আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা ‘জিরো অলিম্পিয়াড সিজন-২’-এ অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছেন বরিশালের গৌরনদী উপজেলার কৃতী সন্তান টি.এম. তাওহীদ ইসলাম। প্রতিযোগিতার ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা-১৪ (জলজ জীবন সংরক্ষণ)’ বিভাগে তিনি দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছেন। এই অর্জনের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে পূর্ণ বৃত্তি পেয়েছেন।
তাওহীদ ইসলাম গৌরনদীর বড় কসবা গ্রামের সাংবাদিক সুমন তালুকদারের ছেলে। তিনি ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সিভিল প্রযুক্তি বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
গত ১৩ জুন ঢাকার বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজিতে (বিইউএফটি) এই প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এতে দেশের বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯ হাজার ৩৩২ জন প্রতিযোগী অংশ নেন। তাদের মধ্য থেকে বাছাই করা ৫১ জন চূড়ান্ত পর্বে লড়াই করেন। তাওহীদ সেখানে তার মেধা ও সৃজনশীলতার স্বাক্ষর রেখে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন। পুরস্কার হিসেবে তার হাতে ক্রেস্ট, পদক, বই ও সম্মাননা সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।
নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে তাওহীদ ইসলাম বলেন, “এই অর্জন আমাকে নতুন স্বপ্ন দেখার সাহস জুগিয়েছে। প্রতিযোগিতার মাধ্যমে অনেক গুণী মানুষের সঙ্গে পরিচিত হতে পেরেছি। ভবিষ্যতে দেশ ও সমাজের জন্য বড় পরিসরে কাজ করতে চাই।”
তাওহীদের এই সাফল্যে তার পরিবার, শিক্ষক ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা বলছেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলের একজন তরুণের এই বিশ্বজয় আগামী প্রজন্মকে বড় স্বপ্ন দেখতে অনুপ্রাণিত করবে। মেধা ও পরিশ্রম থাকলে যে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের অবস্থান তৈরি করা যায়, তাওহীদ তা প্রমাণ করেছেন।
/

বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুন ২০২৬
আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা ‘জিরো অলিম্পিয়াড সিজন-২’-এ অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছেন বরিশালের গৌরনদী উপজেলার কৃতী সন্তান টি.এম. তাওহীদ ইসলাম। প্রতিযোগিতার ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা-১৪ (জলজ জীবন সংরক্ষণ)’ বিভাগে তিনি দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছেন। এই অর্জনের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে পূর্ণ বৃত্তি পেয়েছেন।
তাওহীদ ইসলাম গৌরনদীর বড় কসবা গ্রামের সাংবাদিক সুমন তালুকদারের ছেলে। তিনি ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সিভিল প্রযুক্তি বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
গত ১৩ জুন ঢাকার বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজিতে (বিইউএফটি) এই প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এতে দেশের বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯ হাজার ৩৩২ জন প্রতিযোগী অংশ নেন। তাদের মধ্য থেকে বাছাই করা ৫১ জন চূড়ান্ত পর্বে লড়াই করেন। তাওহীদ সেখানে তার মেধা ও সৃজনশীলতার স্বাক্ষর রেখে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন। পুরস্কার হিসেবে তার হাতে ক্রেস্ট, পদক, বই ও সম্মাননা সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।
নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে তাওহীদ ইসলাম বলেন, “এই অর্জন আমাকে নতুন স্বপ্ন দেখার সাহস জুগিয়েছে। প্রতিযোগিতার মাধ্যমে অনেক গুণী মানুষের সঙ্গে পরিচিত হতে পেরেছি। ভবিষ্যতে দেশ ও সমাজের জন্য বড় পরিসরে কাজ করতে চাই।”
তাওহীদের এই সাফল্যে তার পরিবার, শিক্ষক ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা বলছেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলের একজন তরুণের এই বিশ্বজয় আগামী প্রজন্মকে বড় স্বপ্ন দেখতে অনুপ্রাণিত করবে। মেধা ও পরিশ্রম থাকলে যে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের অবস্থান তৈরি করা যায়, তাওহীদ তা প্রমাণ করেছেন।
/

আপনার মতামত লিখুন