দলের মূল তারকা এবং বায়ার্ন মিউনিখের অধিনায়ক আলফনসো ডেভিসকে ছাড়াই আজ উদ্বোধনী ম্যাচ খেলতে মাঠে নামে কানাডা। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে এই ম্যাচে তার না থাকাটা আগেই অনুমেয় ছিল। ডেভিসের অনুপস্থিতিতে কানাডার আক্রমণভাগের গুরুদায়িত্ব পড়ে জুভেন্টাস স্ট্রাইকার জোনাথন ডেভিডের ওপর। পাশাপাশি উইঙ্গার তাজন বুকানান, ডান প্রান্তের ডিফেন্ডার আলিস্টেয়ার জনস্টন এবং মিডফিল্ডার ইসমাইল কোনে’র ওপরও ছিল বিশেষ নজর।
অন্যদিকে চমক দেখাতে প্রস্তুত বসনিয়ার রক্ষণভাগে ছিলেন অভিজ্ঞ সেয়াদ কোলাসিনাচ ও তারিক মুহারেমোভিচ এবং আক্রমণে নজর ছিল তরুণ উইঙ্গার এসমির বাজরাকতারেভিচ ও কেরিম আলাজবেগোভিচের দিকে। তবে দলের সবচেয়ে বড় তারকা ও অধিনায়ক এদিন জেকো ছিলেন বসনিয়ার আক্রমণের প্রধান অস্ত্র।
ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ৩৪ ধাপ এগিয়ে থাকা বসনিয়ার বিপক্ষে বল দখল আর শট নেওয়ায় অনেকটাই এগিয়ে ছিল কানাডা। ম্যাচে মোট ৬০ শতাংশ বল দখলে রেখে ১২টি শট নেয় বিশ্বকাপের সহ-আয়োজকরা, যার মধ্যে লক্ষ্যে ছিল চারটি। বিপরীতে ৮টি শট নিয়ে তিনটি গোলমুখে রাখে বসনিয়া। ম্যাচের শুরু থেকে জেসি মার্শের কানাডা বেশ আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও ম্যাচের ধারার বিপরীতে ২১ মিনিটে এগিয়ে যায় বসনিয়া-হার্জেগোভিনা। ডানদিকে বাজিরাতারিভিচের সঙ্গে লড়াই করতে গিয়ে কানাডার ফুলব্যাক লারিয়া কর্নার উপহার দেন।
মেমিচের নেওয়া সেই চমৎকার কর্নার কিকটি কোলাশিনাচের মাথায় লেগে চলে আসে লুকিচের কাছে, আর একদম গোললাইন থেকে আলতো হেডে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি। প্রথামার্ধের বাকিটা সময় কানাডা আক্রমণে এগিয়ে থাকলেও নেওয়া আটটি শটের মধ্যে লক্ষ্যে রাখতে পেরেছিল মাত্র একটি।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফেরার জন্য কোচ জেসি মার্শ যে বদলি খেলোয়াড়ের ওপর ভরসা রেখেছিলেন, সেই কাইল লারিন যেন মাঠে নেমেই জাদু দেখান। মাঠে নামার ঠিক দুই মিনিট পরেই এই স্ট্রাইকার ম্যাচের চিত্র বদলে দেন।
মিডফিল্ডার কনের দুর্দান্ত এক দৌড় থেকে শুরু হওয়া আক্রমণের পর জনাথন ডেভিডের নিখুঁত পাস খুঁজে নেয় লারিনকে। বসনিয়ার ডিফেন্ডারকে শারীরিক শক্তিতে পরাস্ত করে লারিনের নেওয়া শট ডিফেন্ডার কাটিচের গায়ে লেগে সামান্য দিক পরিবর্তন করে জালে জড়িয়ে যায়। সমতায় ফেরার পর কানাডার গ্যালারি যেন জেগে ওঠে নতুন প্রাণশক্তিতে এবং স্বাগতিক দর্শকদের গর্জনে পুরো স্টেডিয়ামই কেঁপে ওঠে।
তবে জয়সূচক গোলের আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়েও শেষ পর্যন্ত পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই মাঠ ছাড়তে হয় দুই দলকে। বিশ্বকাপে ‘বি’ গ্রুপে কানাডা ও বসনিয়ার বাকি দুই সঙ্গী কাতার ও সুইজারল্যান্ড। আগামী ১৮ জুন রাত একটায় বসনিয়া মাঠে নামবে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে এবং ১৯ জুন ভোর চারটায় কাতারের মুখোমুখি হবে কানাডা।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
দলের মূল তারকা এবং বায়ার্ন মিউনিখের অধিনায়ক আলফনসো ডেভিসকে ছাড়াই আজ উদ্বোধনী ম্যাচ খেলতে মাঠে নামে কানাডা। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে এই ম্যাচে তার না থাকাটা আগেই অনুমেয় ছিল। ডেভিসের অনুপস্থিতিতে কানাডার আক্রমণভাগের গুরুদায়িত্ব পড়ে জুভেন্টাস স্ট্রাইকার জোনাথন ডেভিডের ওপর। পাশাপাশি উইঙ্গার তাজন বুকানান, ডান প্রান্তের ডিফেন্ডার আলিস্টেয়ার জনস্টন এবং মিডফিল্ডার ইসমাইল কোনে’র ওপরও ছিল বিশেষ নজর।
অন্যদিকে চমক দেখাতে প্রস্তুত বসনিয়ার রক্ষণভাগে ছিলেন অভিজ্ঞ সেয়াদ কোলাসিনাচ ও তারিক মুহারেমোভিচ এবং আক্রমণে নজর ছিল তরুণ উইঙ্গার এসমির বাজরাকতারেভিচ ও কেরিম আলাজবেগোভিচের দিকে। তবে দলের সবচেয়ে বড় তারকা ও অধিনায়ক এদিন জেকো ছিলেন বসনিয়ার আক্রমণের প্রধান অস্ত্র।
ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ৩৪ ধাপ এগিয়ে থাকা বসনিয়ার বিপক্ষে বল দখল আর শট নেওয়ায় অনেকটাই এগিয়ে ছিল কানাডা। ম্যাচে মোট ৬০ শতাংশ বল দখলে রেখে ১২টি শট নেয় বিশ্বকাপের সহ-আয়োজকরা, যার মধ্যে লক্ষ্যে ছিল চারটি। বিপরীতে ৮টি শট নিয়ে তিনটি গোলমুখে রাখে বসনিয়া। ম্যাচের শুরু থেকে জেসি মার্শের কানাডা বেশ আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও ম্যাচের ধারার বিপরীতে ২১ মিনিটে এগিয়ে যায় বসনিয়া-হার্জেগোভিনা। ডানদিকে বাজিরাতারিভিচের সঙ্গে লড়াই করতে গিয়ে কানাডার ফুলব্যাক লারিয়া কর্নার উপহার দেন।
মেমিচের নেওয়া সেই চমৎকার কর্নার কিকটি কোলাশিনাচের মাথায় লেগে চলে আসে লুকিচের কাছে, আর একদম গোললাইন থেকে আলতো হেডে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি। প্রথামার্ধের বাকিটা সময় কানাডা আক্রমণে এগিয়ে থাকলেও নেওয়া আটটি শটের মধ্যে লক্ষ্যে রাখতে পেরেছিল মাত্র একটি।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফেরার জন্য কোচ জেসি মার্শ যে বদলি খেলোয়াড়ের ওপর ভরসা রেখেছিলেন, সেই কাইল লারিন যেন মাঠে নেমেই জাদু দেখান। মাঠে নামার ঠিক দুই মিনিট পরেই এই স্ট্রাইকার ম্যাচের চিত্র বদলে দেন।
মিডফিল্ডার কনের দুর্দান্ত এক দৌড় থেকে শুরু হওয়া আক্রমণের পর জনাথন ডেভিডের নিখুঁত পাস খুঁজে নেয় লারিনকে। বসনিয়ার ডিফেন্ডারকে শারীরিক শক্তিতে পরাস্ত করে লারিনের নেওয়া শট ডিফেন্ডার কাটিচের গায়ে লেগে সামান্য দিক পরিবর্তন করে জালে জড়িয়ে যায়। সমতায় ফেরার পর কানাডার গ্যালারি যেন জেগে ওঠে নতুন প্রাণশক্তিতে এবং স্বাগতিক দর্শকদের গর্জনে পুরো স্টেডিয়ামই কেঁপে ওঠে।
তবে জয়সূচক গোলের আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়েও শেষ পর্যন্ত পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই মাঠ ছাড়তে হয় দুই দলকে। বিশ্বকাপে ‘বি’ গ্রুপে কানাডা ও বসনিয়ার বাকি দুই সঙ্গী কাতার ও সুইজারল্যান্ড। আগামী ১৮ জুন রাত একটায় বসনিয়া মাঠে নামবে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে এবং ১৯ জুন ভোর চারটায় কাতারের মুখোমুখি হবে কানাডা।

আপনার মতামত লিখুন