দিনের আলোতে সাধারণ এক পরিবহনের হেলপার, যার কাজ যাত্রীদের বাসে তোলা। কিন্তু রাতের আঁধার নামতেই তার রূপ বদলে যেত এক ভয়ঙ্কর অপরাধ জগতে। ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ডে সে পরিচিত ‘অটো সজল’ নামে।
দীর্ঘদিন
ধরে অস্ত্র সরবরাহ ও মাদকের রাজত্ব
চালানো এই শীর্ষ সন্ত্রাসী
অবশেষে তার তিন সহযোগীসহ
পুলিশের জালে ধরা পড়েছে।
যাত্রাবাড়ী এলাকায় এক অভিযানে সজল
ও তার দলের বাপ্পী,
হানিফ ও শামসুন্নাহারকে গ্রেফতার
করা হয়েছে। তাদের আস্তানা থেকে উদ্ধার হয়েছে
থানা থেকে লুট হওয়া
পুলিশের অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও বিপুল
পরিমাণ হেরোইন।
শুক্রবার
দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে
এই অভিযানের বিস্তারিত তুলে ধরেন ডিএমপির
অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এণ্ড অপারেশনস) এস
এন মো. নজরুল ইসলাম।
তিনি
ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, "গতকাল
বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ১০
মিনিটের দিকে যাত্রাবাড়ীর সায়েদাবাদ
এলাকায় অভিযান চালিয়ে অটো সজলকে গ্রেফতার
করা হয়। পরে তাকে
জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে স্বামীবাগের একটি ভাড়া বাসায়
অস্ত্র ও মাদক মজুত
রাখার কথা স্বীকার করে।"
সেই
স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে পুলিশ গভীর রাতে স্বামীবাগের
বাসায় হানা দিয়ে দুটি
‘TAURUS’ ব্র্যান্ডের পিস্তল, ৪টি ম্যাগাজিন, ৭৭
রাউন্ড তাজা গুলি, ৫৯
গ্রাম হেরোইন ও মাদক বিক্রির
নগদ টাকা উদ্ধার করে।
উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলো থানা
থেকে পুলিশের লুট যাওয়া অস্ত্র
বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
এই অটো সজলের অপরাধের
খতিয়ান বেশ দীর্ঘ। গত
২ মার্চ সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকায়
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এক পরিদর্শককে গুলি
করার নেপথ্যে ছিল এই সজল।
পুলিশ কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম আরও জানান, "অটো
সজল দীর্ঘদিন ধরে অস্ত্র সরবরাহ
ও মাদক কারবারের সঙ্গে
জড়িত। সজল পেশায় একটি
পরিবহনের হেলপার হলেও আড়ালে তিনি
এসব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতেন। তার বিরুদ্ধে ডিএমপির
বিভিন্ন থানায় ১১টি মামলা রয়েছে।"
পুলিশ
জানিয়েছে, গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনে
মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। সংবাদ সম্মেলনে ওয়ারী বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার
মল্লিক আহসান উদ্দিন সামীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬
দিনের আলোতে সাধারণ এক পরিবহনের হেলপার, যার কাজ যাত্রীদের বাসে তোলা। কিন্তু রাতের আঁধার নামতেই তার রূপ বদলে যেত এক ভয়ঙ্কর অপরাধ জগতে। ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ডে সে পরিচিত ‘অটো সজল’ নামে।
দীর্ঘদিন
ধরে অস্ত্র সরবরাহ ও মাদকের রাজত্ব
চালানো এই শীর্ষ সন্ত্রাসী
অবশেষে তার তিন সহযোগীসহ
পুলিশের জালে ধরা পড়েছে।
যাত্রাবাড়ী এলাকায় এক অভিযানে সজল
ও তার দলের বাপ্পী,
হানিফ ও শামসুন্নাহারকে গ্রেফতার
করা হয়েছে। তাদের আস্তানা থেকে উদ্ধার হয়েছে
থানা থেকে লুট হওয়া
পুলিশের অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও বিপুল
পরিমাণ হেরোইন।
শুক্রবার
দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে
এই অভিযানের বিস্তারিত তুলে ধরেন ডিএমপির
অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এণ্ড অপারেশনস) এস
এন মো. নজরুল ইসলাম।
তিনি
ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, "গতকাল
বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ১০
মিনিটের দিকে যাত্রাবাড়ীর সায়েদাবাদ
এলাকায় অভিযান চালিয়ে অটো সজলকে গ্রেফতার
করা হয়। পরে তাকে
জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে স্বামীবাগের একটি ভাড়া বাসায়
অস্ত্র ও মাদক মজুত
রাখার কথা স্বীকার করে।"
সেই
স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে পুলিশ গভীর রাতে স্বামীবাগের
বাসায় হানা দিয়ে দুটি
‘TAURUS’ ব্র্যান্ডের পিস্তল, ৪টি ম্যাগাজিন, ৭৭
রাউন্ড তাজা গুলি, ৫৯
গ্রাম হেরোইন ও মাদক বিক্রির
নগদ টাকা উদ্ধার করে।
উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলো থানা
থেকে পুলিশের লুট যাওয়া অস্ত্র
বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
এই অটো সজলের অপরাধের
খতিয়ান বেশ দীর্ঘ। গত
২ মার্চ সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকায়
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এক পরিদর্শককে গুলি
করার নেপথ্যে ছিল এই সজল।
পুলিশ কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম আরও জানান, "অটো
সজল দীর্ঘদিন ধরে অস্ত্র সরবরাহ
ও মাদক কারবারের সঙ্গে
জড়িত। সজল পেশায় একটি
পরিবহনের হেলপার হলেও আড়ালে তিনি
এসব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতেন। তার বিরুদ্ধে ডিএমপির
বিভিন্ন থানায় ১১টি মামলা রয়েছে।"
পুলিশ
জানিয়েছে, গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনে
মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। সংবাদ সম্মেলনে ওয়ারী বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার
মল্লিক আহসান উদ্দিন সামীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন