অভিনেতা ও নির্মাতা আফজাল হোসেন আবারও হাজির হন নতুন টেলিফিল্ম ‘আবার হবে দেখা’ নিয়ে। ঈদে এনটিভিতে প্রচারিত হয় টেলিফিল্মটি। এরপর টেলিফিল্মটি ইউটিউবে প্রকাশিত হয়। এর গল্প লিখেছেন ফারিয়া হোসেন এবং নির্মাণ করছেন গুণী নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী।
টেলিফিল্মটিতে আফজাল
হোসেনের স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন দীপা খন্দকার। এছাড়া তাদের ছেলের ভূমিকায় দেখা
যাবে প্রান্তর দস্তিদার–কে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন আইশা খান। টেলিফিল্মটি
নিয়ে আফজাল হোসেন বলেন, গল্পের মূল সূত্র প্রায় একই হলেও উপস্থাপনায় ভিন্নতা থাকে।
চারজন মানুষকে ঘিরে এগিয়ে যাওয়া এই গল্পে সমান্তরালভাবে দুটি কাহিনি তুলে ধরা হয়েছে।
তিনি আরও জানান,
নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী গল্প উপস্থাপনায় সৌন্দর্য ও যত্নের বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন।
দীপা খন্দকার জানান, তার অভিনয় জীবনের শুরু থেকেই আফজাল হোসেন তাকে অনুপ্রেরণা দিয়ে
আসছেন। পরপর দুটি নাটকে তার সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়ে তিনি আনন্দিত। একই সঙ্গে নির্মাতা
চয়নিকা চৌধুরীর যতœশীল নির্মাণেরও প্রশংসা করেন তিনি।
প্রথমবার আফজাল
হোসেনের সঙ্গে কাজ করে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন আইশা খান। তিনি বলেন, এই কাজের মাধ্যমে
অনেক কিছু শেখার সুযোগ হয়েছে তার। অন্যদিকে প্রান্তর দস্তিদার বলেন, চয়নিকা চৌধুরীর
গল্পে সবসময় আবেগ ও চরিত্রগুলোর দারুণ বন্ধন থাকে। আফজাল হোসেনের সঙ্গে কাজের সুযোগ
পেয়ে তিনি নতুন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন বলেও জানান।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
অভিনেতা ও নির্মাতা আফজাল হোসেন আবারও হাজির হন নতুন টেলিফিল্ম ‘আবার হবে দেখা’ নিয়ে। ঈদে এনটিভিতে প্রচারিত হয় টেলিফিল্মটি। এরপর টেলিফিল্মটি ইউটিউবে প্রকাশিত হয়। এর গল্প লিখেছেন ফারিয়া হোসেন এবং নির্মাণ করছেন গুণী নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী।
টেলিফিল্মটিতে আফজাল
হোসেনের স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন দীপা খন্দকার। এছাড়া তাদের ছেলের ভূমিকায় দেখা
যাবে প্রান্তর দস্তিদার–কে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন আইশা খান। টেলিফিল্মটি
নিয়ে আফজাল হোসেন বলেন, গল্পের মূল সূত্র প্রায় একই হলেও উপস্থাপনায় ভিন্নতা থাকে।
চারজন মানুষকে ঘিরে এগিয়ে যাওয়া এই গল্পে সমান্তরালভাবে দুটি কাহিনি তুলে ধরা হয়েছে।
তিনি আরও জানান,
নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী গল্প উপস্থাপনায় সৌন্দর্য ও যত্নের বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন।
দীপা খন্দকার জানান, তার অভিনয় জীবনের শুরু থেকেই আফজাল হোসেন তাকে অনুপ্রেরণা দিয়ে
আসছেন। পরপর দুটি নাটকে তার সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়ে তিনি আনন্দিত। একই সঙ্গে নির্মাতা
চয়নিকা চৌধুরীর যতœশীল নির্মাণেরও প্রশংসা করেন তিনি।
প্রথমবার আফজাল
হোসেনের সঙ্গে কাজ করে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন আইশা খান। তিনি বলেন, এই কাজের মাধ্যমে
অনেক কিছু শেখার সুযোগ হয়েছে তার। অন্যদিকে প্রান্তর দস্তিদার বলেন, চয়নিকা চৌধুরীর
গল্পে সবসময় আবেগ ও চরিত্রগুলোর দারুণ বন্ধন থাকে। আফজাল হোসেনের সঙ্গে কাজের সুযোগ
পেয়ে তিনি নতুন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন বলেও জানান।

আপনার মতামত লিখুন