কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কার্যালয় ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা। মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এই মানববন্ধনে বিপুলসংখ্যক মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সন্তানেরা অংশ নেন। মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়।
জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা বাশির উদ্দিন ফারুকীর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন গণতন্ত্রী পার্টির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ভূপেন্দ্র ভৌমিক দোলন, জেলা বাসদের আহ্বায়ক শফীকুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান মুক্তু, পাকুন্দিয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ।
বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, গত ১১ জুন রাতে থানা থেকে মাত্র ২০০ গজ দূরে অবস্থিত উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কার্যালয়টি দুর্বৃত্তরা গুঁড়িয়ে দিয়ে মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। স্বাধীনতার ৫৫ বছর পর এসে মুক্তিযোদ্ধা কার্যালয় ভাঙচুরের বিচার চাইতে রাজপথে দাঁড়ানো অত্যন্ত বেদনাদায়ক। ঘটনার এতদিন পার হলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
মানববন্ধন থেকে অপরাধীদের অনতিবিলম্বে আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়। অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন মুক্তিযোদ্ধারা।
/

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কার্যালয় ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা। মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এই মানববন্ধনে বিপুলসংখ্যক মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সন্তানেরা অংশ নেন। মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়।
জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা বাশির উদ্দিন ফারুকীর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন গণতন্ত্রী পার্টির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ভূপেন্দ্র ভৌমিক দোলন, জেলা বাসদের আহ্বায়ক শফীকুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান মুক্তু, পাকুন্দিয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ।
বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, গত ১১ জুন রাতে থানা থেকে মাত্র ২০০ গজ দূরে অবস্থিত উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কার্যালয়টি দুর্বৃত্তরা গুঁড়িয়ে দিয়ে মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। স্বাধীনতার ৫৫ বছর পর এসে মুক্তিযোদ্ধা কার্যালয় ভাঙচুরের বিচার চাইতে রাজপথে দাঁড়ানো অত্যন্ত বেদনাদায়ক। ঘটনার এতদিন পার হলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
মানববন্ধন থেকে অপরাধীদের অনতিবিলম্বে আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়। অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন মুক্তিযোদ্ধারা।
/

আপনার মতামত লিখুন