গাইবান্ধা সদর উপজেলার বল্লমঝাড়ে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী কুলসুমকে (১০) শ্বাসরোধে হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত মো. ইব্রাহিম হাসান লিমন শেখকে (২১) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১৩। বুধবার (১৩ মে) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার বল্লমঝাড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার আবেদনের মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে র্যাব তাকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে।
নিহত কুলসুম বল্লমঝাড়ের সর্দারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিল। অন্যদিকে গ্রেপ্তার হওয়া লিমন শেখ ওই এলাকার জহুরুল ইসলাম শেখের ছেলে।
মামলার এজাহার ও র্যাব সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী লিমন শেখ প্রায়ই কুলসুমকে উত্ত্যক্ত করতেন। এর জেরে ঘটনার কিছুদিন আগে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটিও হয়। গত বছরের ২৪ নভেম্বর কুলসুমের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। প্রাথমিকভাবে বিষয়টিকে আত্মহত্যা মনে করা হলেও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে জানা যায়, কুলসুমকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। পরে ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে মরদেহ ওড়না দিয়ে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল।
এই তথ্যের ভিত্তিতে গত মঙ্গলবার নিহতের মা মোছা. রেজিনা বেগম বাদী হয়ে গাইবান্ধা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলা হওয়ার পরপরই র্যাব-১৩ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে খামার বল্লমঝাড় গ্রামে অভিযান চালিয়ে লিমনকে গ্রেপ্তার করে।
র্যাব-১৩ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার আসামিকে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করা এই হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
গাইবান্ধা সদর উপজেলার বল্লমঝাড়ে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী কুলসুমকে (১০) শ্বাসরোধে হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত মো. ইব্রাহিম হাসান লিমন শেখকে (২১) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১৩। বুধবার (১৩ মে) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার বল্লমঝাড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার আবেদনের মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে র্যাব তাকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে।
নিহত কুলসুম বল্লমঝাড়ের সর্দারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিল। অন্যদিকে গ্রেপ্তার হওয়া লিমন শেখ ওই এলাকার জহুরুল ইসলাম শেখের ছেলে।
মামলার এজাহার ও র্যাব সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী লিমন শেখ প্রায়ই কুলসুমকে উত্ত্যক্ত করতেন। এর জেরে ঘটনার কিছুদিন আগে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটিও হয়। গত বছরের ২৪ নভেম্বর কুলসুমের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। প্রাথমিকভাবে বিষয়টিকে আত্মহত্যা মনে করা হলেও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে জানা যায়, কুলসুমকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। পরে ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে মরদেহ ওড়না দিয়ে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল।
এই তথ্যের ভিত্তিতে গত মঙ্গলবার নিহতের মা মোছা. রেজিনা বেগম বাদী হয়ে গাইবান্ধা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলা হওয়ার পরপরই র্যাব-১৩ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে খামার বল্লমঝাড় গ্রামে অভিযান চালিয়ে লিমনকে গ্রেপ্তার করে।
র্যাব-১৩ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার আসামিকে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করা এই হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন