নওগাঁর মান্দায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে অনলাইন জুয়াড়ি চক্রের মূল হোতাসহ ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার (১২ মে) ও শুক্রবার (১৫ মে) উপজেলার পৃথক দুটি স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে নগদ ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা, ২১টি মুঠোফোন, ৫টি ল্যাপটপ, ১৬টি কম্পিউটার ও ১৬টি মনিটরসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।
শুক্রবার বিকেলে নওগাঁ জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, অনলাইন জুয়া পরিচালনা, অর্থপাচার ও তরুণদের বিপথগামী করার অভিযোগে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সাইবার নিরাপত্তা আইনে পৃথক মামলা করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, বুধবার (১৩ মে) রাত ১১টার দিকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মান্দা সার্কেল) আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ শাওন ও মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোরশেদ আলমের নেতৃত্বে উপজেলার কাশোপাড়া (ফকিরপাড়া) এলাকায় প্রথম অভিযানটি চালানো হয়। সেখান থেকে অনলাইন জুয়ার মূল হোতা হিসেবে পরিচিত সোহেল হোসেন (২৪) এবং তার দুই সহযোগী রবিউল ইসলাম (১৯) ও সোহেল রানাকে (২০) গ্রেপ্তার করা হয়। সোহেলের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে নগদ টাকা ও কম্পিউটার সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
এরপর শুক্রবার (১৫ মে) ভোর ৪টার দিকে উপজেলার দিনবনি হাড়িপাড়া এলাকায় দ্বিতীয় অভিযান চালানো হয়। ফজলুর রহমানের বাড়ির নিচতলায় পরিচালিত একটি অনলাইন জুয়ার আসর থেকে আরও ১২ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সেখান থেকেও বিপুল পরিমাণ ডিজিটাল সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
গ্রেপ্তার অন্য ব্যক্তিরা হলেন- আল আমিন, আল মামুন, শাকিল বাবু, বদিউজ্জামান ওরফে বিপ্লব, শাফায়েত রাব্বি, আরিফ হোসেন, মুশফিকুর রেজা ওরফে রাতুল, রবিউল ইসলাম, নাইস বাবু, রোমান বাবু ওরফে রিয়ন, নাজমুল হোসেন ও শাফায়েত ওরফে আপন।
প্রাথমিক অনুসন্ধানের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ ডলারের অবৈধ লেনদেন করতেন। ওই সেন্টারে অসামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনারও অভিযোগ রয়েছে।
নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, জেলাজুড়ে মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চলছে। সমাজবিধ্বংসী এসব কর্মকাণ্ড বন্ধে পুলিশের তৎপরতা আরও জোরদার করা হবে।

শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬
নওগাঁর মান্দায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে অনলাইন জুয়াড়ি চক্রের মূল হোতাসহ ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার (১২ মে) ও শুক্রবার (১৫ মে) উপজেলার পৃথক দুটি স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে নগদ ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা, ২১টি মুঠোফোন, ৫টি ল্যাপটপ, ১৬টি কম্পিউটার ও ১৬টি মনিটরসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।
শুক্রবার বিকেলে নওগাঁ জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, অনলাইন জুয়া পরিচালনা, অর্থপাচার ও তরুণদের বিপথগামী করার অভিযোগে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সাইবার নিরাপত্তা আইনে পৃথক মামলা করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, বুধবার (১৩ মে) রাত ১১টার দিকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মান্দা সার্কেল) আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ শাওন ও মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোরশেদ আলমের নেতৃত্বে উপজেলার কাশোপাড়া (ফকিরপাড়া) এলাকায় প্রথম অভিযানটি চালানো হয়। সেখান থেকে অনলাইন জুয়ার মূল হোতা হিসেবে পরিচিত সোহেল হোসেন (২৪) এবং তার দুই সহযোগী রবিউল ইসলাম (১৯) ও সোহেল রানাকে (২০) গ্রেপ্তার করা হয়। সোহেলের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে নগদ টাকা ও কম্পিউটার সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
এরপর শুক্রবার (১৫ মে) ভোর ৪টার দিকে উপজেলার দিনবনি হাড়িপাড়া এলাকায় দ্বিতীয় অভিযান চালানো হয়। ফজলুর রহমানের বাড়ির নিচতলায় পরিচালিত একটি অনলাইন জুয়ার আসর থেকে আরও ১২ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সেখান থেকেও বিপুল পরিমাণ ডিজিটাল সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
গ্রেপ্তার অন্য ব্যক্তিরা হলেন- আল আমিন, আল মামুন, শাকিল বাবু, বদিউজ্জামান ওরফে বিপ্লব, শাফায়েত রাব্বি, আরিফ হোসেন, মুশফিকুর রেজা ওরফে রাতুল, রবিউল ইসলাম, নাইস বাবু, রোমান বাবু ওরফে রিয়ন, নাজমুল হোসেন ও শাফায়েত ওরফে আপন।
প্রাথমিক অনুসন্ধানের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ ডলারের অবৈধ লেনদেন করতেন। ওই সেন্টারে অসামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনারও অভিযোগ রয়েছে।
নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, জেলাজুড়ে মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চলছে। সমাজবিধ্বংসী এসব কর্মকাণ্ড বন্ধে পুলিশের তৎপরতা আরও জোরদার করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন