কানাডা পর্বের এই দ্বিতীয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটির মূল আকর্ষণ ছিলেন বলিউড ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের জনপ্রিয় পারফরমার নোরা ফাতেহি। বিশ্বকাপের অফিসিয়াল গান ‘সির সির’ (Siir Siir) পরিবেশন করে হাজারো দর্শকে ভরা স্টেডিয়ামকে এক নিমেষে মাতিয়ে তোলেন তিনি।
এর আগে ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের পর এবারও বৈশ্বিক ক্রীড়া মঞ্চে নিজের জনপ্রিয়তার প্রমাণ দিলেন নোরা। তার সঙ্গে মঞ্চে আন্তর্জাতিক সংগীত জগতের আরও কয়েকজন পরিচিত শিল্পী যোগ দিলে দর্শকদের উচ্ছ্বাস আরও বহুগুণ বেড়ে যায়। ‘সির সির’ গানের সঙ্গে নোরা ফাতেহির চমৎকার নৃত্য এবং আলো-ছায়ার অপূর্ব সমন্বয় পুরো স্টেডিয়ামে এক অন্যরকম আবহ তৈরি করেছিল।
কানাডার নিজস্ব সংস্কৃতি ও সমৃদ্ধ সংগীত ঐতিহ্যকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরাই ছিল এই বিশেষ অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য। আর তাই এই আয়োজনে নোরার পাশাপাশি মঞ্চ কাঁপাতে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন কানাডীয় সংগীতশিল্পী অ্যালানিস মরিসেট, জেসি রেয়েজ এবং মাইকেল বুবলে। তাদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পাশাপাশি বিশ্বকাপের অফিসিয়াল থিম, চোখধাঁধানো আলোকসজ্জা এবং বিশেষ ভিজ্যুয়াল ইফেক্টের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয় কানাডার বহুসাংস্কৃতিক পরিচয়কে। দেশটির বিভিন্ন সম্প্রদায়ের শিল্পীদের পরিবেশনায় ফুটে ওঠে ঐক্য, বৈচিত্র্য এবং ফুটবলের বৈশ্বিক বন্ধনের এক দারুণ বার্তা।
মেক্সিকো সিটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের রেশ ধরে রাখা টরন্টোর এই আয়োজনটি মাঠে খেলা শুরুর আগেই দর্শকদের উপহার দেয় সংগীত, নৃত্য ও আলোর এক অনন্য মেলবন্ধন। বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো আয়োজনের জন্য কানাডার টরন্টো এবং ভ্যাঙ্কুভার—এই দুই শহরকে বেছে নেওয়া হয়েছে। এই বিশ্বযজ্ঞের জন্য টরন্টো স্টেডিয়ামকে বিশেষভাবে নতুন রূপে সাজানো হয়েছে এবং এর আসন ধারণক্ষমতা বাড়িয়ে করা হয়েছে ৪৫ হাজার ৭৩৬।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত দর্শকদের তুমুল করতালির উচ্ছ্বাসই প্রমাণ করে দেয় যে ফুটবল বিশ্বকাপকে ঘিরে পুরো কানাডায় উত্তেজনা এখন কতটা তুঙ্গে। আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে, আগামী কয়েক সপ্তাহ টরন্টো শহরটি বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম প্রধান প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হবে।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
কানাডা পর্বের এই দ্বিতীয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটির মূল আকর্ষণ ছিলেন বলিউড ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের জনপ্রিয় পারফরমার নোরা ফাতেহি। বিশ্বকাপের অফিসিয়াল গান ‘সির সির’ (Siir Siir) পরিবেশন করে হাজারো দর্শকে ভরা স্টেডিয়ামকে এক নিমেষে মাতিয়ে তোলেন তিনি।
এর আগে ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের পর এবারও বৈশ্বিক ক্রীড়া মঞ্চে নিজের জনপ্রিয়তার প্রমাণ দিলেন নোরা। তার সঙ্গে মঞ্চে আন্তর্জাতিক সংগীত জগতের আরও কয়েকজন পরিচিত শিল্পী যোগ দিলে দর্শকদের উচ্ছ্বাস আরও বহুগুণ বেড়ে যায়। ‘সির সির’ গানের সঙ্গে নোরা ফাতেহির চমৎকার নৃত্য এবং আলো-ছায়ার অপূর্ব সমন্বয় পুরো স্টেডিয়ামে এক অন্যরকম আবহ তৈরি করেছিল।
কানাডার নিজস্ব সংস্কৃতি ও সমৃদ্ধ সংগীত ঐতিহ্যকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরাই ছিল এই বিশেষ অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য। আর তাই এই আয়োজনে নোরার পাশাপাশি মঞ্চ কাঁপাতে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন কানাডীয় সংগীতশিল্পী অ্যালানিস মরিসেট, জেসি রেয়েজ এবং মাইকেল বুবলে। তাদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পাশাপাশি বিশ্বকাপের অফিসিয়াল থিম, চোখধাঁধানো আলোকসজ্জা এবং বিশেষ ভিজ্যুয়াল ইফেক্টের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয় কানাডার বহুসাংস্কৃতিক পরিচয়কে। দেশটির বিভিন্ন সম্প্রদায়ের শিল্পীদের পরিবেশনায় ফুটে ওঠে ঐক্য, বৈচিত্র্য এবং ফুটবলের বৈশ্বিক বন্ধনের এক দারুণ বার্তা।
মেক্সিকো সিটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের রেশ ধরে রাখা টরন্টোর এই আয়োজনটি মাঠে খেলা শুরুর আগেই দর্শকদের উপহার দেয় সংগীত, নৃত্য ও আলোর এক অনন্য মেলবন্ধন। বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো আয়োজনের জন্য কানাডার টরন্টো এবং ভ্যাঙ্কুভার—এই দুই শহরকে বেছে নেওয়া হয়েছে। এই বিশ্বযজ্ঞের জন্য টরন্টো স্টেডিয়ামকে বিশেষভাবে নতুন রূপে সাজানো হয়েছে এবং এর আসন ধারণক্ষমতা বাড়িয়ে করা হয়েছে ৪৫ হাজার ৭৩৬।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত দর্শকদের তুমুল করতালির উচ্ছ্বাসই প্রমাণ করে দেয় যে ফুটবল বিশ্বকাপকে ঘিরে পুরো কানাডায় উত্তেজনা এখন কতটা তুঙ্গে। আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে, আগামী কয়েক সপ্তাহ টরন্টো শহরটি বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম প্রধান প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হবে।

আপনার মতামত লিখুন