ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলায় কথিত পরকীয়া সম্পর্কের জেরে এক গৃহবধূকে ধারালো অস্ত্র (হাসুয়া) দিয়ে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (১৩ মে) সন্ধ্যায় উপজেলার কাজীরবেড় ইউনিয়নের লালপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সোহান মিয়াকে রক্তমাখা অস্ত্রসহ আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয় জনতা।
আহত ওই গৃহবধূর নাম মুন্নি খাতুন (২৫)। তিনি লালপুর গ্রামের সবুজ মিয়ার স্ত্রী। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে অভিযুক্ত সোহান মিয়ার বাড়ি পার্শ্ববর্তী গোবিন্দপুর গ্রামে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মুন্নির সঙ্গে সোহানের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল। সম্প্রতি মুন্নি তার সংসার টিকিয়ে রাখার সিদ্ধান্ত নিলে সোহান ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। গতকাল সন্ধ্যায় মুন্নি তার স্বামীর সঙ্গে শ্বশুরবাড়িতে আসার কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখানে হাজির হন সোহান। তিনি মুন্নিকে জোর করে নিজের সঙ্গে চলে যেতে চাপ দেন। মুন্নি অস্বীকৃতি জানালে সোহান সঙ্গে থাকা ধারালো হাসুয়া দিয়ে তার ঘাড়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন।
মুন্নির চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে সোহান পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয় জনতা ধাওয়া করে তাকে ধরে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে খবর দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় মুন্নিকে প্রথমে মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত ঢাকায় পাঠানো হয়।
মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান বলেন, অভিযুক্ত যুবককে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলায় কথিত পরকীয়া সম্পর্কের জেরে এক গৃহবধূকে ধারালো অস্ত্র (হাসুয়া) দিয়ে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (১৩ মে) সন্ধ্যায় উপজেলার কাজীরবেড় ইউনিয়নের লালপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সোহান মিয়াকে রক্তমাখা অস্ত্রসহ আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয় জনতা।
আহত ওই গৃহবধূর নাম মুন্নি খাতুন (২৫)। তিনি লালপুর গ্রামের সবুজ মিয়ার স্ত্রী। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে অভিযুক্ত সোহান মিয়ার বাড়ি পার্শ্ববর্তী গোবিন্দপুর গ্রামে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মুন্নির সঙ্গে সোহানের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল। সম্প্রতি মুন্নি তার সংসার টিকিয়ে রাখার সিদ্ধান্ত নিলে সোহান ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। গতকাল সন্ধ্যায় মুন্নি তার স্বামীর সঙ্গে শ্বশুরবাড়িতে আসার কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখানে হাজির হন সোহান। তিনি মুন্নিকে জোর করে নিজের সঙ্গে চলে যেতে চাপ দেন। মুন্নি অস্বীকৃতি জানালে সোহান সঙ্গে থাকা ধারালো হাসুয়া দিয়ে তার ঘাড়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন।
মুন্নির চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে সোহান পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয় জনতা ধাওয়া করে তাকে ধরে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে খবর দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় মুন্নিকে প্রথমে মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত ঢাকায় পাঠানো হয়।
মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান বলেন, অভিযুক্ত যুবককে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

আপনার মতামত লিখুন