ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় এবং প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ সোমবার (৭ জুন) থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। আজ বেলা ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এই অধিবেশন শুরু হবে। এর আগে সংসদের কার্যউপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে অধিবেশনের চূড়ান্ত মেয়াদ ও কার্যসূচি নির্ধারণ করা হবে।
সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১১ জুন (বৃহস্পতিবার) সংসদে নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এরপর সংসদ সদস্যদের দীর্ঘ আলোচনা ও যুক্তি-তর্ক শেষে আগামী ৩০ জুন বাজেট পাস হওয়ার কথা রয়েছে। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংসদ অধিবেশন আহ্বানের পর থেকেই বাজেট অধিবেশন ঘিরে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে সংসদ সচিবালয়।
সংসদ সচিবালয়ের প্রকাশিত কার্যসূচি অনুযায়ী, আজ অধিবেশনের শুরুতে সভাপতিমণ্ডলীর মনোনয়ন ও শোকপ্রস্তাব উত্থাপন করা হবে। এরপর নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম দিনে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয়, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এবং বিদ্যুৎ বিভাগের প্রশ্নোত্তর তালিকাভুক্ত রয়েছে।
এ ছাড়া ‘জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ (বিধি-৭১)’-এর আওতায় প্রাপ্ত নোটিসগুলো নিষ্পত্তি করা হবে। এর বাইরে জ্বালানি বিষয়ে করণীয় নির্ধারণে গঠিত বিশেষ কমিটির রিপোর্ট উপস্থাপন করবেন কমিটির সভাপতি এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।
বাজেট পাস ছাড়াও এবারের অধিবেশনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত আসতে পারে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, চলতি অধিবেশনে সংবিধান সংস্কারের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে এবং এই লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে একটি বিশেষ কমিটি গঠনের কাজ শেষ করা হবে। পাশাপাশি, বাজেট আলোচনার আগেই সংসদের স্থায়ী কমিটিগুলো গঠনের কাজ শেষ করতে চান সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বাজেট অধিবেশনকে কেন্দ্র করে সংসদ ভবন ও এর আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। সংসদ এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে গতকাল থেকেই নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় সব ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র বহন, শোভাযাত্রা, বিক্ষোভ এবং মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
এর আগে গত ১২ মার্চ শুরু হওয়া ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন ২৫ কার্যদিবস চলার পর গত ৩০ এপ্রিল শেষ হয়। সেই অধিবেশনে রেকর্ড ৯৪টি বিল পাস হওয়ার পাশাপাশি পাঁচটি স্থায়ী কমিটি ও দুটি বিশেষ কমিটি গঠিত হয়েছিল।

রোববার, ০৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় এবং প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ সোমবার (৭ জুন) থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। আজ বেলা ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এই অধিবেশন শুরু হবে। এর আগে সংসদের কার্যউপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে অধিবেশনের চূড়ান্ত মেয়াদ ও কার্যসূচি নির্ধারণ করা হবে।
সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১১ জুন (বৃহস্পতিবার) সংসদে নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এরপর সংসদ সদস্যদের দীর্ঘ আলোচনা ও যুক্তি-তর্ক শেষে আগামী ৩০ জুন বাজেট পাস হওয়ার কথা রয়েছে। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংসদ অধিবেশন আহ্বানের পর থেকেই বাজেট অধিবেশন ঘিরে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে সংসদ সচিবালয়।
সংসদ সচিবালয়ের প্রকাশিত কার্যসূচি অনুযায়ী, আজ অধিবেশনের শুরুতে সভাপতিমণ্ডলীর মনোনয়ন ও শোকপ্রস্তাব উত্থাপন করা হবে। এরপর নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম দিনে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয়, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এবং বিদ্যুৎ বিভাগের প্রশ্নোত্তর তালিকাভুক্ত রয়েছে।
এ ছাড়া ‘জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ (বিধি-৭১)’-এর আওতায় প্রাপ্ত নোটিসগুলো নিষ্পত্তি করা হবে। এর বাইরে জ্বালানি বিষয়ে করণীয় নির্ধারণে গঠিত বিশেষ কমিটির রিপোর্ট উপস্থাপন করবেন কমিটির সভাপতি এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।
বাজেট পাস ছাড়াও এবারের অধিবেশনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত আসতে পারে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, চলতি অধিবেশনে সংবিধান সংস্কারের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে এবং এই লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে একটি বিশেষ কমিটি গঠনের কাজ শেষ করা হবে। পাশাপাশি, বাজেট আলোচনার আগেই সংসদের স্থায়ী কমিটিগুলো গঠনের কাজ শেষ করতে চান সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বাজেট অধিবেশনকে কেন্দ্র করে সংসদ ভবন ও এর আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। সংসদ এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে গতকাল থেকেই নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় সব ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র বহন, শোভাযাত্রা, বিক্ষোভ এবং মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
এর আগে গত ১২ মার্চ শুরু হওয়া ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন ২৫ কার্যদিবস চলার পর গত ৩০ এপ্রিল শেষ হয়। সেই অধিবেশনে রেকর্ড ৯৪টি বিল পাস হওয়ার পাশাপাশি পাঁচটি স্থায়ী কমিটি ও দুটি বিশেষ কমিটি গঠিত হয়েছিল।

আপনার মতামত লিখুন