দলের অন্দরে ক্রমশ বাড়তে থাকা ভাঙন ও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এবার পৌঁছে গেল অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণের প্রশ্নে। রাজনৈতিক অস্থিরতার মাঝেই দলের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার দাবিতে সামনে এলো এক বিস্ফোরক মোড়। বৃহস্পতিবার বিরোধী শিবিরের তরফে একাধিক অভিযোগ ওঠার পর ‘ঋতপন্থী’ শিবিরের ১০ জন বিধায়ক বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তাদের আশঙ্কা, দলের তহবিলে বিপুল পরিমাণ ‘কাটমানি’ জমা রয়েছে, যা অপব্যবহারের ঝুঁকিতে। সেই কারণেই অবিলম্বে অ্যাকাউন্ট সিল করে তদন্তের দাবি তোলা হয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত আরও আগে। গত সপ্তাহেই প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস একটি চিঠি দিয়ে একটি বেসরকারি ব্যাংকের শাখায় দলের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার আবেদন জানান। তার যুক্তি- দলের ভিতরে এখন চরম অনিশ্চয়তা, নেতৃত্ব নিয়ে বিভ্রান্তি এবং প্রশাসনিক শৃঙ্খলার অভাব। এই অবস্থায় আর্থিক লেনদেন চালু থাকলে অপব্যবহারের সম্ভাবনা বাড়বে।
তবে দলের অফিসিয়াল শিবির এই দাবিকে একেবারেই উড়িয়ে দিয়েছে। মুখপাত্রের বক্তব্য, এই ধরনের চিঠির কোনো আইনি ভিত্তি নেই এবং এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
এই পরিস্থিতিতে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে- দলের ভেতরকার এই টানাপোড়েন কি শুধুই মতভেদ, না কি বড় ধরনের বিদ্রোহের পূর্বাভাস? অরূপ বিশ্বাসের এই পদক্ষেপ কি নেতৃত্বের বিরুদ্ধে নীরব চ্যালেঞ্জ?
উল্লেখযোগ্যভাবে, ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতিতে নতুন কমিটি গঠন করে শৃঙ্খলা ফেরানোর চেষ্টা শুরু হয়েছিল। কিন্তু সেই উদ্যোগের মধ্যেই সাংগঠনিক বিভাজন এখন সরাসরি আর্থিক নিয়ন্ত্রণের লড়াইয়ে রূপ নিচ্ছে।
রাজনৈতিক মহলের মতে, এই ঘটনাপ্রবাহ খুব দ্রুত আইনি সংঘাতে পরিণত হতে পারে। পুলিশ প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেয়, এবং আদালতের দোরগোড়ায় বিষয়টি পৌঁছায় কি না- এখন সেদিকেই নজর সবার।

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬
দলের অন্দরে ক্রমশ বাড়তে থাকা ভাঙন ও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এবার পৌঁছে গেল অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণের প্রশ্নে। রাজনৈতিক অস্থিরতার মাঝেই দলের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার দাবিতে সামনে এলো এক বিস্ফোরক মোড়। বৃহস্পতিবার বিরোধী শিবিরের তরফে একাধিক অভিযোগ ওঠার পর ‘ঋতপন্থী’ শিবিরের ১০ জন বিধায়ক বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তাদের আশঙ্কা, দলের তহবিলে বিপুল পরিমাণ ‘কাটমানি’ জমা রয়েছে, যা অপব্যবহারের ঝুঁকিতে। সেই কারণেই অবিলম্বে অ্যাকাউন্ট সিল করে তদন্তের দাবি তোলা হয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত আরও আগে। গত সপ্তাহেই প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস একটি চিঠি দিয়ে একটি বেসরকারি ব্যাংকের শাখায় দলের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার আবেদন জানান। তার যুক্তি- দলের ভিতরে এখন চরম অনিশ্চয়তা, নেতৃত্ব নিয়ে বিভ্রান্তি এবং প্রশাসনিক শৃঙ্খলার অভাব। এই অবস্থায় আর্থিক লেনদেন চালু থাকলে অপব্যবহারের সম্ভাবনা বাড়বে।
তবে দলের অফিসিয়াল শিবির এই দাবিকে একেবারেই উড়িয়ে দিয়েছে। মুখপাত্রের বক্তব্য, এই ধরনের চিঠির কোনো আইনি ভিত্তি নেই এবং এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
এই পরিস্থিতিতে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে- দলের ভেতরকার এই টানাপোড়েন কি শুধুই মতভেদ, না কি বড় ধরনের বিদ্রোহের পূর্বাভাস? অরূপ বিশ্বাসের এই পদক্ষেপ কি নেতৃত্বের বিরুদ্ধে নীরব চ্যালেঞ্জ?
উল্লেখযোগ্যভাবে, ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতিতে নতুন কমিটি গঠন করে শৃঙ্খলা ফেরানোর চেষ্টা শুরু হয়েছিল। কিন্তু সেই উদ্যোগের মধ্যেই সাংগঠনিক বিভাজন এখন সরাসরি আর্থিক নিয়ন্ত্রণের লড়াইয়ে রূপ নিচ্ছে।
রাজনৈতিক মহলের মতে, এই ঘটনাপ্রবাহ খুব দ্রুত আইনি সংঘাতে পরিণত হতে পারে। পুলিশ প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেয়, এবং আদালতের দোরগোড়ায় বিষয়টি পৌঁছায় কি না- এখন সেদিকেই নজর সবার।

আপনার মতামত লিখুন