সংবাদ

চুয়াডাঙ্গায় পুলিশ নিয়োগে স্বচ্ছতার দৃষ্টান্ত


প্রতিনিধি, চুয়াডাঙ্গা
প্রতিনিধি, চুয়াডাঙ্গা
প্রকাশ: ১৮ মে ২০২৬, ১১:৩৬ এএম

চুয়াডাঙ্গায় পুলিশ নিয়োগে স্বচ্ছতার দৃষ্টান্ত
চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের অভিনন্দন জানাচ্ছেন পুলিশ সুপার। ছবি : সংবাদ

চুয়াডাঙ্গায় মাত্র ১২০ টাকা খরচ করে পুলিশের কনস্টেবল পদে চাকরি পেয়েছেন ২১ তরুণ-তরুণী। শতভাগ স্বচ্ছতা, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে তাদের মনোনীত করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০ জন পুরুষ ও ১ জন নারী রয়েছেন।

রোববার (১৭ মে) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানান চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সরকারি ফি বাবদ ১২০ টাকা ছাড়া প্রার্থীদের আর কোনো টাকা খরচ করতে হয়নি।

নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুর আগে থেকেই চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রচার চালানো হয়েছিল। স্থানীয় ডিস চ্যানেল, সংবাদপত্র, মাইকিং ও ফেসবুকের মাধ্যমে চাকরিপ্রত্যাশীদের দালাল ও প্রতারক চক্রের খপ্পর থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগের প্রথম ধাপে কাগজপত্র যাচাই, শারীরিক মাপ ও সক্ষমতা যাচাই শেষে গত ৪ মে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ২৩৯ জন প্রার্থী অংশ নেন। রোববার সকাল ১০টায় লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়, যেখানে ৪৪ জন উত্তীর্ণ হন। পরে উত্তীর্ণ প্রার্থীরা মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেন। তাদের মধ্য থেকে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে ২১ জনকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করে নিয়োগ বোর্ড।

রোববার সন্ধ্যা ৬ টায় চুয়াডাঙ্গা পুলিশ লাইন্স ড্রিলশেডে নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন। কোনো রকম লেনদেন ছাড়াই মেধা ও যোগ্যতায় বাংলাদেশ পুলিশের সদস্য হতে পেরে নির্বাচিত প্রার্থীরা এ সময় আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন।

ফলাফল ঘোষণাকালে মেহেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ আতিকুল হক, চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোসফেকুর রহমানসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ১৮ মে ২০২৬


চুয়াডাঙ্গায় পুলিশ নিয়োগে স্বচ্ছতার দৃষ্টান্ত

প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬

featured Image

চুয়াডাঙ্গায় মাত্র ১২০ টাকা খরচ করে পুলিশের কনস্টেবল পদে চাকরি পেয়েছেন ২১ তরুণ-তরুণী। শতভাগ স্বচ্ছতা, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে তাদের মনোনীত করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০ জন পুরুষ ও ১ জন নারী রয়েছেন।

রোববার (১৭ মে) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানান চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সরকারি ফি বাবদ ১২০ টাকা ছাড়া প্রার্থীদের আর কোনো টাকা খরচ করতে হয়নি।

নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুর আগে থেকেই চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রচার চালানো হয়েছিল। স্থানীয় ডিস চ্যানেল, সংবাদপত্র, মাইকিং ও ফেসবুকের মাধ্যমে চাকরিপ্রত্যাশীদের দালাল ও প্রতারক চক্রের খপ্পর থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগের প্রথম ধাপে কাগজপত্র যাচাই, শারীরিক মাপ ও সক্ষমতা যাচাই শেষে গত ৪ মে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ২৩৯ জন প্রার্থী অংশ নেন। রোববার সকাল ১০টায় লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়, যেখানে ৪৪ জন উত্তীর্ণ হন। পরে উত্তীর্ণ প্রার্থীরা মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেন। তাদের মধ্য থেকে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে ২১ জনকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করে নিয়োগ বোর্ড।

রোববার সন্ধ্যা ৬ টায় চুয়াডাঙ্গা পুলিশ লাইন্স ড্রিলশেডে নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন। কোনো রকম লেনদেন ছাড়াই মেধা ও যোগ্যতায় বাংলাদেশ পুলিশের সদস্য হতে পেরে নির্বাচিত প্রার্থীরা এ সময় আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন।

ফলাফল ঘোষণাকালে মেহেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ আতিকুল হক, চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোসফেকুর রহমানসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত