কুষ্টিয়ায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়েছে। শনিবার (৬ জুন) সন্ধ্যায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ‘সাহিত্যে জয় হোক’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ কুষ্টিয়া শাখা।
অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের শিল্পী, সাহিত্যিক, আবৃত্তিকার ও সংস্কৃতিপ্রেমীরা অংশ নেন। আলোচনা পর্বে বক্তারা বলেন, নজরুল ছিলেন প্রেম, দ্রোহ, সাম্য ও মানবতার কবি। তার সাহিত্যকর্মে অসাম্প্রদায়িকতা, মানবমুক্তি ও সাম্যের যে চেতনা ফুটে উঠেছে, তা বর্তমান সময়েও সমান প্রাসঙ্গিক।
কবি ও সাহিত্যিক লালিম হক বলেন, নজরুল তার লেখনীর মাধ্যমে মানুষকে পরাধীনতার শৃঙ্খল ভাঙার প্রেরণা দিয়েছেন। সাহিত্যিক সুব্রত চক্রবর্তী মনে করেন, উপমহাদেশের সংকটময় সময়ে নজরুলের আবির্ভাব ছিল এক উজ্জ্বল আলোর দিশা। কবি কনক চৌধুরী বলেন, নজরুলের কবিতা আজও মানুষকে লড়াই করার অনুপ্রেরণা জোগায়। কুষ্টিয়া আবৃত্তি পরিষদের সভাপতি আলম আরা জুঁই বলেন, মাত্র ২৩ বছর সক্রিয় সাহিত্যচর্চার সুযোগ পেয়েও নজরুল বাংলা সাহিত্য ও সংগীতকে অসামান্য সম্পদ উপহার দিয়েছেন।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সংস্কৃতিকর্মী তোফাজ্জেল হোসেন, সাংবাদিক মিজানুর রহমান লাকী, জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ কুষ্টিয়া শাখার সভাপতি অশোক সাহা ও সাধারণ সম্পাদক রীনা বিশ্বাস। আলোচনার পর দ্বিতীয় পর্বে নজরুলসংগীত, কবিতা আবৃত্তি ও মনোজ্ঞ নৃত্য পরিবেশন করেন শিল্পীরা।
আয়োজকেরা জানান, নতুন প্রজন্মের মধ্যে নজরুলের সাম্য ও অসাম্প্রদায়িকতার চেতনা ছড়িয়ে দিতে এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।

রোববার, ০৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬
কুষ্টিয়ায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়েছে। শনিবার (৬ জুন) সন্ধ্যায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ‘সাহিত্যে জয় হোক’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ কুষ্টিয়া শাখা।
অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের শিল্পী, সাহিত্যিক, আবৃত্তিকার ও সংস্কৃতিপ্রেমীরা অংশ নেন। আলোচনা পর্বে বক্তারা বলেন, নজরুল ছিলেন প্রেম, দ্রোহ, সাম্য ও মানবতার কবি। তার সাহিত্যকর্মে অসাম্প্রদায়িকতা, মানবমুক্তি ও সাম্যের যে চেতনা ফুটে উঠেছে, তা বর্তমান সময়েও সমান প্রাসঙ্গিক।
কবি ও সাহিত্যিক লালিম হক বলেন, নজরুল তার লেখনীর মাধ্যমে মানুষকে পরাধীনতার শৃঙ্খল ভাঙার প্রেরণা দিয়েছেন। সাহিত্যিক সুব্রত চক্রবর্তী মনে করেন, উপমহাদেশের সংকটময় সময়ে নজরুলের আবির্ভাব ছিল এক উজ্জ্বল আলোর দিশা। কবি কনক চৌধুরী বলেন, নজরুলের কবিতা আজও মানুষকে লড়াই করার অনুপ্রেরণা জোগায়। কুষ্টিয়া আবৃত্তি পরিষদের সভাপতি আলম আরা জুঁই বলেন, মাত্র ২৩ বছর সক্রিয় সাহিত্যচর্চার সুযোগ পেয়েও নজরুল বাংলা সাহিত্য ও সংগীতকে অসামান্য সম্পদ উপহার দিয়েছেন।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সংস্কৃতিকর্মী তোফাজ্জেল হোসেন, সাংবাদিক মিজানুর রহমান লাকী, জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ কুষ্টিয়া শাখার সভাপতি অশোক সাহা ও সাধারণ সম্পাদক রীনা বিশ্বাস। আলোচনার পর দ্বিতীয় পর্বে নজরুলসংগীত, কবিতা আবৃত্তি ও মনোজ্ঞ নৃত্য পরিবেশন করেন শিল্পীরা।
আয়োজকেরা জানান, নতুন প্রজন্মের মধ্যে নজরুলের সাম্য ও অসাম্প্রদায়িকতার চেতনা ছড়িয়ে দিতে এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন