজিদ কমিটি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাড়ি মালিক সমিতির মাধ্যমে ঘরে ঘরে সচেতনতা পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। বিষয়ে সিটি কর্পোরেশনসর্বাত্মক সহযোগিতা করবেবলেও তিনি জানান।

মশা নিয়ন্ত্রণ, খাল-নালা পরিষ্কার এবং আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন খাতে ডিএনসিসি সমন্বিতভাবে কাজ করছে জানিয়ে প্রশাসক শফিকুল ইসলাম বলেন, “এসব উদ্যোগ সফল করতে নাগরিক সহযোগিতাই সবচেয়ে বড় শক্তি।

প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর অনুষ্ঠানে বলেন, আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মূল ভিত্তিই হলো উৎসস্থলে বর্জ্য পৃথকীকরণ। তিনি জানান, ২০২১ সালের কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালায় বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। সচেতনতা বৃদ্ধি কার্যকর বাস্তবায়নের লক্ষ্যেইএকটি পবিত্র স্থান থেকে কার্যক্রমের সূচনা করা হয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা

সাধারণ মানুষের গুরুত্বপূর্ণ কিছু নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে- ভেজা শুকনো বর্জ্য একসঙ্গে না ফেলা, ধারালো বা ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য আলাদাভাবে রাখা, ব্যবহারের পর বিনের ঢাকনা বন্ধ রাখা। এছাড়া, রাস্তা, ড্রেন কিংবা খোলা স্থানে বর্জ্য না ফেলার আহ্বানও জানানো হয়েছে।

ডিএনসিসি সূত্রে জানা যায়, জনসমাগম বেশি হয় এমন স্থানগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রাথমিক পর্যায়ে মসজিদ, মন্দির, গির্জা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মার্কেট টার্মিনালে পৃথক বর্জ্য বিন বিতরণ করা হচ্ছে। প্রথম ধাপে মোট ৫০০টি ফাইবার বিন বিতরণ করা হচ্ছে, যার মধ্যে ২৫০টি সবুজ এবং ২৫০টি হলুদ। প্রতিটি বিনের সঙ্গে দেওয়া হচ্ছে ১০০টি করে পলিব্যাগ।

ডিএনসিসির ১০টি জোনে পর্যায়ক্রমে এই কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত