সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক মো. রোকোনুজ্জামানকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ জারি করেছে সাতক্ষীরা জেলা কৃষক দল।
জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক মো. সালাউদ্দীন লিটন এবং সদস্য সচিব মো. রবিউল ইসলাম রবি স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ নোটিশ প্রদান করা হয়।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, গত কিছুদিন ধরে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় মো. রোকোনুজ্জামানের বিরুদ্ধে একটি সংখ্যালঘু পরিবারকে নির্যাতনের অভিযোগ প্রকাশিত হয়েছে। অভিযোগটি দলীয় গঠনতন্ত্রের পরিপন্থী এবং এর ফলে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে মনে করছে জেলা কৃষক দল।
এ পরিপ্রেক্ষিতে কেন তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, সে বিষয়ে পত্র প্রাপ্তির ৭২ ঘণ্টার মধ্যে লিখিতভাবে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নোটিশে আরও বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি কালিগঞ্জ উপজেলার এক সংখ্যালঘু পরিবারের জমি দখল ও হয়রানির অভিযোগ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এরই ধারাবাহিকতায় জেলা কৃষক দল এ সাংগঠনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক মো. রোকোনুজ্জামানকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ জারি করেছে সাতক্ষীরা জেলা কৃষক দল।
জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক মো. সালাউদ্দীন লিটন এবং সদস্য সচিব মো. রবিউল ইসলাম রবি স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ নোটিশ প্রদান করা হয়।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, গত কিছুদিন ধরে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় মো. রোকোনুজ্জামানের বিরুদ্ধে একটি সংখ্যালঘু পরিবারকে নির্যাতনের অভিযোগ প্রকাশিত হয়েছে। অভিযোগটি দলীয় গঠনতন্ত্রের পরিপন্থী এবং এর ফলে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে মনে করছে জেলা কৃষক দল।
এ পরিপ্রেক্ষিতে কেন তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, সে বিষয়ে পত্র প্রাপ্তির ৭২ ঘণ্টার মধ্যে লিখিতভাবে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নোটিশে আরও বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি কালিগঞ্জ উপজেলার এক সংখ্যালঘু পরিবারের জমি দখল ও হয়রানির অভিযোগ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এরই ধারাবাহিকতায় জেলা কৃষক দল এ সাংগঠনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন