সংবাদ

গণমাধ্যমে এআই’র ‘অপব্যবহার’ সতর্ক করলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী


নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
প্রকাশ: ১৪ মে ২০২৬, ০৬:৫৪ পিএম

গণমাধ্যমে এআই’র ‘অপব্যবহার’ সতর্ক করলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি বিশ্বব্যাপী সৃজনশীল শিল্প ও গণমাধ্যমে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করলেও এর অপব্যবহার ও নৈতিক ঝুঁকির বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। তিনি বলেন, সরকার দায়িত্বশীল এআই ব্যবহারের পক্ষে এবং এ প্রযুক্তি যেন চলচ্চিত্র ও গণমাধ্যমে সৃজনশীলতার সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করে, তা নিশ্চিত করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ঢাকায় জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আয়োজিত ‘চলচ্চিত্র ও বিজ্ঞাপন পরিবেশনা ও বিপণনে এআই প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে গুজব ও অপতথ্য বিস্তার রোধ কৌশল’ শীর্ষক এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট ও বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট (বিসিটিআই) যৌথভাবে এই কর্মশালার আয়োজন করে।

প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, “চলচ্চিত্র, গণমাধ্যম ও ডিজিটাল কনটেন্ট নির্মাণে এআই যেন ইতিবাচক উদ্ভাবনের হাতিয়ার হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”

বিসিটিআইয়ের প্রধান নির্বাহী আবুল কালাম মোহাম্মদ শামসুদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিসিটিআই পরিচালিত চারটি কোর্সের সমাপনী ও সনদ বিতরণও অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যুগ্মসচিব মো. আলম মোস্তফা এবং জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের অতিরিক্ত মহাপরিচালক রওনক জাহান।

কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চলচ্চিত্র নির্মাতা ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক লাবিব নাজমুস ছাকিব। তিনি চলচ্চিত্র নির্মাণে ডি-এজিং, ভার্চুয়াল প্রোডাকশন ও ভয়েস ক্লোনিংয়ের মতো এআই প্রযুক্তির সম্ভাবনা তুলে ধরার পাশাপাশি লেখকত্ব ও সেন্সরশিপের নতুন চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে আলোচনা করেন।

আলোচনায় বক্তারা ডিপফেক, ভুয়া ভিডিও এবং এআই-চালিত বটের মাধ্যমে গুজব ও অপতথ্য ছড়ানোর ঝুঁকি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারা ফ্যাক্ট-চেকিং টুল ও অ্যালগরিদমিক শনাক্তকরণের মাধ্যমে এসব প্রতিরোধে এআই-এর ইতিবাচক ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। 

প্রবীণ চলচ্চিত্র পরিচালক রফিকুজ্জামান বলেন, সিনেমার মূল শক্তি হলো মানুষের অনুভূতি, তাই মূলধারার চলচ্চিত্রে এআই ব্যবহারে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক শাহ মো. নিস্তার জাহান কবীর, মেন্টর রফিকুল আনোয়ার রাসেল প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬


গণমাধ্যমে এআই’র ‘অপব্যবহার’ সতর্ক করলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬

featured Image

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি বিশ্বব্যাপী সৃজনশীল শিল্প ও গণমাধ্যমে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করলেও এর অপব্যবহার ও নৈতিক ঝুঁকির বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। তিনি বলেন, সরকার দায়িত্বশীল এআই ব্যবহারের পক্ষে এবং এ প্রযুক্তি যেন চলচ্চিত্র ও গণমাধ্যমে সৃজনশীলতার সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করে, তা নিশ্চিত করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ঢাকায় জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আয়োজিত ‘চলচ্চিত্র ও বিজ্ঞাপন পরিবেশনা ও বিপণনে এআই প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে গুজব ও অপতথ্য বিস্তার রোধ কৌশল’ শীর্ষক এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট ও বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট (বিসিটিআই) যৌথভাবে এই কর্মশালার আয়োজন করে।

প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, “চলচ্চিত্র, গণমাধ্যম ও ডিজিটাল কনটেন্ট নির্মাণে এআই যেন ইতিবাচক উদ্ভাবনের হাতিয়ার হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”

বিসিটিআইয়ের প্রধান নির্বাহী আবুল কালাম মোহাম্মদ শামসুদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিসিটিআই পরিচালিত চারটি কোর্সের সমাপনী ও সনদ বিতরণও অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যুগ্মসচিব মো. আলম মোস্তফা এবং জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের অতিরিক্ত মহাপরিচালক রওনক জাহান।

কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চলচ্চিত্র নির্মাতা ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক লাবিব নাজমুস ছাকিব। তিনি চলচ্চিত্র নির্মাণে ডি-এজিং, ভার্চুয়াল প্রোডাকশন ও ভয়েস ক্লোনিংয়ের মতো এআই প্রযুক্তির সম্ভাবনা তুলে ধরার পাশাপাশি লেখকত্ব ও সেন্সরশিপের নতুন চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে আলোচনা করেন।

আলোচনায় বক্তারা ডিপফেক, ভুয়া ভিডিও এবং এআই-চালিত বটের মাধ্যমে গুজব ও অপতথ্য ছড়ানোর ঝুঁকি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারা ফ্যাক্ট-চেকিং টুল ও অ্যালগরিদমিক শনাক্তকরণের মাধ্যমে এসব প্রতিরোধে এআই-এর ইতিবাচক ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। 

প্রবীণ চলচ্চিত্র পরিচালক রফিকুজ্জামান বলেন, সিনেমার মূল শক্তি হলো মানুষের অনুভূতি, তাই মূলধারার চলচ্চিত্রে এআই ব্যবহারে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক শাহ মো. নিস্তার জাহান কবীর, মেন্টর রফিকুল আনোয়ার রাসেল প্রমুখ।



সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত