দেশের
প্রধান আকাশপথ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক
বিমানবন্দরে চালু হলো উচ্চগতির
বিনামূল্যে ইন্টারনেট বা ফ্রি ওয়াই-ফাই সেবা। এখন
থেকে বিমানবন্দরটিতে একসঙ্গে প্রায় ৩৭ হাজার ৫০০
যাত্রী এই উন্নত ডিজিটাল
সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।
রবিবার
দুপুরে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে
এই সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান
পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী
আফরোজা খানম।
অনুষ্ঠানে
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী
ফকির মাহবুব আনাম, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী
এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং প্রধানমন্ত্রীর ডাক,
টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক
উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদসহ ঊর্ধ্বতন
কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনের
পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বেসামরিক বিমান
পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী
আফরোজা খানম বলেন, ‘বর্তমান
গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর নির্বাচনি ইশতেহারে
ঘোষিত ‘সবার জন্য দ্রুত
ও নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট’ প্রতিশ্রুতির আলোকে বিমানবন্দরের সাধারণ যাত্রীদের জন্য উন্নতমানের ডিজিটাল
সেবা প্রদান করেছে। আশা করছি আমরা
থার্ড টার্মিনালও দ্রুত উদ্বোধন করতে সক্ষম হবো
এবং সেটা হবে আমাদের
জন্য গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।’
অনুষ্ঠানে
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী
এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এই সেবার পরিধি
উল্লেখ করে বলেন, ‘একসঙ্গে
৩৭ হাজারের বেশি যাত্রী এই
ফ্রি ওয়াই-ফাই ব্যবহার
করতে সক্ষম হবে।’
মন্ত্রণালয়
সূত্রে জানা গেছে, বিমানবন্দরের
টার্মিনাল ১, টার্মিনাল ২,
অভ্যন্তরীণ টার্মিনাল, ভিআইপি ও ভিভিআইপি টার্মিনাল
এবং কার পার্কিং এলাকাসহ
প্রায় ৯৪ হাজার বর্গমিটার
এলাকা জুড়ে এই ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক বিস্তৃত
করা হয়েছে। এই বিশাল এলাকা
কাভার করতে ৪৮ কিলোমিটার
অপটিক্যাল ফাইবার, ৩৭টি অ্যাক্সেস সুইচ
এবং ২৫০টি আধুনিক অ্যাক্সেস পয়েন্ট স্থাপন করা হয়েছে।
সম্পূর্ণ
সিস্টেমটি সর্বোচ্চ ৪০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ
ক্ষমতা নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে।
প্রতিটি অ্যাক্সেস পয়েন্ট একসাথে সর্বোচ্চ ১৫০ জন ব্যবহারকারীকে
স্থিতিশীল সেবা দিতে সক্ষম।
গত ২৬ এপ্রিল থেকে
শুরু হওয়া পরীক্ষামূলক কার্যক্রমে
ইতিমধ্যে প্রায় ২০ হাজার যাত্রী
এই সুবিধা নিয়েছেন এবং ২ দশমিক
৩ টেরাবাইট ডেটা ব্যবহৃত হয়েছে।

সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬
দেশের
প্রধান আকাশপথ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক
বিমানবন্দরে চালু হলো উচ্চগতির
বিনামূল্যে ইন্টারনেট বা ফ্রি ওয়াই-ফাই সেবা। এখন
থেকে বিমানবন্দরটিতে একসঙ্গে প্রায় ৩৭ হাজার ৫০০
যাত্রী এই উন্নত ডিজিটাল
সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।
রবিবার
দুপুরে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে
এই সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান
পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী
আফরোজা খানম।
অনুষ্ঠানে
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী
ফকির মাহবুব আনাম, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী
এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং প্রধানমন্ত্রীর ডাক,
টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক
উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদসহ ঊর্ধ্বতন
কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনের
পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বেসামরিক বিমান
পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী
আফরোজা খানম বলেন, ‘বর্তমান
গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর নির্বাচনি ইশতেহারে
ঘোষিত ‘সবার জন্য দ্রুত
ও নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট’ প্রতিশ্রুতির আলোকে বিমানবন্দরের সাধারণ যাত্রীদের জন্য উন্নতমানের ডিজিটাল
সেবা প্রদান করেছে। আশা করছি আমরা
থার্ড টার্মিনালও দ্রুত উদ্বোধন করতে সক্ষম হবো
এবং সেটা হবে আমাদের
জন্য গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।’
অনুষ্ঠানে
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী
এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এই সেবার পরিধি
উল্লেখ করে বলেন, ‘একসঙ্গে
৩৭ হাজারের বেশি যাত্রী এই
ফ্রি ওয়াই-ফাই ব্যবহার
করতে সক্ষম হবে।’
মন্ত্রণালয়
সূত্রে জানা গেছে, বিমানবন্দরের
টার্মিনাল ১, টার্মিনাল ২,
অভ্যন্তরীণ টার্মিনাল, ভিআইপি ও ভিভিআইপি টার্মিনাল
এবং কার পার্কিং এলাকাসহ
প্রায় ৯৪ হাজার বর্গমিটার
এলাকা জুড়ে এই ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক বিস্তৃত
করা হয়েছে। এই বিশাল এলাকা
কাভার করতে ৪৮ কিলোমিটার
অপটিক্যাল ফাইবার, ৩৭টি অ্যাক্সেস সুইচ
এবং ২৫০টি আধুনিক অ্যাক্সেস পয়েন্ট স্থাপন করা হয়েছে।
সম্পূর্ণ
সিস্টেমটি সর্বোচ্চ ৪০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ
ক্ষমতা নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে।
প্রতিটি অ্যাক্সেস পয়েন্ট একসাথে সর্বোচ্চ ১৫০ জন ব্যবহারকারীকে
স্থিতিশীল সেবা দিতে সক্ষম।
গত ২৬ এপ্রিল থেকে
শুরু হওয়া পরীক্ষামূলক কার্যক্রমে
ইতিমধ্যে প্রায় ২০ হাজার যাত্রী
এই সুবিধা নিয়েছেন এবং ২ দশমিক
৩ টেরাবাইট ডেটা ব্যবহৃত হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন