সরকারি শূন্য পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করা হবে বলে সংসদে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে ৫ লাখ সরকারি কর্মচারি নিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
বুধবার (১০ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে কুমিল্লা-৯ আসনের সরকারি দলের সংসদ সদস্য আবুল কালামের ‘সরকারি শূন্য পদে নিয়োগ’ সংক্রান্ত এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
সংসদ নেতা তারেক রহমান বলেন, “এই মহান সংসদকে আমি এতটুকু জানাতে চাই যে, সরকারের বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন পদ খালি আছে; যেগুলো আরো গতিশীল করার জন্য, দেশের মানুষকে আরো সহজে সুবিধাজনকভাবে সেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য কতগুলো নিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ। সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিষয়টি পর্যালোচনা করছে।” তিনি বলেন, ‘যত দ্রুত সম্ভব আমরা এই পোস্টগুলোতে (শূন্যপদ) নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করবো ইনশাআল্লাহ।’
এর আগে বিকেল ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়।
এদিন বৈঠকে প্রথম ৩০ মিনিট প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোপর্ব। প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত ছিল তারকা চিহ্নিত ৫টি প্রশ্ন। এরমধ্যে ৩০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারকা চিহ্নিত তিনটি প্রশ্ন এবং বিভিন্ন সংসদ সদস্যের এ সংক্রান্ত সম্পূরক প্রশ্নের জবাব দেন প্রধানমন্ত্রী।
পাবনা-৫ আসনের সরকারি দল বিএনপির সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের অনুপস্থিতিতে তার তারকা চিহ্নিত অপর এক প্রশ্ন উত্থাপন করেন পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য একেএম সেলিম রেজা হাবিব।
জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সরকার ৫ লাখ সরকারি কর্মচারি নিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। তারমধ্যে শুধু জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং অধীনস্থ দপ্তর ও সংস্থাসমূহে শূন্য পদের বিপরীতে ২ হাজার ৮৭৯ জন লোক নিয়োগের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।”
সরকার সম উন্নয়নে বিশ্বাসী উল্লেখ করে মাদারীপুর-২ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান তালুকদার খোকনের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে স্পিকারকে উদ্দেশ্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কয়েকদিন আগে আপনার নেতৃত্বে আমরা কীভাবে এই সংসদ সেশনটা চলবে সেই বিষয়ে আমাদের কমিটির মিটিংয়ে বসেছিলাম। সেখানে মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতাও ছিলেন।
তিনি একটি বিষয় উল্লেখ করেছিলেন যে, ঈদের আগে সরকারের পক্ষ থেকে কিছু কিছু সহযোগিতা দেওয়া হয়েছিল, যেগুলো বিরোধীদলীয় নেতারা হয়তো পাননি। আমি মিটিং থেকে বেরিয়ে এসে এলজিআরডি মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী উভয়কেই সাথে সাথে নির্দেশনা দিয়েছিলাম যে, যদি বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্য কেউ না পেয়ে থাকেন, যাতে দ্রুত সেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়।”
সরকারপ্রধান বলেন, “এই নির্দেশনা দিয়ে আমি এটাই বোঝাতে চাইছি যে, বর্তমান সরকার দেশের সম উন্নয়নে বিশ্বাস করে এবং সরকারদলীয় সংসদ সদস্যরা যেভাবে এলাকার উন্নয়ন করবেন, ঠিক একইভাবে সরকারের সম্পূর্ণ সহযোগিতা থাকবে। বিরোধীদলীয় সদস্যবৃন্দ যারা আছে, তাদের এলাকায় আমরা সমানভাবে কাজ করার চেষ্টা করব।”

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬
সরকারি শূন্য পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করা হবে বলে সংসদে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে ৫ লাখ সরকারি কর্মচারি নিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
বুধবার (১০ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে কুমিল্লা-৯ আসনের সরকারি দলের সংসদ সদস্য আবুল কালামের ‘সরকারি শূন্য পদে নিয়োগ’ সংক্রান্ত এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
সংসদ নেতা তারেক রহমান বলেন, “এই মহান সংসদকে আমি এতটুকু জানাতে চাই যে, সরকারের বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন পদ খালি আছে; যেগুলো আরো গতিশীল করার জন্য, দেশের মানুষকে আরো সহজে সুবিধাজনকভাবে সেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য কতগুলো নিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ। সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিষয়টি পর্যালোচনা করছে।” তিনি বলেন, ‘যত দ্রুত সম্ভব আমরা এই পোস্টগুলোতে (শূন্যপদ) নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করবো ইনশাআল্লাহ।’
এর আগে বিকেল ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়।
এদিন বৈঠকে প্রথম ৩০ মিনিট প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোপর্ব। প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত ছিল তারকা চিহ্নিত ৫টি প্রশ্ন। এরমধ্যে ৩০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারকা চিহ্নিত তিনটি প্রশ্ন এবং বিভিন্ন সংসদ সদস্যের এ সংক্রান্ত সম্পূরক প্রশ্নের জবাব দেন প্রধানমন্ত্রী।
পাবনা-৫ আসনের সরকারি দল বিএনপির সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের অনুপস্থিতিতে তার তারকা চিহ্নিত অপর এক প্রশ্ন উত্থাপন করেন পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য একেএম সেলিম রেজা হাবিব।
জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সরকার ৫ লাখ সরকারি কর্মচারি নিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। তারমধ্যে শুধু জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং অধীনস্থ দপ্তর ও সংস্থাসমূহে শূন্য পদের বিপরীতে ২ হাজার ৮৭৯ জন লোক নিয়োগের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।”
সরকার সম উন্নয়নে বিশ্বাসী উল্লেখ করে মাদারীপুর-২ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান তালুকদার খোকনের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে স্পিকারকে উদ্দেশ্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কয়েকদিন আগে আপনার নেতৃত্বে আমরা কীভাবে এই সংসদ সেশনটা চলবে সেই বিষয়ে আমাদের কমিটির মিটিংয়ে বসেছিলাম। সেখানে মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতাও ছিলেন।
তিনি একটি বিষয় উল্লেখ করেছিলেন যে, ঈদের আগে সরকারের পক্ষ থেকে কিছু কিছু সহযোগিতা দেওয়া হয়েছিল, যেগুলো বিরোধীদলীয় নেতারা হয়তো পাননি। আমি মিটিং থেকে বেরিয়ে এসে এলজিআরডি মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী উভয়কেই সাথে সাথে নির্দেশনা দিয়েছিলাম যে, যদি বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্য কেউ না পেয়ে থাকেন, যাতে দ্রুত সেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়।”
সরকারপ্রধান বলেন, “এই নির্দেশনা দিয়ে আমি এটাই বোঝাতে চাইছি যে, বর্তমান সরকার দেশের সম উন্নয়নে বিশ্বাস করে এবং সরকারদলীয় সংসদ সদস্যরা যেভাবে এলাকার উন্নয়ন করবেন, ঠিক একইভাবে সরকারের সম্পূর্ণ সহযোগিতা থাকবে। বিরোধীদলীয় সদস্যবৃন্দ যারা আছে, তাদের এলাকায় আমরা সমানভাবে কাজ করার চেষ্টা করব।”

আপনার মতামত লিখুন