সম্প্রতি প্রকাশিত হয় জোহরা বেগমের টেলিফিল্ম ‘ইচ্ছাপত্র’। এই এক টেলিফিল্মেই একসঙ্গে দেখা যাবে বাংলা নাট্যাঙ্গনের চার প্রজন্মের অভিনয়শিল্পীদের। বর্তমান সময়ের নাটক-টেলিফিল্মে যেখানে চরিত্র ও শিল্পীর বৈচিত্র্য কমে এসেছে, সেখানে এই আয়োজনটি ব্যতিক্রম হিসেবেই ধরা হচ্ছে। টেলিফিল্মটি লিখেছেন তৌকীর আহমেদ এবং পরিচালনা করেছেন আরিফ খান।
এতে অভিনয় করেছেন
ফেরদৌসী মজুমদার, আফজাল হোসেন, মামুনুর রশীদ, তৌকীর আহমেদ, দীপা খন্দকার, রওনক হাসান
এবং জাকিয়া বারী মমসহ আরও অনেকে। এই প্রযোজনার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো দীর্ঘদিন
পর টেলিভিশন অভিনয়ে ফিরে আসছেন ফেরদৌসী মজুমদার। বয়সজনিত শারীরিক দুর্বলতা থাকা সত্ত্বেও
শুটিংয়ে তাঁর নিয়মিত উপস্থিতি, চরিত্রে মনোযোগ এবং কাজের প্রতি নিষ্ঠা পুরো ইউনিটকে
অনুপ্রাণিত করেছে।
নির্মাতাদের ভাষ্য
অনুযায়ী, তিনি আবারও প্রমাণ করেছেন কেন তাঁকে অভিনয়ের জীবন্ত কিংবদন্তি বলা হয়। অন্যদিকে
আফজাল হোসেন জানান, মূলত ফেরদৌসী মজুমদার-কে সম্মান জানানোর ভাবনা থেকেই এই টেলিফিল্ম
নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
তার ভাষায়, সবাই
মিলে কাজটি করেছেন এক ধরনের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা থেকে, এবং কাজ শেষ করে তাঁদের মনে হয়েছে
এই প্রয়াস সফল হয়েছে। নির্মাতা আরিফ খান বলেন, তিনি সবসময় গল্পকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব
দেন। গল্পের প্রয়োজন অনুযায়ী শিল্পীদের নির্বাচন করা হয়, আর শিল্পীদের আস্থা ও বিশ্বাসই
একজন নির্মাতার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
সম্প্রতি প্রকাশিত হয় জোহরা বেগমের টেলিফিল্ম ‘ইচ্ছাপত্র’। এই এক টেলিফিল্মেই একসঙ্গে দেখা যাবে বাংলা নাট্যাঙ্গনের চার প্রজন্মের অভিনয়শিল্পীদের। বর্তমান সময়ের নাটক-টেলিফিল্মে যেখানে চরিত্র ও শিল্পীর বৈচিত্র্য কমে এসেছে, সেখানে এই আয়োজনটি ব্যতিক্রম হিসেবেই ধরা হচ্ছে। টেলিফিল্মটি লিখেছেন তৌকীর আহমেদ এবং পরিচালনা করেছেন আরিফ খান।
এতে অভিনয় করেছেন
ফেরদৌসী মজুমদার, আফজাল হোসেন, মামুনুর রশীদ, তৌকীর আহমেদ, দীপা খন্দকার, রওনক হাসান
এবং জাকিয়া বারী মমসহ আরও অনেকে। এই প্রযোজনার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো দীর্ঘদিন
পর টেলিভিশন অভিনয়ে ফিরে আসছেন ফেরদৌসী মজুমদার। বয়সজনিত শারীরিক দুর্বলতা থাকা সত্ত্বেও
শুটিংয়ে তাঁর নিয়মিত উপস্থিতি, চরিত্রে মনোযোগ এবং কাজের প্রতি নিষ্ঠা পুরো ইউনিটকে
অনুপ্রাণিত করেছে।
নির্মাতাদের ভাষ্য
অনুযায়ী, তিনি আবারও প্রমাণ করেছেন কেন তাঁকে অভিনয়ের জীবন্ত কিংবদন্তি বলা হয়। অন্যদিকে
আফজাল হোসেন জানান, মূলত ফেরদৌসী মজুমদার-কে সম্মান জানানোর ভাবনা থেকেই এই টেলিফিল্ম
নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
তার ভাষায়, সবাই
মিলে কাজটি করেছেন এক ধরনের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা থেকে, এবং কাজ শেষ করে তাঁদের মনে হয়েছে
এই প্রয়াস সফল হয়েছে। নির্মাতা আরিফ খান বলেন, তিনি সবসময় গল্পকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব
দেন। গল্পের প্রয়োজন অনুযায়ী শিল্পীদের নির্বাচন করা হয়, আর শিল্পীদের আস্থা ও বিশ্বাসই
একজন নির্মাতার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

আপনার মতামত লিখুন