লেবাননে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত সাতক্ষীরার দুই প্রবাসী বাংলাদেশি শফিকুল ইসলাম ও নাহিদুল ইসলামের মরদেহ দেশে ফিরেছে। শনিবার (৬ জুন) গভীর রাতে মরদেহ ২টি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। সেখানে আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে মরদেহগুলো হস্তান্তর করা হয়।
নিহত শফিকুল ও নাহিদুলের বাড়ি সাতক্ষীরা জেলায়। তারা দীর্ঘ দিন ধরে লেবাননে কর্মরত ছিলেন। গত ১১ মে দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিয়ে অঞ্চলের জিবদিন এলাকায় ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় তারা নিহত হন। দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে প্রায় ১ মাস পর তাদের নিথর দেহ দেশে ফিরল।
বিমানবন্দরে মরদেহ গ্রহণের সময় নিহতদের স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। এ সময় সরকারের পক্ষ থেকে শোকাতুর পরিবারগুলোর পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। বিমানবন্দর থেকে মরদেহগুলো রাতেই তাদের নিজ নিজ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে জানাজা শেষে তাদের দাফন করার কথা রয়েছে।
এদিকে দুই প্রবাসীর মরদেহ এলাকায় পৌঁছালে এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। উপার্জনক্ষম স্বজনদের হারিয়ে পরিবার দুটির মধ্যে এখন চলছে শোকের মাতম।

রোববার, ০৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬
লেবাননে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত সাতক্ষীরার দুই প্রবাসী বাংলাদেশি শফিকুল ইসলাম ও নাহিদুল ইসলামের মরদেহ দেশে ফিরেছে। শনিবার (৬ জুন) গভীর রাতে মরদেহ ২টি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। সেখানে আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে মরদেহগুলো হস্তান্তর করা হয়।
নিহত শফিকুল ও নাহিদুলের বাড়ি সাতক্ষীরা জেলায়। তারা দীর্ঘ দিন ধরে লেবাননে কর্মরত ছিলেন। গত ১১ মে দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিয়ে অঞ্চলের জিবদিন এলাকায় ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় তারা নিহত হন। দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে প্রায় ১ মাস পর তাদের নিথর দেহ দেশে ফিরল।
বিমানবন্দরে মরদেহ গ্রহণের সময় নিহতদের স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। এ সময় সরকারের পক্ষ থেকে শোকাতুর পরিবারগুলোর পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। বিমানবন্দর থেকে মরদেহগুলো রাতেই তাদের নিজ নিজ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে জানাজা শেষে তাদের দাফন করার কথা রয়েছে।
এদিকে দুই প্রবাসীর মরদেহ এলাকায় পৌঁছালে এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। উপার্জনক্ষম স্বজনদের হারিয়ে পরিবার দুটির মধ্যে এখন চলছে শোকের মাতম।

আপনার মতামত লিখুন