আসন্ন বাজেটে মোবাইল ও ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য বড় ধরনের স্বস্তির খবর আসতে পারে। সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী, দীর্ঘ চার বছর পর পদ্মা সেতু নির্মাণের জন্য মোবাইল সেবায় আরোপিত ১ শতাংশ সারচার্জ বাতিল হতে পারে। এর পাশাপাশি গ্রাহকদের খরচ কমাতে সিম কর কমানোর পরিকল্পনাও করছে সরকার।
২০১৬ সালে পদ্মা
সেতুর অর্থায়নের জন্য মোবাইল সেবায় ১ শতাংশ সারচার্জ আরোপ করা হয়েছিল। ২০২২ সালে সেতুটি
চালু হওয়ার পর চার বছর পেরিয়ে গেলেও গ্রাহকরা এখনো প্রতি ১০০ টাকা রিচার্জে ১ টাকা
করে সারচার্জ দিয়ে আসছেন। আসন্ন বাজেটে এই সারচার্জ প্রত্যাহার করা হলে গ্রাহকদের ব্যয়
কিছুটা কমবে।
বর্তমানে একটি
নতুন সিম কেনা বা রিপ্লেস করতে গ্রাহককে ৩০০ টাকা কর দিতে হয়। আসন্ন বাজেটে এই করের
পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে কমানো হতে পারে।
এদিকে, প্রান্তিক
পর্যায়ে ইন্টারনেট সেবা আরও ছড়িয়ে দিতে ব্রডব্যান্ড গ্রাহকদের ওপর আরোপিত ৫ শতাংশ ভ্যাট
শূন্যে নামানোর দাবি জানিয়েছে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ
(আইএসপিএবি)। সংগঠনের সভাপতি গণমাধ্যমকে বলেন, "প্রান্তিক পর্যায়ে গ্রাহক এখন
যে ৫ শতাংশ ভ্যাট দিচ্ছে, তা জিরো পারসেন্ট করা হলে ইন্টারনেটের প্রসার আরও বাড়বে।"
বর্তমানে মোবাইল
সেবায় ২৩ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক এবং ১৮ শতাংশ কার্যকর ভ্যাট দিতে হয়। সব কর মিলিয়ে ১০০
টাকা রিচার্জ করলে একজন গ্রাহক কথা বলা বা ইন্টারনেটের জন্য মাত্র ৫৮ টাকা ব্যবহার
করতে পারেন। বাকি ৪২ টাকাই সরকারি কোষাগারে চলে যায়।
মোবাইল অপারেটরদের
তথ্যমতে, গত ১০ বছরে তারা সরকারকে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব দিয়েছে, যার
মধ্যে সারচার্জ থেকেই এসেছে ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা।
চলতি বছর বেসরকারি
তিন মোবাইল অপারেটরকে প্রায় ১৬ হাজার ৮৫১ কোটি টাকার তরঙ্গ নবায়ন করতে হবে। এর সাথে
৭.৫ শতাংশ হারে ভ্যাট বাবদ দিতে হবে আরও ১ হাজার ২৮৪ কোটি টাকা। অপারেটররা এই অতিরিক্ত
করের বোঝা কমানোর দাবি জানিয়েছেন, যাতে করে তারা গ্রাহকদের সুলভ মূল্যে সেবা দিতে পারেন।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
আসন্ন বাজেটে মোবাইল ও ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য বড় ধরনের স্বস্তির খবর আসতে পারে। সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী, দীর্ঘ চার বছর পর পদ্মা সেতু নির্মাণের জন্য মোবাইল সেবায় আরোপিত ১ শতাংশ সারচার্জ বাতিল হতে পারে। এর পাশাপাশি গ্রাহকদের খরচ কমাতে সিম কর কমানোর পরিকল্পনাও করছে সরকার।
২০১৬ সালে পদ্মা
সেতুর অর্থায়নের জন্য মোবাইল সেবায় ১ শতাংশ সারচার্জ আরোপ করা হয়েছিল। ২০২২ সালে সেতুটি
চালু হওয়ার পর চার বছর পেরিয়ে গেলেও গ্রাহকরা এখনো প্রতি ১০০ টাকা রিচার্জে ১ টাকা
করে সারচার্জ দিয়ে আসছেন। আসন্ন বাজেটে এই সারচার্জ প্রত্যাহার করা হলে গ্রাহকদের ব্যয়
কিছুটা কমবে।
বর্তমানে একটি
নতুন সিম কেনা বা রিপ্লেস করতে গ্রাহককে ৩০০ টাকা কর দিতে হয়। আসন্ন বাজেটে এই করের
পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে কমানো হতে পারে।
এদিকে, প্রান্তিক
পর্যায়ে ইন্টারনেট সেবা আরও ছড়িয়ে দিতে ব্রডব্যান্ড গ্রাহকদের ওপর আরোপিত ৫ শতাংশ ভ্যাট
শূন্যে নামানোর দাবি জানিয়েছে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ
(আইএসপিএবি)। সংগঠনের সভাপতি গণমাধ্যমকে বলেন, "প্রান্তিক পর্যায়ে গ্রাহক এখন
যে ৫ শতাংশ ভ্যাট দিচ্ছে, তা জিরো পারসেন্ট করা হলে ইন্টারনেটের প্রসার আরও বাড়বে।"
বর্তমানে মোবাইল
সেবায় ২৩ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক এবং ১৮ শতাংশ কার্যকর ভ্যাট দিতে হয়। সব কর মিলিয়ে ১০০
টাকা রিচার্জ করলে একজন গ্রাহক কথা বলা বা ইন্টারনেটের জন্য মাত্র ৫৮ টাকা ব্যবহার
করতে পারেন। বাকি ৪২ টাকাই সরকারি কোষাগারে চলে যায়।
মোবাইল অপারেটরদের
তথ্যমতে, গত ১০ বছরে তারা সরকারকে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব দিয়েছে, যার
মধ্যে সারচার্জ থেকেই এসেছে ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা।
চলতি বছর বেসরকারি
তিন মোবাইল অপারেটরকে প্রায় ১৬ হাজার ৮৫১ কোটি টাকার তরঙ্গ নবায়ন করতে হবে। এর সাথে
৭.৫ শতাংশ হারে ভ্যাট বাবদ দিতে হবে আরও ১ হাজার ২৮৪ কোটি টাকা। অপারেটররা এই অতিরিক্ত
করের বোঝা কমানোর দাবি জানিয়েছেন, যাতে করে তারা গ্রাহকদের সুলভ মূল্যে সেবা দিতে পারেন।

আপনার মতামত লিখুন