হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে ঈদুল আজহা উপলক্ষে বরাদ্দ দেওয়া বিজিএফের চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সঠিক সময়ে চাল না পাওয়া এবং টোকেনসংক্রান্ত জটিলতায় অনেক দুস্থ মানুষকে খালি হাতে ফিরে যেতে হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল নয়টা থেকে চুনারুঘাট পৌরসভা কার্যালয়ে চাল বিতরণের কথা থাকলেও দুপুরের পরও তা শুরু হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করে চাল না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, নিজ নিজ ওয়ার্ড থেকে দেওয়া টোকেন নিয়ে তারা পৌরসভায় এলেও কর্তৃপক্ষ সেগুলো গ্রহণ করেনি। আগের টোকেন বাতিল করে নতুন কার্ড বা টোকেন দিয়ে চাল বিতরণ করায় তালিকায় থাকা অনেকেই বঞ্চিত হয়েছেন।
শেফা আক্তার নামের এক নারী বলেন, “আমি ওয়ার্ড থেকে টোকেন নিয়ে এসেছি। সকাল নয়টা থেকে ছোট বাচ্চা নিয়ে তিন-চারবার লাইনে দাঁড়িয়েও চাল পাইনি। শেষ পর্যন্ত খালি হাতেই ফিরতে হচ্ছে।” শহিদুল ইসলাম নামের আরেকজন বলেন, প্রতিবছর ওয়ার্ডের টোকেনেই চাল পাওয়া যেত। এবার পৌর কর্তৃপক্ষ সেই টোকেন বাতিল করে নতুন কার্ড দিচ্ছে। এতে আমাদের মতো অনেকের নাম বাদ পড়ে গেছে।
তবে অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন চুনারুঘাট পৌরসভা কার্যালয়ের সচিব লিয়াকত আলী। তিনি বলেন, পৌরসভায় ৪,৬২৫ জনের মধ্যে চাল বিতরণ করা হচ্ছে এবং সকাল থেকেই কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
এ বিষয়ে চুনারুঘাট পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গালিব চৌধুরী বলেন, বিজিএফ চাল বিতরণে অনিয়ম হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬
হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে ঈদুল আজহা উপলক্ষে বরাদ্দ দেওয়া বিজিএফের চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সঠিক সময়ে চাল না পাওয়া এবং টোকেনসংক্রান্ত জটিলতায় অনেক দুস্থ মানুষকে খালি হাতে ফিরে যেতে হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল নয়টা থেকে চুনারুঘাট পৌরসভা কার্যালয়ে চাল বিতরণের কথা থাকলেও দুপুরের পরও তা শুরু হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করে চাল না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, নিজ নিজ ওয়ার্ড থেকে দেওয়া টোকেন নিয়ে তারা পৌরসভায় এলেও কর্তৃপক্ষ সেগুলো গ্রহণ করেনি। আগের টোকেন বাতিল করে নতুন কার্ড বা টোকেন দিয়ে চাল বিতরণ করায় তালিকায় থাকা অনেকেই বঞ্চিত হয়েছেন।
শেফা আক্তার নামের এক নারী বলেন, “আমি ওয়ার্ড থেকে টোকেন নিয়ে এসেছি। সকাল নয়টা থেকে ছোট বাচ্চা নিয়ে তিন-চারবার লাইনে দাঁড়িয়েও চাল পাইনি। শেষ পর্যন্ত খালি হাতেই ফিরতে হচ্ছে।” শহিদুল ইসলাম নামের আরেকজন বলেন, প্রতিবছর ওয়ার্ডের টোকেনেই চাল পাওয়া যেত। এবার পৌর কর্তৃপক্ষ সেই টোকেন বাতিল করে নতুন কার্ড দিচ্ছে। এতে আমাদের মতো অনেকের নাম বাদ পড়ে গেছে।
তবে অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন চুনারুঘাট পৌরসভা কার্যালয়ের সচিব লিয়াকত আলী। তিনি বলেন, পৌরসভায় ৪,৬২৫ জনের মধ্যে চাল বিতরণ করা হচ্ছে এবং সকাল থেকেই কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
এ বিষয়ে চুনারুঘাট পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গালিব চৌধুরী বলেন, বিজিএফ চাল বিতরণে অনিয়ম হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন