আন্তর্জাতিক ও দেশীয় অনলাইন জুয়ার সাইট নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার মাধ্যমে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া একটি চক্রের মূলহোতাসহ আট সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
রবিবার
রাজধানীর মালিবাগ সিআইডি হেডকোয়ার্টার্সে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে
সিআইডি প্রধান ও অতিরিক্ত আইজিপি
মোসলেহ্ উদ্দিন আহমেদ এই তথ্য নিশ্চিত
করেন।
গ্রেপ্তাররা
হলেন: মো. আশরাফ উদ্দীন
আহম্মেদ, সজীব চক্রবর্তী, মো.
আশরাফুল ইসলাম, মো. জসীম উদ্দীন,
তৈয়ব খান, সৌমিক সাহা,
মো. কামরুজ্জামান ও আব্দুর রহমান।
সংবাদ
সম্মেলনে অতিরিক্ত আইজিপি মোসলেহ্ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে এই চক্রটি
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও দেশীয় অনলাইন
জুয়ার প্ল্যাটফর্ম পরিচালনা করে আসছিল। এসব
সাইটে জুয়াড়িরা মোবাইল ব্যাংকিং সেবা: বিকাশ, রকেট ও নগদ,
বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং ক্রিপ্টো ওয়ালেট
ব্যবহার করে অর্থ লেনদেন
করতো। পরবর্তী সময়ে অবৈধভাবে অর্জিত
অর্থ ক্রিপ্টোকারেন্সি ও ডিজিটাল হুন্ডির
মাধ্যমে বিদেশে পাচার করা হতো।’
তিনি
আরও জানান, ‘এই চক্রটি সাধারণ
মানুষকে অনলাইন জুয়ার প্রতি প্রলোভিত করে গত প্রায়
৬ মাস ধরে প্রতিদিন
আনুমানিক ১ কোটি ৮০
লাখ থেকে ২ কোটি
টাকা অবৈধভাবে লেনদেন করেছে এবং একটি বড়
অংশ বিদেশে পাচার করেছে।’
সিআইডি
জানায়, সাইবার মনিটরিং সেলের নজরদারির সূত্র ধরে পল্টন মডেল
থানায় সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে মামলা করা হয়। এরপর
গত ৬ মে ময়মনসিংহ
ও কিশোরগঞ্জ থেকে চারজনকে এবং
পরে তাদের দেওয়া তথ্যে নরসিংদী ও ঢাকার ধানমন্ডি
থেকে বাকি চারজনকে গ্রেপ্তার
করা হয়।
অভিযানে
১৩টি মোবাইল ফোন, ২০টি সিম
কার্ডসহ ভুয়া এজেন্ট সিম
পাঠানোর কুরিয়ার রশিদ জব্দ করা
হয়েছে।
গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদের তথ্য জানিয়ে সিআইডি প্রধান বলেন, ‘অনলাইন গ্যাম্বলিং ও ডিজিটাল হুন্ডি কার্যক্রমের সঙ্গে তারা সরাসরি সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে।’ পাচার হওয়া অর্থ ফেরতের বিষয়ে তিনি জানান, পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারে সিআইডি বিএফআইইউ ও আন্তর্জাতিক আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে।

সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬
আন্তর্জাতিক ও দেশীয় অনলাইন জুয়ার সাইট নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার মাধ্যমে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া একটি চক্রের মূলহোতাসহ আট সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
রবিবার
রাজধানীর মালিবাগ সিআইডি হেডকোয়ার্টার্সে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে
সিআইডি প্রধান ও অতিরিক্ত আইজিপি
মোসলেহ্ উদ্দিন আহমেদ এই তথ্য নিশ্চিত
করেন।
গ্রেপ্তাররা
হলেন: মো. আশরাফ উদ্দীন
আহম্মেদ, সজীব চক্রবর্তী, মো.
আশরাফুল ইসলাম, মো. জসীম উদ্দীন,
তৈয়ব খান, সৌমিক সাহা,
মো. কামরুজ্জামান ও আব্দুর রহমান।
সংবাদ
সম্মেলনে অতিরিক্ত আইজিপি মোসলেহ্ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে এই চক্রটি
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও দেশীয় অনলাইন
জুয়ার প্ল্যাটফর্ম পরিচালনা করে আসছিল। এসব
সাইটে জুয়াড়িরা মোবাইল ব্যাংকিং সেবা: বিকাশ, রকেট ও নগদ,
বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং ক্রিপ্টো ওয়ালেট
ব্যবহার করে অর্থ লেনদেন
করতো। পরবর্তী সময়ে অবৈধভাবে অর্জিত
অর্থ ক্রিপ্টোকারেন্সি ও ডিজিটাল হুন্ডির
মাধ্যমে বিদেশে পাচার করা হতো।’
তিনি
আরও জানান, ‘এই চক্রটি সাধারণ
মানুষকে অনলাইন জুয়ার প্রতি প্রলোভিত করে গত প্রায়
৬ মাস ধরে প্রতিদিন
আনুমানিক ১ কোটি ৮০
লাখ থেকে ২ কোটি
টাকা অবৈধভাবে লেনদেন করেছে এবং একটি বড়
অংশ বিদেশে পাচার করেছে।’
সিআইডি
জানায়, সাইবার মনিটরিং সেলের নজরদারির সূত্র ধরে পল্টন মডেল
থানায় সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে মামলা করা হয়। এরপর
গত ৬ মে ময়মনসিংহ
ও কিশোরগঞ্জ থেকে চারজনকে এবং
পরে তাদের দেওয়া তথ্যে নরসিংদী ও ঢাকার ধানমন্ডি
থেকে বাকি চারজনকে গ্রেপ্তার
করা হয়।
অভিযানে
১৩টি মোবাইল ফোন, ২০টি সিম
কার্ডসহ ভুয়া এজেন্ট সিম
পাঠানোর কুরিয়ার রশিদ জব্দ করা
হয়েছে।
গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদের তথ্য জানিয়ে সিআইডি প্রধান বলেন, ‘অনলাইন গ্যাম্বলিং ও ডিজিটাল হুন্ডি কার্যক্রমের সঙ্গে তারা সরাসরি সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে।’ পাচার হওয়া অর্থ ফেরতের বিষয়ে তিনি জানান, পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারে সিআইডি বিএফআইইউ ও আন্তর্জাতিক আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন