চট্টগ্রামে চার বছর আগে পাঁচ বছরের শিশু আলিনা ইসলাম আয়াতকে নির্মমভাবে হত্যার পর লাশ ছয় টুকরো করে সাগরে ভাসিয়ে দেওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় একমাত্র আসামি ও প্রতিবেশী আবীর আলীর মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (১৭ জুন, ২০২৬) সকালে চট্টগ্রামের ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মুহাম্মদ আলী আক্কাস দেশের বহুল আলোচিত এই মামলার রায় ঘোষণা করেন।
আদালত ও মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৪ নভেম্বর নগরীর ইপিজেড থানার নয়ারহাট ওয়াছমুন্সী বাড়ির বাসিন্দা সোহেল রানার মেয়ে আলিনা ইসলাম আয়াত নিখোঁজ হয়। পরে তদন্তে বেরিয়ে আসে, মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে প্রতিবেশী আবীর আলী আয়াতকে অপহরণ করে। পরে শিশুটি চিৎকার করলে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। নৃশংসতার এখানেই শেষ ছিল না; আলামত গোপনের উদ্দেশ্যে শিশুটির মরদেহ কেটে ছয় টুকরো করে চালের বস্তা ও পলিথিনে ভরে সাগরে ভাসিয়ে দেয় ঘাতক আবীর।
মামলার দীর্ঘ শুনানি, সাক্ষ্যগ্রহণ ও তথ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণ শেষে আদালত আবীর আলীকে দোষী সাব্যস্ত করে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই রায়ের পর আদালত প্রাঙ্গণে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। নিহতের পরিবার এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে দ্রুত সাজা কার্যকরের দাবি জানিয়েছে।

বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুন ২০২৬
চট্টগ্রামে চার বছর আগে পাঁচ বছরের শিশু আলিনা ইসলাম আয়াতকে নির্মমভাবে হত্যার পর লাশ ছয় টুকরো করে সাগরে ভাসিয়ে দেওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় একমাত্র আসামি ও প্রতিবেশী আবীর আলীর মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (১৭ জুন, ২০২৬) সকালে চট্টগ্রামের ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মুহাম্মদ আলী আক্কাস দেশের বহুল আলোচিত এই মামলার রায় ঘোষণা করেন।
আদালত ও মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৪ নভেম্বর নগরীর ইপিজেড থানার নয়ারহাট ওয়াছমুন্সী বাড়ির বাসিন্দা সোহেল রানার মেয়ে আলিনা ইসলাম আয়াত নিখোঁজ হয়। পরে তদন্তে বেরিয়ে আসে, মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে প্রতিবেশী আবীর আলী আয়াতকে অপহরণ করে। পরে শিশুটি চিৎকার করলে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। নৃশংসতার এখানেই শেষ ছিল না; আলামত গোপনের উদ্দেশ্যে শিশুটির মরদেহ কেটে ছয় টুকরো করে চালের বস্তা ও পলিথিনে ভরে সাগরে ভাসিয়ে দেয় ঘাতক আবীর।
মামলার দীর্ঘ শুনানি, সাক্ষ্যগ্রহণ ও তথ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণ শেষে আদালত আবীর আলীকে দোষী সাব্যস্ত করে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই রায়ের পর আদালত প্রাঙ্গণে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। নিহতের পরিবার এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে দ্রুত সাজা কার্যকরের দাবি জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন