কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে হামের উপসর্গ নিয়ে সাজিদ আল নাহিয়ান নামে ৭ মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১৭ মে) সকালে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সে। সাজিদ উপজেলার সিংরাইশ গ্রামের পারভেজ আহমেদ সুমনের ছেলে। চার ভাইবোনের মধ্যে সাজিদ ছিল সবার ছোট।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, পারভেজ আহমেদ ও সুলতানা আক্তার দম্পতির বিয়ের ১৬ বছর পর কোলজুড়ে আসে প্রথম ছেলেসন্তান সাজিদ। গত বছরের নভেম্বরে তার জন্ম হয়। দীর্ঘ অপেক্ষার পর পাওয়া আদরের সন্তানকে হারিয়ে এখন দিশেহারা এই দম্পতি।
স্বজনরা জানান, গত ১৪ এপ্রিল সাজিদ প্রথম সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হয়। স্থানীয় চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ানোর পর সে কিছুটা সুস্থ হয়েছিল। তবে ১২ মে পুনরায় অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় তাকে ধাপে ধাপে ফেনী এবং পরে ঢাকার শিশু হাসপাতাল ও ন্যাশনাল হেলথ কেয়ারে নেওয়া হয়। সবশেষ তেজগাঁওয়ের ইমপালস হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রশিদ আহমেদ তোফায়েল বলেন, শিশুটিকে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় দ্রুত উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দেওয়া হয়। পরে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা গেছে।
কুমিল্লা জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. পিয়াস আহমেদ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, শিশুটি সন্দেহজনক হামের রোগী ছিল। সে ঢাকাতেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে।

সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে হামের উপসর্গ নিয়ে সাজিদ আল নাহিয়ান নামে ৭ মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১৭ মে) সকালে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সে। সাজিদ উপজেলার সিংরাইশ গ্রামের পারভেজ আহমেদ সুমনের ছেলে। চার ভাইবোনের মধ্যে সাজিদ ছিল সবার ছোট।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, পারভেজ আহমেদ ও সুলতানা আক্তার দম্পতির বিয়ের ১৬ বছর পর কোলজুড়ে আসে প্রথম ছেলেসন্তান সাজিদ। গত বছরের নভেম্বরে তার জন্ম হয়। দীর্ঘ অপেক্ষার পর পাওয়া আদরের সন্তানকে হারিয়ে এখন দিশেহারা এই দম্পতি।
স্বজনরা জানান, গত ১৪ এপ্রিল সাজিদ প্রথম সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হয়। স্থানীয় চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ানোর পর সে কিছুটা সুস্থ হয়েছিল। তবে ১২ মে পুনরায় অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় তাকে ধাপে ধাপে ফেনী এবং পরে ঢাকার শিশু হাসপাতাল ও ন্যাশনাল হেলথ কেয়ারে নেওয়া হয়। সবশেষ তেজগাঁওয়ের ইমপালস হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রশিদ আহমেদ তোফায়েল বলেন, শিশুটিকে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় দ্রুত উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দেওয়া হয়। পরে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা গেছে।
কুমিল্লা জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. পিয়াস আহমেদ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, শিশুটি সন্দেহজনক হামের রোগী ছিল। সে ঢাকাতেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন