ফুটবলপ্রেমীদের তীব্র প্রতিবাদ আর বাফুফের নানা নাটকের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের কোচের আসনে বসছেন থমাস ডুলি। স্প্যানিশ কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরার বিদায়ের পর থেকেই নতুন কোচ নিয়ে দফায় দফায় নাটক করে বাফুফে।
সাবেক
ওয়েলস কোচ ক্রিস কোলম্যানকে
নিয়ে বড় আশা জাগালেও
শেষ পর্যন্ত উচ্চ বেতন ও
শর্তের অজুহাতে তার সাথে চুক্তি
ভেঙে যায়, যা নিয়ে
দেশের ফুটবল সমর্থকদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি
হয়। তীব্র সমালোচনার মুখে চরম গোপনীয়তা
বজায় রেখে শুক্রবার সকালে
ঢাকায় উড়িয়ে আনা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের
সাবেক এই অধিনায়ককে।
হযরত
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তিনি নামার পরও
বাফুফে কর্তারা মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন।
তবে খবর চাউর হয়ে
গেলে দুপুরের দিকে বাফুফে এক
বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ডুলির চাকুরির বিষয়টি নিশ্চিত করে। আগামী রোববার
আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে জাতীয়
দল তুলে দেওয়া হবে।
১৯৬১
সালের ১২ মে জার্মানিতে
জন্ম নেওয়া থমাস ডুলির বাবা
ছিলেন আমেরিকান সেনা এবং মা
জার্মান। পুরো শৈশব জার্মানিতে
কাটানো ডুলি সেখানকার ফুটবলের
আধুনিক পরিবেশেই বেড়ে ওঠেন। ১৯৮১
থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত
জার্মানির বিভিন্ন নামী ক্লাবে দাপটের
সাথে খেলেছেন। পরবর্তীতে ১৯৯২ সালে মার্কিন
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় দলে তার অভিষেক
হয়। দেশের হয়ে ১৯৯৪ ও
১৯৯৮ বিশ্বকাপে মাঠ কাঁপিয়েছেন এই
ডিফেন্ডার এবং ১৯৯৮ সালের
বিশ্বকাপে দলটির অধিনায়কের আর্মব্যান্ডও ছিল তার হাতে।
যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে ৮১ ম্যাচে ৭টি গোল করা ডুলি খেলোয়াড়ি জীবন শেষে ২০০২ সাল থেকে কোচিং পেশায় যুক্ত হন। চলতি মাসেই গায়ানার কোচের পদ থেকে পদত্যাগ করার পর থেকেই বাংলাদেশের রাডারে আসেন তিনি। বাফুফের দীর্ঘ ৪ বছর ৪ মাসের সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদী কোচ ক্যাবরেরার বিদায়ের পর ২৭৩ জনের তালিকা থেকে ধাপে ধাপে ইন্টারভিউ নিয়ে শেষ পর্যন্ত ডুলির ওপরেই আস্থা রাখল বাফুফে।

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ মে ২০২৬
ফুটবলপ্রেমীদের তীব্র প্রতিবাদ আর বাফুফের নানা নাটকের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের কোচের আসনে বসছেন থমাস ডুলি। স্প্যানিশ কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরার বিদায়ের পর থেকেই নতুন কোচ নিয়ে দফায় দফায় নাটক করে বাফুফে।
সাবেক
ওয়েলস কোচ ক্রিস কোলম্যানকে
নিয়ে বড় আশা জাগালেও
শেষ পর্যন্ত উচ্চ বেতন ও
শর্তের অজুহাতে তার সাথে চুক্তি
ভেঙে যায়, যা নিয়ে
দেশের ফুটবল সমর্থকদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি
হয়। তীব্র সমালোচনার মুখে চরম গোপনীয়তা
বজায় রেখে শুক্রবার সকালে
ঢাকায় উড়িয়ে আনা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের
সাবেক এই অধিনায়ককে।
হযরত
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তিনি নামার পরও
বাফুফে কর্তারা মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন।
তবে খবর চাউর হয়ে
গেলে দুপুরের দিকে বাফুফে এক
বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ডুলির চাকুরির বিষয়টি নিশ্চিত করে। আগামী রোববার
আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে জাতীয়
দল তুলে দেওয়া হবে।
১৯৬১
সালের ১২ মে জার্মানিতে
জন্ম নেওয়া থমাস ডুলির বাবা
ছিলেন আমেরিকান সেনা এবং মা
জার্মান। পুরো শৈশব জার্মানিতে
কাটানো ডুলি সেখানকার ফুটবলের
আধুনিক পরিবেশেই বেড়ে ওঠেন। ১৯৮১
থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত
জার্মানির বিভিন্ন নামী ক্লাবে দাপটের
সাথে খেলেছেন। পরবর্তীতে ১৯৯২ সালে মার্কিন
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় দলে তার অভিষেক
হয়। দেশের হয়ে ১৯৯৪ ও
১৯৯৮ বিশ্বকাপে মাঠ কাঁপিয়েছেন এই
ডিফেন্ডার এবং ১৯৯৮ সালের
বিশ্বকাপে দলটির অধিনায়কের আর্মব্যান্ডও ছিল তার হাতে।
যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে ৮১ ম্যাচে ৭টি গোল করা ডুলি খেলোয়াড়ি জীবন শেষে ২০০২ সাল থেকে কোচিং পেশায় যুক্ত হন। চলতি মাসেই গায়ানার কোচের পদ থেকে পদত্যাগ করার পর থেকেই বাংলাদেশের রাডারে আসেন তিনি। বাফুফের দীর্ঘ ৪ বছর ৪ মাসের সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদী কোচ ক্যাবরেরার বিদায়ের পর ২৭৩ জনের তালিকা থেকে ধাপে ধাপে ইন্টারভিউ নিয়ে শেষ পর্যন্ত ডুলির ওপরেই আস্থা রাখল বাফুফে।

আপনার মতামত লিখুন