বিশ্বকাপে স্টেডিয়ামের ফাঁকা গ্যালারি নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। প্রথম দিন দক্ষিণ কোরিয়া-চেকিয়া ম্যাচে গ্যালারির প্রায় অর্ধেক ফাঁকা ছিল। যদিও ফিফার দাবি, এবার টিকেটের রেকর্ড পরিমাণ চাহিদা রয়েছে। সেই দাবির সঙ্গে বাস্তবের ছবি কেন মিললো না, তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন ফিফা কর্তৃপক্ষ।
বিশ্বকাপের টিকেটের চড়া মূল্য
নিয়ে প্রথম থেকেই সমালোচিত হয়েছে ফিফা। অভিযোগ অধিকাংশ টিকেটের দাম সাধারণ ফুটবলপ্রেমীদের
ধরাছোঁয়ার বাইরে। তার ওপর বিশ্বকাপের দ্বিতীয় ম্যাচেই ফাঁকা গ্যালারি অস্বস্তি বাড়িয়েছে
ফিফা কর্তাদের।
সাধারণত বিশ্বকাপের টিকেট বিক্রি
শুরু হলেই ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে উন্মাদনা তৈরি হয়। বিশ্বের লাখ লাখ ফুটবলপ্রেমী টিকেটের
প্রত্যাশায় থাকেন। অধিকাংশই টিকেট পান না। ৪ বছর অপেক্ষা করে থাকেন তারা। ফুটবল বিশ্বকাপের
টিকেটের চাহিদা কোনো দিনই কম নয়। তাও একটি ম্যাচে এত দর্শকাসন ফাঁকা! যদিও দর্শক কম
হয়েছে বলে মানতে রাজি নয় ফিফা।
অস্বস্তি ঢাকতে ফিফা বিবৃতি দিয়ে
বলেছে, ‘কত মানুষ এসেছেন, তা নির্দিষ্ট ভাবে বোঝা যায় টিকেট স্ক্যানের সংখ্যা থেকে।
সেটাই উপস্থিতির সংখ্যা। গ্যালারিতে কত জন বসেছিলেন, তা দেখে বোঝা যায় না। স্টেডিয়াম
কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ফিফার প্রতিনিধিরা যোগাযোগ রেখে কাজ করছেন। কত টিকেট বিক্রি হয়েছিল
এবং কত জন স্ক্যান করিয়েছেন তা দেখলেই বোঝা যাবে।’ আরও বলা হয়েছে, ‘গুয়াদালজারায় ম্যাচ
চলাকালীন বহু মানুষ নির্দিষ্ট আসনে না বসে, উত্তেজনায় বিভিন্ন জায়গায় দাঁড়িয়েছিলেন।
তারাও টিকেট কেটেই মাঠে এসেছিলেন।’
ডফপার দাবি, ৪৬ হাজার দর্শকাসনের
স্টেডিয়ামে গত শুক্রবার খেলা দেখতে এসেছিলেন ৪৪ হাজার ৯৮৫ জন। যদিও বাস্তবে তেমন ছবি
দেখা যায়নি। স্টেডিয়ামে ম্যাচ কভার করতে যাওয়া সাংবাদিকেরাও ফিফার দাবি শুনে ভ্রু কুঁচকেছেন।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
বিশ্বকাপে স্টেডিয়ামের ফাঁকা গ্যালারি নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। প্রথম দিন দক্ষিণ কোরিয়া-চেকিয়া ম্যাচে গ্যালারির প্রায় অর্ধেক ফাঁকা ছিল। যদিও ফিফার দাবি, এবার টিকেটের রেকর্ড পরিমাণ চাহিদা রয়েছে। সেই দাবির সঙ্গে বাস্তবের ছবি কেন মিললো না, তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন ফিফা কর্তৃপক্ষ।
বিশ্বকাপের টিকেটের চড়া মূল্য
নিয়ে প্রথম থেকেই সমালোচিত হয়েছে ফিফা। অভিযোগ অধিকাংশ টিকেটের দাম সাধারণ ফুটবলপ্রেমীদের
ধরাছোঁয়ার বাইরে। তার ওপর বিশ্বকাপের দ্বিতীয় ম্যাচেই ফাঁকা গ্যালারি অস্বস্তি বাড়িয়েছে
ফিফা কর্তাদের।
সাধারণত বিশ্বকাপের টিকেট বিক্রি
শুরু হলেই ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে উন্মাদনা তৈরি হয়। বিশ্বের লাখ লাখ ফুটবলপ্রেমী টিকেটের
প্রত্যাশায় থাকেন। অধিকাংশই টিকেট পান না। ৪ বছর অপেক্ষা করে থাকেন তারা। ফুটবল বিশ্বকাপের
টিকেটের চাহিদা কোনো দিনই কম নয়। তাও একটি ম্যাচে এত দর্শকাসন ফাঁকা! যদিও দর্শক কম
হয়েছে বলে মানতে রাজি নয় ফিফা।
অস্বস্তি ঢাকতে ফিফা বিবৃতি দিয়ে
বলেছে, ‘কত মানুষ এসেছেন, তা নির্দিষ্ট ভাবে বোঝা যায় টিকেট স্ক্যানের সংখ্যা থেকে।
সেটাই উপস্থিতির সংখ্যা। গ্যালারিতে কত জন বসেছিলেন, তা দেখে বোঝা যায় না। স্টেডিয়াম
কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ফিফার প্রতিনিধিরা যোগাযোগ রেখে কাজ করছেন। কত টিকেট বিক্রি হয়েছিল
এবং কত জন স্ক্যান করিয়েছেন তা দেখলেই বোঝা যাবে।’ আরও বলা হয়েছে, ‘গুয়াদালজারায় ম্যাচ
চলাকালীন বহু মানুষ নির্দিষ্ট আসনে না বসে, উত্তেজনায় বিভিন্ন জায়গায় দাঁড়িয়েছিলেন।
তারাও টিকেট কেটেই মাঠে এসেছিলেন।’
ডফপার দাবি, ৪৬ হাজার দর্শকাসনের
স্টেডিয়ামে গত শুক্রবার খেলা দেখতে এসেছিলেন ৪৪ হাজার ৯৮৫ জন। যদিও বাস্তবে তেমন ছবি
দেখা যায়নি। স্টেডিয়ামে ম্যাচ কভার করতে যাওয়া সাংবাদিকেরাও ফিফার দাবি শুনে ভ্রু কুঁচকেছেন।

আপনার মতামত লিখুন