সিলেট টেস্টের প্রথম দিন শেষ বিকেলে ৬ ওভার ব্যাটিং করে বিনা উইকেটে ২১ রান তুলেছিল পাকিস্তান। তবে রোববার (১৭ মে) দ্বিতীয় দিনের সকালে ব্যাটিংয়ে নেমেই বাংলাদেশি বোলারদের তোপের মুখে পড়ে কঠিন চাপের মধ্যে পড়েছে সফরকারীরা। তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজের ঘূর্ণি ও গতিতে প্রথম সেশনটি পুরোপুরি নিজেদের করে নিয়েছে বাংলাদেশ।
দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনে মোট ২৪ ওভার ব্যাটিং করতে পেরেছে
পাকিস্তান। তবে এই সময়ে মাত্র ৭৫ রান তুলতে গিয়ে তারা হারিয়ে ফেলেছে ৪টি গুরুত্বপূর্ণ
উইকেট। সবমিলিয়ে প্রথম সেশন শেষে পাকিস্তানের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৯৬ রান। বাংলাদেশ থেকে
তারা এখনো ১৮২ রানে পিছিয়ে রয়েছে। বর্তমানে বাবর আজম ৩৭ ও সালমান আঘা ৬ রান নিয়ে ক্রিজে
লড়ছেন।
দিনের প্রথম ওভারে শরিফুল ইসলাম বল হাতে নিয়ে মাত্র ১ রান
দেন। এরপরের ওভারেই আক্রমণে এসে প্রথম আঘাত হানেন গতি তারকা তাসকিন আহমেদ। তাঁর ওভারের
প্রথম দুই বলেই অস্বস্তিতে ছিলেন পাকিস্তানি ওপেনার আব্দুল্লাহ ফজল। তৃতীয় বলে লিটন
দাসের গ্লাভসে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি (২১ বলে ৯ রান)।
এক ওভার বিরতি দিয়ে নিজের পরের ওভারে আবারও জোড়া আঘাত হানেন
তাসকিন। এবার তাঁর শিকার আজান আওয়াইজ। পা বাড়িয়ে ডিফেন্স করতে গিয়ে ব্যাটের কানা ছুঁয়ে
বল শর্ট লেগে থাকা মুমিনুল হকের হাতে সহজ ক্যাচ হিসেবে জমা পড়ে। ৩৪ বলে ১৩ রান করে
বিদায় নেন আজান। ফলে ২৩ রানেই ২ উইকেট হারিয়ে শুরুতেই ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় পাকিস্তান।
১০ ওভারে ২৩ রানে ২ উইকেট হারানোর পর অধিনায়ক শান মাসুদকে
সাথে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন বাবর আজম। দুইজনে মিলে উইকেটে জমে গিয়ে ৩৮ রানের
জুটি গড়েন। তবে দ্বিতীয় দিনে নিজের প্রথম ওভারে আক্রমণে এসেই এই বিপজ্জনক জুটিকে থামান
অফ স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ। মিরাজের বলে শর্ট কাভারে দুর্দান্ত এক ক্যাচ নেন বদলি
ফিল্ডার নাঈম হাসান। শান মাসুদ ২১ রানে আউট হতেই ভাঙে এই জুটি।
শান মাসুদকে ফেরানোর পর থিতু হতে দেননি সৌদ শাকিলকেও। মাত্র
৮ রান করা শাকিলকে দ্রুতই সাজঘরে ফেরত পাঠান মিরাজ। প্রথম সেশন শেষে বাংলাদেশের পক্ষে
তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ ২টি করে উইকেট শিকার করেছেন।

রোববার, ১৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬
সিলেট টেস্টের প্রথম দিন শেষ বিকেলে ৬ ওভার ব্যাটিং করে বিনা উইকেটে ২১ রান তুলেছিল পাকিস্তান। তবে রোববার (১৭ মে) দ্বিতীয় দিনের সকালে ব্যাটিংয়ে নেমেই বাংলাদেশি বোলারদের তোপের মুখে পড়ে কঠিন চাপের মধ্যে পড়েছে সফরকারীরা। তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজের ঘূর্ণি ও গতিতে প্রথম সেশনটি পুরোপুরি নিজেদের করে নিয়েছে বাংলাদেশ।
দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনে মোট ২৪ ওভার ব্যাটিং করতে পেরেছে
পাকিস্তান। তবে এই সময়ে মাত্র ৭৫ রান তুলতে গিয়ে তারা হারিয়ে ফেলেছে ৪টি গুরুত্বপূর্ণ
উইকেট। সবমিলিয়ে প্রথম সেশন শেষে পাকিস্তানের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৯৬ রান। বাংলাদেশ থেকে
তারা এখনো ১৮২ রানে পিছিয়ে রয়েছে। বর্তমানে বাবর আজম ৩৭ ও সালমান আঘা ৬ রান নিয়ে ক্রিজে
লড়ছেন।
দিনের প্রথম ওভারে শরিফুল ইসলাম বল হাতে নিয়ে মাত্র ১ রান
দেন। এরপরের ওভারেই আক্রমণে এসে প্রথম আঘাত হানেন গতি তারকা তাসকিন আহমেদ। তাঁর ওভারের
প্রথম দুই বলেই অস্বস্তিতে ছিলেন পাকিস্তানি ওপেনার আব্দুল্লাহ ফজল। তৃতীয় বলে লিটন
দাসের গ্লাভসে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি (২১ বলে ৯ রান)।
এক ওভার বিরতি দিয়ে নিজের পরের ওভারে আবারও জোড়া আঘাত হানেন
তাসকিন। এবার তাঁর শিকার আজান আওয়াইজ। পা বাড়িয়ে ডিফেন্স করতে গিয়ে ব্যাটের কানা ছুঁয়ে
বল শর্ট লেগে থাকা মুমিনুল হকের হাতে সহজ ক্যাচ হিসেবে জমা পড়ে। ৩৪ বলে ১৩ রান করে
বিদায় নেন আজান। ফলে ২৩ রানেই ২ উইকেট হারিয়ে শুরুতেই ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় পাকিস্তান।
১০ ওভারে ২৩ রানে ২ উইকেট হারানোর পর অধিনায়ক শান মাসুদকে
সাথে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন বাবর আজম। দুইজনে মিলে উইকেটে জমে গিয়ে ৩৮ রানের
জুটি গড়েন। তবে দ্বিতীয় দিনে নিজের প্রথম ওভারে আক্রমণে এসেই এই বিপজ্জনক জুটিকে থামান
অফ স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ। মিরাজের বলে শর্ট কাভারে দুর্দান্ত এক ক্যাচ নেন বদলি
ফিল্ডার নাঈম হাসান। শান মাসুদ ২১ রানে আউট হতেই ভাঙে এই জুটি।
শান মাসুদকে ফেরানোর পর থিতু হতে দেননি সৌদ শাকিলকেও। মাত্র
৮ রান করা শাকিলকে দ্রুতই সাজঘরে ফেরত পাঠান মিরাজ। প্রথম সেশন শেষে বাংলাদেশের পক্ষে
তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ ২টি করে উইকেট শিকার করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন