সংবাদ

কৃষ্ণচূড়ার লাল রঙে সেজেছে পলাশ


প্রতিনিধি, পলাশ (নরসিংদী)
প্রতিনিধি, পলাশ (নরসিংদী)
প্রকাশ: ১৪ মে ২০২৬, ০২:৩৮ পিএম

কৃষ্ণচূড়ার লাল রঙে সেজেছে পলাশ
তপ্ত রোদে রাঙা পেখম মেলেছে কৃষ্ণচূড়া। ছবি : সংবাদ

একসময় যেখানে ঝোপঝাড়ের কারণে পথচারীদের দৃষ্টি আটকে যেত, সেখানে এখন ডালপালা মেলেছে রক্তিম কৃষ্ণচূড়া। গ্রীষ্মের এই তপ্ত দুপুরে নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল রেলস্টেশন ও আশপাশের এলাকা কৃষ্ণচূড়ার লাল রঙে ছেয়ে গেছে। ট্রেনের যাত্রী ও পথচারীদের কাছে এই দৃশ্য যেন এক প্রশান্তির পরশ।

সরেজমিনে দেখা যায়, ঘোড়াশাল ঘোড়া চত্বর ও রেলস্টেশন এলাকায় ফোটা কৃষ্ণচূড়াগুলো দূর থেকে দেখলে মনে হয় গাছে গাছে যেন আগুন জ্বলছে। প্রতিদিন কয়েক শ যাত্রী এই স্টেশন হয়ে যাতায়াত করেন। তারেক নামের এক ট্রেন যাত্রী বলেন, ‘স্টেশনে নামার পরই এই সৌন্দর্য মন কেড়ে নেয়। প্রকৃতির এই লাল আভা দেখে দীর্ঘ ভ্রমণের ক্লান্তি অনেকটা দূর হয়ে যায়।’

তবে এলাকার বাসিন্দারা কিছুটা আক্ষেপও প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় কুড়াইতলীর জ্ঞানাঞ্জলী গণগ্রন্থাগারের সম্পাদক অপু সেন বলেন, একসময় জিনারদী ও আশপাশের এলাকায় প্রচুর কৃষ্ণচূড়া গাছ ছিল। সময়ের বিবর্তনে অনেক গাছ কাটা পড়েছে। তবে এখনো জিনারদী রেলস্টেশন ও বাগাসিয়া গ্রামের কিছু পুরোনো গাছে কৃষ্ণচূড়ার সমারোহ দেখা যায়।

বর্তমানে ঘোড়াশাল-পলাশ আঞ্চলিক সড়কের পাশে সারকারখানা এলাকায়ও রাস্তার দুই ধারে প্রায় ৪০-৪৫টি গাছে ফুল ফুটেছে। এ ছাড়া জিনারদী ও ঘোড়াশালের বিভিন্ন পুকুরপাড়েও ডাল মেলেছে এই রক্তিম পুষ্পরাজি। দূর থেকে থোকায় থোকায় ফুটে থাকা ফুলগুলোকে দেখলে মনে হয়, যেন প্রকৃতি তার রাঙা পেখম মেলে ধরেছে।

পলাশ উপজেলা প্রেসক্লাবের আইসিটি সম্পাদক মো. সাব্বির হোসেন বলেন, কৃষ্ণচূড়া প্রকৃতির এক অনন্য উপহার। এই বৈশাখী খরায় প্রকৃতিকে শান্ত রাখতে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বেশি করে কৃষ্ণচূড়া গাছ লাগানো প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬


কৃষ্ণচূড়ার লাল রঙে সেজেছে পলাশ

প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬

featured Image

একসময় যেখানে ঝোপঝাড়ের কারণে পথচারীদের দৃষ্টি আটকে যেত, সেখানে এখন ডালপালা মেলেছে রক্তিম কৃষ্ণচূড়া। গ্রীষ্মের এই তপ্ত দুপুরে নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল রেলস্টেশন ও আশপাশের এলাকা কৃষ্ণচূড়ার লাল রঙে ছেয়ে গেছে। ট্রেনের যাত্রী ও পথচারীদের কাছে এই দৃশ্য যেন এক প্রশান্তির পরশ।

সরেজমিনে দেখা যায়, ঘোড়াশাল ঘোড়া চত্বর ও রেলস্টেশন এলাকায় ফোটা কৃষ্ণচূড়াগুলো দূর থেকে দেখলে মনে হয় গাছে গাছে যেন আগুন জ্বলছে। প্রতিদিন কয়েক শ যাত্রী এই স্টেশন হয়ে যাতায়াত করেন। তারেক নামের এক ট্রেন যাত্রী বলেন, ‘স্টেশনে নামার পরই এই সৌন্দর্য মন কেড়ে নেয়। প্রকৃতির এই লাল আভা দেখে দীর্ঘ ভ্রমণের ক্লান্তি অনেকটা দূর হয়ে যায়।’

তবে এলাকার বাসিন্দারা কিছুটা আক্ষেপও প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় কুড়াইতলীর জ্ঞানাঞ্জলী গণগ্রন্থাগারের সম্পাদক অপু সেন বলেন, একসময় জিনারদী ও আশপাশের এলাকায় প্রচুর কৃষ্ণচূড়া গাছ ছিল। সময়ের বিবর্তনে অনেক গাছ কাটা পড়েছে। তবে এখনো জিনারদী রেলস্টেশন ও বাগাসিয়া গ্রামের কিছু পুরোনো গাছে কৃষ্ণচূড়ার সমারোহ দেখা যায়।

বর্তমানে ঘোড়াশাল-পলাশ আঞ্চলিক সড়কের পাশে সারকারখানা এলাকায়ও রাস্তার দুই ধারে প্রায় ৪০-৪৫টি গাছে ফুল ফুটেছে। এ ছাড়া জিনারদী ও ঘোড়াশালের বিভিন্ন পুকুরপাড়েও ডাল মেলেছে এই রক্তিম পুষ্পরাজি। দূর থেকে থোকায় থোকায় ফুটে থাকা ফুলগুলোকে দেখলে মনে হয়, যেন প্রকৃতি তার রাঙা পেখম মেলে ধরেছে।

পলাশ উপজেলা প্রেসক্লাবের আইসিটি সম্পাদক মো. সাব্বির হোসেন বলেন, কৃষ্ণচূড়া প্রকৃতির এক অনন্য উপহার। এই বৈশাখী খরায় প্রকৃতিকে শান্ত রাখতে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বেশি করে কৃষ্ণচূড়া গাছ লাগানো প্রয়োজন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত