ফেনীর মধুখালী উপজেলায় ১৮৫ পিস ইয়াবাসহ মো. সামাদ খান (৪১) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১০। শনিবার (৬ জুন) দিবাগত রাতে উপজেলার মধুপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। র্যাব জানিয়েছে, গ্রেপ্তার সামাদ ওই এলাকার একজন শীর্ষ মাদক কারবারি এবং তার বিরুদ্ধে আগে থেকেই ৬টি মামলা রয়েছে।
র্যাব-১০, সিপিসি-৩ (ফরিদপুর ক্যাম্প) সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাতে মধুপুর এলাকায় অভিযান চালায় র্যাবের একটি দল। এ সময় ১৮৫ পিস ইয়াবাসহ সামাদ খানকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধারকৃত এই মাদকের বাজারমূল্য প্রায় ৫৫ হাজার ৫০০ টাকা। গ্রেপ্তার সামাদ মধুখালী উপজেলার মৃত আ. মজিদ খানের ছেলে।
র্যাবের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সামাদ খান একজন পেশাদার মাদক কারবারি। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ইয়াবা ও অন্যান্য মাদক সংগ্রহ করে ফরিদপুরসহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোর তরুণদের কাছে বিক্রি করে আসছিলেন। তার অপরাধের খতিয়ান বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, মধুখালী থানায় আগে থেকেই তার বিরুদ্ধে মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে ৬টি মামলা রয়েছে।
র্যাব-১০-এর জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার (মিডিয়া) তাপস কর্মকার বলেন, মাদক নির্মূলে র্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নতুন মামলা করে তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

রোববার, ০৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬
ফেনীর মধুখালী উপজেলায় ১৮৫ পিস ইয়াবাসহ মো. সামাদ খান (৪১) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১০। শনিবার (৬ জুন) দিবাগত রাতে উপজেলার মধুপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। র্যাব জানিয়েছে, গ্রেপ্তার সামাদ ওই এলাকার একজন শীর্ষ মাদক কারবারি এবং তার বিরুদ্ধে আগে থেকেই ৬টি মামলা রয়েছে।
র্যাব-১০, সিপিসি-৩ (ফরিদপুর ক্যাম্প) সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাতে মধুপুর এলাকায় অভিযান চালায় র্যাবের একটি দল। এ সময় ১৮৫ পিস ইয়াবাসহ সামাদ খানকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধারকৃত এই মাদকের বাজারমূল্য প্রায় ৫৫ হাজার ৫০০ টাকা। গ্রেপ্তার সামাদ মধুখালী উপজেলার মৃত আ. মজিদ খানের ছেলে।
র্যাবের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সামাদ খান একজন পেশাদার মাদক কারবারি। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ইয়াবা ও অন্যান্য মাদক সংগ্রহ করে ফরিদপুরসহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোর তরুণদের কাছে বিক্রি করে আসছিলেন। তার অপরাধের খতিয়ান বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, মধুখালী থানায় আগে থেকেই তার বিরুদ্ধে মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে ৬টি মামলা রয়েছে।
র্যাব-১০-এর জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার (মিডিয়া) তাপস কর্মকার বলেন, মাদক নির্মূলে র্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নতুন মামলা করে তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

আপনার মতামত লিখুন