সংবাদ

বাঘের থাবায় কাঁপছে পাকিস্তান

রিজওয়ান-সালমানের প্রতিরোধে জমজমাট ম্যাচ


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৯ মে ২০২৬, ০৪:৪৫ পিএম

রিজওয়ান-সালমানের প্রতিরোধে জমজমাট ম্যাচ

রেকর্ডের পেছনে ছুটছে পাকিস্তান, আর জয়ের সুবাস পাচ্ছে বাংলাদেশ। রাওয়ালপিন্ডি টেস্টের চতুর্থ দিনে ৪৩৭ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে টাইগার বোলারদের তোপের মুখে পড়ে স্বাগতিকরা। ১৬২ রানে উইকেট তুলে নিয়ে জয়ের পথেই ছিল শান্ত বাহিনী।

কিন্তু ষষ্ঠ উইকেটে মোহাম্মদ রিজওয়ান এবং সালমান আলি আগার অবিচ্ছেদ জুটি এখন ভোগাচ্ছে বাংলাদেশকে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাকিস্তানের সংগ্রহ উইকেটে ২৫৩ রান। ম্যাচ জিততে পাকিস্তানের এখনও প্রয়োজন ১৮৪ রান, আর বাংলাদেশের চাই মাত্র ৫টি উইকেট।

বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ব্যাকফুটে চলে যায় পাকিস্তান। দলীয় মাত্র ২৭ রানে তরুণ পেসার নাহিদ রানার বলে গালিতে মেহেদি হাসান মিরাজের দুর্দান্ত ক্যাচে পরিণত হন আব্দুল্লাহ ফজল। আউট হওয়ার আগে তিনি করেন রান।

এরপর অন্য ওপেনার আজান আওয়াইসকেও (২১) বেশিক্ষণ টিকতে দেননি স্পিনার মিরাজ। এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে তাকে সাজঘরে পাঠান তিনি। ৪১ রানে উইকেট হারানোর পর অবশ্য বাবর আজম অধিনায়ক শান মাসুদ হাল ধরেন। দুজনের ৯০ রানের জুটি যখন বাংলাদেশের অস্বস্তি বাড়াচ্ছিল, ঠিক তখনই দৃশ্যপটে হাজির হন তাইজুল ইসলাম। ৪৭ রান করা বাবরকে লিটন দাসের গ্লাভসবন্দি করে ব্রেকথ্রু এনে দেন এই বাঁহাতি স্পিনার।

বাবরের বিদায়ের পর পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনে আবারও কাঁপন ধরান নাহিদ রানা। দারুণ এক ওয়াইডিশ ইয়র্কারে সৌদ শাকিলকে () ফেরান তিনি। আম্পায়ার আউট দিলে শাকিল রিভিউ নিলেও আম্পায়ার্স কলে তাকে মাঠ ছাড়তে হয়।

এর পরপরই উইকেটে থিতু হওয়া অধিনায়ক শান মাসুদকে (৭১) ফিরিয়ে ম্যাচ পুরোপুরি বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসেন তাইজুল। শর্ট লেগে মাহমুদুল হাসান জয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন লড়াকু ইনিংস খেলা শান মাসুদ। ১৬২ রানেই উইকেট হারিয়ে তখন চরম বিপর্যয়ে পাকিস্তান। এর আগে বাংলাদেশ নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে মুশফিকুর রহিমের অনবদ্য সেঞ্চুরিতে ৩৯০ রান সংগ্রহ করে ৪৩৬ রানের বিশাল লিড পেয়েছিল।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬


রিজওয়ান-সালমানের প্রতিরোধে জমজমাট ম্যাচ

প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬

featured Image

রেকর্ডের পেছনে ছুটছে পাকিস্তান, আর জয়ের সুবাস পাচ্ছে বাংলাদেশ। রাওয়ালপিন্ডি টেস্টের চতুর্থ দিনে ৪৩৭ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে টাইগার বোলারদের তোপের মুখে পড়ে স্বাগতিকরা। ১৬২ রানে উইকেট তুলে নিয়ে জয়ের পথেই ছিল শান্ত বাহিনী।

কিন্তু ষষ্ঠ উইকেটে মোহাম্মদ রিজওয়ান এবং সালমান আলি আগার অবিচ্ছেদ জুটি এখন ভোগাচ্ছে বাংলাদেশকে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাকিস্তানের সংগ্রহ উইকেটে ২৫৩ রান। ম্যাচ জিততে পাকিস্তানের এখনও প্রয়োজন ১৮৪ রান, আর বাংলাদেশের চাই মাত্র ৫টি উইকেট।

বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ব্যাকফুটে চলে যায় পাকিস্তান। দলীয় মাত্র ২৭ রানে তরুণ পেসার নাহিদ রানার বলে গালিতে মেহেদি হাসান মিরাজের দুর্দান্ত ক্যাচে পরিণত হন আব্দুল্লাহ ফজল। আউট হওয়ার আগে তিনি করেন রান।

এরপর অন্য ওপেনার আজান আওয়াইসকেও (২১) বেশিক্ষণ টিকতে দেননি স্পিনার মিরাজ। এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে তাকে সাজঘরে পাঠান তিনি। ৪১ রানে উইকেট হারানোর পর অবশ্য বাবর আজম অধিনায়ক শান মাসুদ হাল ধরেন। দুজনের ৯০ রানের জুটি যখন বাংলাদেশের অস্বস্তি বাড়াচ্ছিল, ঠিক তখনই দৃশ্যপটে হাজির হন তাইজুল ইসলাম। ৪৭ রান করা বাবরকে লিটন দাসের গ্লাভসবন্দি করে ব্রেকথ্রু এনে দেন এই বাঁহাতি স্পিনার।

বাবরের বিদায়ের পর পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনে আবারও কাঁপন ধরান নাহিদ রানা। দারুণ এক ওয়াইডিশ ইয়র্কারে সৌদ শাকিলকে () ফেরান তিনি। আম্পায়ার আউট দিলে শাকিল রিভিউ নিলেও আম্পায়ার্স কলে তাকে মাঠ ছাড়তে হয়।

এর পরপরই উইকেটে থিতু হওয়া অধিনায়ক শান মাসুদকে (৭১) ফিরিয়ে ম্যাচ পুরোপুরি বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসেন তাইজুল। শর্ট লেগে মাহমুদুল হাসান জয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন লড়াকু ইনিংস খেলা শান মাসুদ। ১৬২ রানেই উইকেট হারিয়ে তখন চরম বিপর্যয়ে পাকিস্তান। এর আগে বাংলাদেশ নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে মুশফিকুর রহিমের অনবদ্য সেঞ্চুরিতে ৩৯০ রান সংগ্রহ করে ৪৩৬ রানের বিশাল লিড পেয়েছিল।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত