রাজধানীর মহাখালী-তেজগাঁও সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন গার্মেন্টস শ্রমিকরা। আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল থেকে বকেয়া বেতন ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা আদায়ের দাবিতে তারা সড়কের ওপর অবস্থান নেন।
শ্রমিকদের এই
আকস্মিক অবরোধের কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটির দুই পাশে সব ধরনের যান চলাচল সম্পূর্ণ
বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে পুরো এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে আশেপাশের
অন্যান্য সড়কেও। সকালের ব্যস্ত সময়ে এই অবরোধের কারণে সাধারণ যাত্রী ও অফিসগামী মানুষ
চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন।
এদিকে পরিস্থিতি
নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর
সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন।
আন্দোলনরত গার্মেন্টস
শ্রমিকরা তাদের পাওনা আদায়ে প্রশাসনের কাছে মোট ৭টি সুনির্দিষ্ট দাবি জানিয়েছেন। শ্রমিকদের
উত্থাপিত দাবিগুলো নিচে দেওয়া হলো:
১) গত মে মাসের
বকেয়া বেতন দ্রুত পরিশোধ করতে হবে। ২) ২০২৫ সালের ছুটির টাকা প্রদান করতে হবে। ৩) ডিসেম্বর-২০২৫
এর এরিয়ার (বকেয়া) বিলের টাকা বুঝিয়ে দিতে হবে। ৪) নোটিশ পে-বিল অবিলম্বে পরিশোধ করতে
হবে। ৫) শ্রম আইন অনুযায়ী পরবর্তী ৪ (চার) মাস তথা ১২০ (একশত বিশ) দিনের বেতন-ভাতা
পরিশোধ করতে হবে। ৬) শ্রম আইন মোতাবেক সব শ্রমিক-কর্মচারীর সার্ভিস বেনিফিট ১০০ শতাংশ
(শতভাগ) পরিশোধ করতে হবে। ৭) শ্রমিক-কর্মচারীদের প্রাপ্য পাওনা পরিশোধের ক্ষেত্রে কোনো
ধরনের হয়রানি (যেমন: পুলিশি মামলা, হুমকি, ভয়ভীতি প্রদর্শন, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন)
করা থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকতে হবে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
রাজধানীর মহাখালী-তেজগাঁও সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন গার্মেন্টস শ্রমিকরা। আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল থেকে বকেয়া বেতন ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা আদায়ের দাবিতে তারা সড়কের ওপর অবস্থান নেন।
শ্রমিকদের এই
আকস্মিক অবরোধের কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটির দুই পাশে সব ধরনের যান চলাচল সম্পূর্ণ
বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে পুরো এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে আশেপাশের
অন্যান্য সড়কেও। সকালের ব্যস্ত সময়ে এই অবরোধের কারণে সাধারণ যাত্রী ও অফিসগামী মানুষ
চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন।
এদিকে পরিস্থিতি
নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর
সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন।
আন্দোলনরত গার্মেন্টস
শ্রমিকরা তাদের পাওনা আদায়ে প্রশাসনের কাছে মোট ৭টি সুনির্দিষ্ট দাবি জানিয়েছেন। শ্রমিকদের
উত্থাপিত দাবিগুলো নিচে দেওয়া হলো:
১) গত মে মাসের
বকেয়া বেতন দ্রুত পরিশোধ করতে হবে। ২) ২০২৫ সালের ছুটির টাকা প্রদান করতে হবে। ৩) ডিসেম্বর-২০২৫
এর এরিয়ার (বকেয়া) বিলের টাকা বুঝিয়ে দিতে হবে। ৪) নোটিশ পে-বিল অবিলম্বে পরিশোধ করতে
হবে। ৫) শ্রম আইন অনুযায়ী পরবর্তী ৪ (চার) মাস তথা ১২০ (একশত বিশ) দিনের বেতন-ভাতা
পরিশোধ করতে হবে। ৬) শ্রম আইন মোতাবেক সব শ্রমিক-কর্মচারীর সার্ভিস বেনিফিট ১০০ শতাংশ
(শতভাগ) পরিশোধ করতে হবে। ৭) শ্রমিক-কর্মচারীদের প্রাপ্য পাওনা পরিশোধের ক্ষেত্রে কোনো
ধরনের হয়রানি (যেমন: পুলিশি মামলা, হুমকি, ভয়ভীতি প্রদর্শন, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন)
করা থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন