রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্রী রামিসা আক্তারকে (৮) ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার বহুল আলোচিত মামলার রায় পড়া শুরু হয়েছে। আজ রবিবার (৭ জুন) ঠিক বেলা ১১টায় ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এই ঐতিহাসিক রায় পড়া শুরু করেন।
রায় পড়া উপলক্ষে মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে ইতিমধ্যেই আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছে।
এর আগে সকাল ৮টা ৪৯ মিনিটে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে এবং তার কিছু আগে স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগার থেকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় এনে রাখা হয়। পরবর্তীতে রায় ঘোষণার সার্বিক প্রস্তুতি শেষে পৌনে ১১টায় সোহেল রানা এবং ১০টা ৫৭ মিনিটে স্বপ্নাকে মহানগর হাজতখানা থেকে সরাসরি ট্রাইব্যুনালের এজলাসে তোলা হয়।
৮ বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও নৃশংসভাবে হত্যার এই বর্বরোচিত ঘটনার মাত্র ১৯ দিনের মাথায় রায় ঘোষণা করা হচ্ছে, যা বাংলাদেশের বিচারিক ইতিহাসে এক নজিরবিহীন দ্রুততম গতির দৃষ্টান্ত।
২০ মে (১৯ মে দিবাগত রাত ১২টা ৫ মিনিট): পল্লবী থানায় হত্যাকাণ্ডের মামলা দায়ের।
২৪ মে: মামলা দায়েরের মাত্র ৫ দিনের মাথায় তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান আদালতে সুনির্দিষ্ট অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন।
৭ জুন: মামলা দায়েরের মাত্র ১৯ দিনের মাথায় আজ চূড়ান্ত রায় পড়া শুরু হলো।

রোববার, ০৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬
রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্রী রামিসা আক্তারকে (৮) ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার বহুল আলোচিত মামলার রায় পড়া শুরু হয়েছে। আজ রবিবার (৭ জুন) ঠিক বেলা ১১টায় ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এই ঐতিহাসিক রায় পড়া শুরু করেন।
রায় পড়া উপলক্ষে মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে ইতিমধ্যেই আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছে।
এর আগে সকাল ৮টা ৪৯ মিনিটে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে এবং তার কিছু আগে স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগার থেকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় এনে রাখা হয়। পরবর্তীতে রায় ঘোষণার সার্বিক প্রস্তুতি শেষে পৌনে ১১টায় সোহেল রানা এবং ১০টা ৫৭ মিনিটে স্বপ্নাকে মহানগর হাজতখানা থেকে সরাসরি ট্রাইব্যুনালের এজলাসে তোলা হয়।
৮ বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও নৃশংসভাবে হত্যার এই বর্বরোচিত ঘটনার মাত্র ১৯ দিনের মাথায় রায় ঘোষণা করা হচ্ছে, যা বাংলাদেশের বিচারিক ইতিহাসে এক নজিরবিহীন দ্রুততম গতির দৃষ্টান্ত।
২০ মে (১৯ মে দিবাগত রাত ১২টা ৫ মিনিট): পল্লবী থানায় হত্যাকাণ্ডের মামলা দায়ের।
২৪ মে: মামলা দায়েরের মাত্র ৫ দিনের মাথায় তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান আদালতে সুনির্দিষ্ট অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন।
৭ জুন: মামলা দায়েরের মাত্র ১৯ দিনের মাথায় আজ চূড়ান্ত রায় পড়া শুরু হলো।

আপনার মতামত লিখুন